শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন মানুষে মানুষে মানবিক সদাচার

নববর্ষ আমাদের জীবনের অন্যতম জাতীয় উৎসব। এবারের উৎসবটি একটু ব্যতিক্রম এবং বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ। কোভিড পরবর্তি সময়ে এবারের উৎসব হচ্ছে। তাই সবার উদ্দীপনাও অপেক্ষাকৃত বেশি। এর আগেও অতিমারি মহামারি যেভাবেই বলি না কেন, পৃথিবীতে বহুবার এসেছে। সবকিছুর আয়ু যেমন একসময় ফুরায়, অতিমারি মহামারিও একসময় ফুরিয়ে যায়। তারপর পুনরায় জীবনের স্বাভাবিক যে চলমানতা সেটি শুরু হয়। প্রকৃতির সাথে যুক্ত পাখি, মাছ, প্রকৃতির শস্য সবকিছুই আবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকশিত হয়। একসময় মানুষের প্রাণের যে যাত্রা সেটি ব্যহত হয়েছিল। কোভিড প্রাণকে আঘাত করেছিল, মৃতুকে ত্বরান্বিত করেছিল, মানুষ নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল এবং সাবধানতা অবলম্বন করেছিল। দুই বছরের বেশি সময় পরে, সবকিছুকে মেনে ও মানিয়ে নিয়েই, মুখোশকে পরিত্যাগ না করে, বরং সাবধানতা অবলম্বন করেই মানুষ আবার বেরিয়ে আসার সুযোগ পেয়েছে। প্রাণের উচ্ছ্বাস, জীবনের উচ্ছ্বাস, প্রকৃতির উচ্ছ্বাসের মত আবার জেগে উঠেছে মানুষ।

আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িকতো বটেই। আমাদের সংবিধানেই সকল ধর্মের সমন্বয় করা আছে। ধর্ম মানেই ধারণ করা। দেখা যায়, সব ধর্মের সূত্র কিন্তু এক। প্রকৃতপক্ষে ধর্মে কোনো বিভেদ নাই। ধর্মে ধর্মে যে বিদ্বেষ এটি খুবই পীড়াদায়ক। এটির কারণ ধর্মের প্রকাশভঙ্গি। এক এক ধর্মের প্রক্রিয়া, উপাসনা পদ্ধতি, শোভা এক এক রকম । কিন্তু সকলই কল্যাণকর। কাজেই ধর্মকে কলুষিত করে যারা সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করতে চায়, তারা আসলে ধর্মের শত্রু। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান চেয়েছিলেন, মানুষে মানুষে মানবিক সদাচার। মানবিক সদাচার থাকলে আজকে আমরা যে সাম্প্রদায়িকতার কথা বলছি, সেটিতো আসতেই পারে না। এমনকি সর্ব ধর্মের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি সেটিকে সোনার পাথর বাটির মতই মনে হয়। বাংলাদেশ আমরা সব ধর্মের মানুষকে ধারণ করে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করব। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সকল ধর্মের মধ্যে রঙ নিয়ে আসার কথাই বলেছিলেন। এজন্য আমরা বলি সংস্কৃতিকে আরও উন্নত করতে হবে। বাঙালি সংস্কৃতির মধ্যে সব ধর্মের যে সারাৎসার উৎসবের ভিতর মানুষকে সুস্থ করার যে প্রক্রিয়া সেটি যথাযথভাবে পালন করা উচিত।

আমি আমার জীবনের শুরুতে যে মাটির সংস্কৃতি দেখেছি সেটি সুন্দর ছিল। আমাদের বাড়ির পাশে মেলা হত। হোলি খেলা হত। চৈত্রসংক্রান্তির পরে এসবই আমরা দেখে বড় হয়েছি। তারপর ঈদ পূজা পার্বণের উৎসব দেখেছি। আমার এলাকা রামুতে বৌদ্ধদের উৎসব এবং ওই এলাকায় চীন সম্প্রদায়ের বসবাস আছে। ছোটবেলা থেকেই সব সম্প্রদায়ের সব ধরণের কালচারের সাথে আমাদের পরিচয় এবং বসবাস। অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির মধ্যে আমার বেড়ে উঠা। তারপর ৬৫ সালে যখন ঢাকায় এলাম, তখন বাঙ্গালি সংস্কৃতির সাথে আরও ব্যাপকভাবে পরিচয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ করতে গিয়ে বাঙ্গালির তিন হাজার বছরের যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সেখান থেকে এক জাতিতে পরিণত হবার যুক্তি গ্রহণ করেছিলেন। আমাদের ভাষা এক, কাজেই সেই ভাষার যুক্তিকে গ্রহণ করেছিলেন। তারপর আমরা যে অখণ্ড দেশের অধিকারি হতে পারি, প্রত্যেক মানুষ আমাদের সার্বভৌমত্ব চায়, এই তিনটি যুদ্ধ তিনি সম্পন্ন করেছিলেন।

নববর্ষে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হালখাতা, মিষ্টি বিতরণ, মঙ্গল শোভাযাত্রা, বাঙালি সংস্কৃতির যে মূল অবদান, এভাবেই প্রবাহিত হয়। বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এখন ঢাকা শহরের পাশাপাশি দেশের সর্বত্র হয়। দিনে দিনে এর ব্যপ্তি বাড়ছে।

পয়লা বৈশাখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান চেয়েছিলেন, মানুষে মানুষে মানবিক সদাচার। মানবিক সদাচার থাকলে আজকে আমরা যে সাম্প্রদায়িকতার কথা বলছি, সেটিতো আসতেই পারে না। এমনকি সর্ব ধর্মের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি সেটিকে সোনার পাথর বাটির মতই মনে হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে শুরু হয়। আশা করছি এবারও শোভাযাত্রা হবে নির্ভেজাল ভাবেই। সকলের জন্য এই শোভাযাত্রাকে কল্যাণকর মনে করা হয়। আসল কথা হচ্ছে, নববর্ষের শিক্ষা থেকে বাঙ্গালির মূর্ত এবং বিমূর্ত সকল প্রকার সংস্কৃতির ভালটুকু আমাদের গ্রহণ করতে হবে। ঢাকা শহরের মাঠে এবং গ্রাম বাংলার পথে পথে এই মঙ্গলশোভা যাত্রা উদজীবিত রাখতে হবে। সুন্দরকে ধারণ করে, সুন্দরের শিক্ষা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

 

লেখক: মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমি।

 

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান