বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ | ১১ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

অবরোধে সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসায় ধস

ছবি সংগৃহিত

কুয়াশার চাদর জড়িয়ে শীত নেমে এসেছে প্রকৃতিতে। ঘরে ঘরে শিশু শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন ভ্রমণের প্রকৃষ্ট সময় তো এখনই। কিন্তু সে ইচ্ছায় বাধ সাধছে দেশের বিদ্যামান রাজনৈতিক অস্থিরতা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ডাকা টানা অবরোধ-হরতালের কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসা। বড় ধরনের ধসের মুখে পড়েছেন এখানকার ট্যুর অপারেটররা।

এই ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একের পর এক বুকিং বাতিল করছেন পর্যটকরা। নতুন কেউ আসছেনও না। ২০১৫ সালের পর এমন সংকটে আর পড়েননি তারা। এমনকি কোভিড মহামারির ভেতরেও এরকম মন্দা তৈরি হয়নি।

সুন্দরবনের পর্যটন খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এখানকার পর্যটনের ভরা মৌসুম। কিন্তু এ বছর অক্টোবরের শেষে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন কর্মসূচি, হরতাল-অবরোধের কারণে চার-পাঁচ দিন দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সুন্দরবনের পর্যটন খাতে। সহিংসতার আশঙ্কায় ভ্রমণে আগ্রহ হারিয়েছেন দেশি-বিদেশি পর্যটক।

সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবীর জানান, এই কেন্দ্রে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ পর্যটক আসেন। এখন আসছেন মাত্র ৩০ থেকে ৪০ জন। এর ফলে রাজস্ব আয়ও কম হচ্ছে।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের (টোয়াস) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আযম ডেভিড জানান, তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ১১২ এবং পর্যটকবাহী লঞ্চ বা জাহাজ রয়েছে ৬৫টি। এ ছাড়া মোংলায় ছোট-বড় আরও শতাধিক ট্যুর অপারেটর এবং ইঞ্জিনের শতাধিক ছোট নৌকা রয়েছে। পর্যটকরা মোংলা থেকে একদিনের এবং খুলনা থেকে তিন দিনের ট্যুরে যান।

তিনি আরও জানান, বাস চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক পর্যটক তাদের ট্যুর বাতিল করেছেন। এ ছাড়া নভেম্বরে অনেক পর্যটক সুন্দরবন যাওয়ার জন্য বুকিং দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা এখন বুকিংয়ের অগ্রিম টাকা দিতে চাচ্ছেন না। অনেকে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত ট্যুরের বুকিং স্থগিত করছেন। মৌসুমের শুরুতে এমন পরিস্থিতি তাদের উদ্বেগে ফেলে দিয়েছে।

একাধিক ট্যুর অপারেটর জানায়, হরতাল-অবরোধের কারণে তাদের সব শিডিউল স্থগিত হয়ে গেছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত নতুন বুকিং পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। এতে তারা বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়তে যাচ্ছেন।

সুন্দরবন বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সুন্দরবনে পর্যটকের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে সুন্দরবন ভ্রমণ করেছিলেন ১ লাখ ৪৬ হাজার পর্যটক। এ থেকে বন বিভাগের রাজস্ব আয় হয় ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ লাখ ৫৫ হাজার পর্যটকের কাছ থেকে রাজস্ব আয় হয় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ১৬ হাজার জনে। এ থেকে রাজস্ব আয় হয় ৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার জানান, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনে আসেন। কিন্তু হরতাল-অবরোধের কারণে তারা আসতে পারছেন না। এতে পর্যটন খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

 

Header Ad
Header Ad

বাংলাদেশ সফর স্থগিত করলেন পাকিস্তান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মির ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ২৭-২৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সফর করতে পারছেন না। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সফরের নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

সম্প্রতি কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের সঙ্গে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রীর সফরটি স্থগিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে কমপক্ষে ২৬ জন পর্যটক নিহত হন। এ ঘটনায় ভারত পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে। তারা বলছে, পাকিস্তান থেকে আসা সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। যদিও পাকিস্তান হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে এজন্য ইসলামাবাদকে দোষারোপ করারও প্রতিবাদ করেছে।

পহেলগাঁওয়ের ঘটনাটির পর বুধবার (২৩ এপ্রিল) সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিলসহ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় পাঁচটি পদক্ষেপ নেয় দিল্লি। এর মধ্যে আছে পাকিস্তানের কোনো নাগরিককে ‘সার্ক ভিসা’ না দেওয়া; পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ রাখা, পাকিস্তানে ভারতের হাইকমিশন থেকে কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে নেওয়া; পাকিস্তানের নাগরিকদের দেওয়া ভারতের ভিসা বাতিল এবং তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ।

এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। এর মধ্যে আছে ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি সাময়িক স্থগিত; ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সার্ক ভিসা বাতিল (শিখ তীর্থযাত্রীরা এর বাইরে থাকবেন); ওয়াঘা সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা; ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ভারত থেকে আগতদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ; ভারতে পাকিস্তানি প্রতিরক্ষা, নৌ ও বিমান উপদেষ্টাদের ‘পারসনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা; ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা ত্রিশে নামিয়ে আনা; ভারতীয় এয়ারলাইনের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ ও ভারতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের বাণিজ্য স্থগিত।

এমন উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে ভারতের অস্ত্রশস্ত্র জড়ো করা এবং দেশটির নৌবাহিনীর মিসাইল বিধ্বংসের পরীক্ষার খবরেও মিলছে গণমাধ্যমে।

Header Ad
Header Ad

আমাদের নিয়ত পরিষ্কার, যা কমিটমেন্ট করেছি তা বাস্তবায়ন করবো: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দলের দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি কোনো জাঁকজমকপূর্ণ রাজনৈতিক স্টান্ট নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত সংস্কার-রোডম্যাপ, যা বাস্তবায়নে দলের সদিচ্ছা রয়েছে। আমাদের নিয়ত পরিষ্কার। আমরা যা যা কমিটমেন্ট করেছি তা বাস্তবায়ন করবো।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “আমরা যখন ৩১ দফা দিয়েছি, তখন দলের মহাসচিব কারাগারে ছিলেন, চেয়ারপারসন ছিলেন বন্দি। সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই আমরা এই রূপরেখা দিয়েছি। তাই এটা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, আমাদের অঙ্গীকার। আমাদের নিয়ত পরিষ্কার। যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা বাস্তবায়ন করবো।”

তিনি স্বীকার করেন, সবকিছু একসাথে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবে এটিকে তিনি একটি "চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া" হিসেবে অভিহিত করেন। “যা পারবো করবো, যা এখন সম্ভব নয়, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম করবে” বলেও জানান তিনি।

রাজনৈতিক সহিংসতা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “আমরা যে সংগ্রামের জন্য রাজপথে নেমেছিলাম, তার জন্য বহু প্রাণ গেছে। যুদ্ধ ছাড়া শিশু হত্যা হয় না। তাই আমরা প্রতিজ্ঞা করছি—যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো।”

তিনি নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন ৩১ দফার বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। শুধু সমর্থকদের মধ্যেই নয়, যারা বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে না, তাদের মধ্যেও ৩১ দফার গুরুত্ব তুলে ধরার আহ্বান জানান।

শেষে তিনি বলেন, “সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হলে জনগণের পাশে যেতে হবে, জনগণকে পাশে রাখতে হবে। ভোট আনতে হলে মানুষের কাছে যেতে হবে। এই প্রতিজ্ঞা আজ সবাইকে নিতে হবে—জনগণের পাশে থাকবো, জনগণকেই আপন করে নেবো।”

Header Ad
Header Ad

টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাঙ্কিং: দেশের শীর্ষে বুয়েট ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যভিত্তিক খ্যাতনামা শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) প্রকাশ করেছে ২০২৪ সালের এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং। এবারের তালিকায় সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে বাংলাদেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালিকায় বাংলাদেশের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। তারা যৌথভাবে র‍্যাংকিংয়ের ৩০১ থেকে ৩৫০ অবস্থানে রয়েছে।

‎বুধবার (২৩ এপ্রিল) যুক্তরাজ্যভিত্তিক টাইমস হায়ার এডুকেশন এ বছরের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। তালিকায় এশিয়ার ৩৫টি অঞ্চলের ৮৫৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিংয়ে এটি ১৩ তম সংস্করণ।

‎তালিকায় ৩৫১-৪০০ এর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে দেশের ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

‎৪০১-৫০০ এর মধ্যে অবস্থান করছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

‎৫০১-৬০০ এর মধ্যে অবস্থান করছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও তালিকায় স্থান পেয়েছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশ সফর স্থগিত করলেন পাকিস্তান পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আমাদের নিয়ত পরিষ্কার, যা কমিটমেন্ট করেছি তা বাস্তবায়ন করবো: তারেক রহমান
টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাঙ্কিং: দেশের শীর্ষে বুয়েট ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়
অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে ডা. জাহাঙ্গীর কবির-তাসনিম জারার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ
তন্ময়সহ শেখ পরিবারের ৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
চলতি বছরে দেশে আরো ৩০ লাখ মানুষ দরিদ্র হতে পারে: বিশ্বব্যাংক
৮ দিন পর মুক্তি পেলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অপহৃত ৫ শিক্ষার্থী
পাকিস্তানের সঙ্গে কখনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে না ভারত
৮ দিনের নোটিশে সরকারি কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে তদন্ত ছাড়াই
ভেঙে গেল সামিরা খান মাহির ৪ বছরের প্রেম
বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের বৈষম্য নিরসনের দাবি জানিয়ে রাবিতে বিক্ষোভ
কাশ্মিরে উগ্রপন্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনা নিহত
সিঙ্গাপুর ম্যাচেই অভিষেক হতে পারে ফাহমিদুলের
বাবার ঠিকাদারি ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কুয়েটের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য
গোল্ডেন ভিসায় দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড়, ৭০ জনকে চিহ্নিত করেছে দুদক
রাজধানীতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা, বৃষ্টির সম্ভাবনা কম
গাজায় একদিনে আরও নিহত ৪৫, আহত শতাধিক
কাতারের বিনিয়োগকারীদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার