বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাজে ব্যাটিংয়ের কোনো অজুহাত দেবেন না তামিম

শুক্রবার রাতটা বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ ঘুমাতে গিয়েছেন অন্য রকম এক অনুভূতি নিয়ে। রাত পোহালেই যে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন। এ আনন্দে অনেকেই হয়তো রাতে ঘুমাতেই পারেননি। বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে যখন পদ্মা সেতুর ঢেউ বইছে, তখন উইন্ডিজের সেন্ট লুসিয়ায় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বাজে খেলার প্রদর্শনী করে চলেছেন।

বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ২৩৪ রানে। কিন্তু যখন দেখা যায় এই ২৩৪ রানের ১৫৬ রানই এসেছে না দৌড়ে ৩৯ বাউন্ডারি থেকে, তখন চোখ কপালেই উঠার কথা। যে পিচে এ রকম স্ট্রোক খেলা যায়, সে পিচে এভাবে ২৩৪ রানে অলআউট হওয়া কিছুতেই মানায় না। এটাকে স্রেফ আত্মহত্যা বা গলাটিপে হত্যাই বলা যায়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা আসলেই করেছেন সে রকমই। কেউ ছটফট করে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছে এসেছেন, কেউ বাউন্সারে পরাজিত হয়ে অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করেছেন। তাই তো এক সময় যেখানে রান ছিল দুই উইকেটে ১০৫, সেখানে ২৩৪ রানে অলআউট। অর্থাৎ ১২৯ রানে শেষ বাকি আট উইকেট।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা কীভাবে আত্মাহুতি দিয়েছেন তার একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে তামিম ইকবালের ইনিংস। চমৎকার খেলছিলেন। চলে গিয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি। ৪৬ রানে ব্যাট করছিলেন। তখনই অফ স্ট্যাম্পের বাইরে বল খেলার কোনো প্রয়োজনই নেই। কিন্তু তিনি ব্যাট চালিয়ে দিলেন। ফলাফল পয়েন্টে ব্ল্যাকউডের হাতে ক্যাচ। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তামিম নিজেও স্বীকার করেছেন তার এ শট খেলাটা ঠিক হয়নি। ইচ্ছে করলেই ছেড়ে দিতে পারতেন।

তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে এরকম শুরু পেয়ে গেলে সাধারণত আমার ইনিংসগুলো বড় হয়। দুর্ভাগ্যজনক যে বড় করতে পারিনি। আজকের বলটি আমি ছেড়ে দিতে পারতাম। তবে বলটি যতটা ওঠার কথা নয়, তার চেয়ে বেশি উঠেছে। এজন্য ব্যাটের স্টিকারে লাগে।’

এভাবে আউট হওয়ার জন্য তিনি কোনো অজুহাত দেখাবেন না। তামিম বলেন, আমি এমন একজন যে এখানে এসে বলব এ কারণে হয়নি, ও কারণে হয়নি। আমার কাছে মনে হয়, যখন আমি শুরুটা পাচ্ছি, দলের সিনিয়র সদস্য হিসেবে, বড় করা উচিত ছিল। এখানে কোনো অজুহাত নেই।'

বাংলাদেশের ইচ্ছে ছিল টস জিতে বোলিং আগে নেওয়া। কিন্তু টস জেতা না হওয়াতে তার আর সম্ভব হয়নি। অগত্যা ব্যাটিং করতেই নামতে হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে শুরু হয়েছিল তাতে করে এভাবে ২৩৪ রানে অলআউট হওয়ার মতো ছিল না। তামিম ইকবাল মনে করেন ৩০০-৩২০ রান হলে ভালো হতো।

তিনি বলেন, ‘দেখুন, জুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের যদি বড় জুটি হয়, তখনই বড় ইনিংস খেলা সম্ভব। আজ আমরা ভালো শুরু করেছি। কিন্তু বড় রান হয়নি। তবু একটা পর্যায়ে আমরা ১২০ রানে (হবে ১০৫ রান) ২ উইকেট ছিলাম। সেখান থেকে মিডল অর্ডারে ধস নামে। এরপর লোয়ার অর্ডারে শরীফুল, ইবাদত কিছু রান করেছে। অবশ্যই লিটন ভালো খেলেছে। তবে আমাদের আজ ওই মঞ্চটা তৈরি ছিল বড় করার। টেস্টের প্রথম দিন ১২০ (হবে ১০৫ রানে) রানে ২ উইকেট, এমন শুরু যেকোনো দিনই নিতে চাইবেন। কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারিনি। ৩০০-৩২০ রান যদি করতাম, তাহলে এই উইকেটে সেটা ভালো রান হতো।’

এভাবে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য তামিম ইকবাল নির্দিষ্ট করে কাউকে বা কোনো বিভাগকে দায় দিতে চান না। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, ওই অবস্থা থেকে এই অবস্থায় চলে এসেছি। মূলত ব্যাপারটা হচ্ছে, হয় প্রথমে হচ্ছে না, না হলে মাঝে হচ্ছে না। এটিই সমস্যা। আমি এমন কেউ নই যে বলব, অমুকের কারণে হচ্ছে না বা তমুকের কারণে হচ্ছে না। ব্যাটিং বিভাগ হিসেবেই হচ্ছে না। আমি ভালো করি না করি, ছয় নম্বর ভালো করুক বা না করুক, টপ অর্ডার বা মিডল অর্ডারের দিকে আঙুল তুলে লাভ নেই।’

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলাররাও ভালো করতে পারেননি। তামিম মনে করেন ২০-২৫ রান বেশি দেওয়া হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘বোলিংয়েও আমরা ২০-২৫ রান বেশি দিয়ে ফেলেছি, এই রানটা কম দিলে আরও ভালো হতো। কারণ ওরা যে ধরনের ব্যাটিং করে স্বাভাবিকভাবে এত দ্রুত রান তোলে না। আমার কাছে মনে হয় ২০-২৫ রান দিয়ে দিয়েছি।’

তামিম এখন তাকিয়ে আছেন দ্বিতীয় দিনের দিকে। বোলারদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (দ্বিতীয় দিন) সকালের সেশনটা গুরুত্বপূর্ণ। উইকেট নেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে খুব বেশি সুইং নেই। যেটা লাস্ট টেস্টে ছিল। আমাদের ধৈর্য্যের খেলা খেলতে হবে। রান কম দিয়ে যতদ্রুত উইকেট নেওয়ায় সম্ভব হয় আর কী। দেখতে হবে কাল উইকেট কেমন আচরণ করে।'

এমপি/এসএন

 

 

Header Ad
Header Ad

‘টাকা-পয়সা-গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি’

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের বড়াইগ্রামে চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধর্ষণের সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী নারী। তিনি বলেছেন, তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কেউ কথা বলেননি, অথচ তার নামে ভিত্তিহীন খবর ছড়ানো হয়েছে। এই গুজব তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করেছে এবং মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে।

গতকাল বুধবার ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমার টাকা-পয়সা–গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি। আমার সমাজের কাছে মুখ দেখানো কঠিন হয়ে গেছে। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে সন্দেহের চোখে দেখছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি কীভাবে সমাজে টিকে থাকব?’

ওই নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভেঙে শয্যাশায়ী, অথচ মিডিয়ায় বলা হয়েছে, বাস ডাকাতির সময় তাঁর স্বামী সঙ্গে ছিলেন এবং তাঁকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাস্তবে আমার স্বামী এক বছর ধরে বিছানায় পড়ে আছে। অথচ মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটা কি ন্যায়সঙ্গত?’

নিজের জীবনসংগ্রামের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকায় সংসারের খরচ চালাতে গান করেন ও কীর্তন করেন। বড় বোনের স্বামীও লিভার ক্যানসারে মারা গেছেন, তাই পরিবার চালানোর জন্য তাঁর গানই একমাত্র সম্বল। তিনি বলেন, ‘আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমাদের সম্মানটাই সবচেয়ে বড়। এখন যদি সেটাই না থাকে, তাহলে বেঁচে থাকার আর কী মানে থাকে?’

১৭ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের বড়াইগ্রামে চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওই নারী জানান, ডাকাতেরা বাসে উঠে সকল যাত্রীর টাকা-পয়সা ও গয়না ছিনিয়ে নেয়। তাঁর হাতে থাকা সিটি গোল্ডের চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় তিনি চিৎকার করেন ও কান্নাকাটি করেন। কিন্তু গণমাধ্যম এই ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমার জানা মতে, কেউ ধর্ষণের শিকার হয়নি। মেয়েদের ওপর নির্যাতন হয়েছে, তল্লাশি করা হয়েছে, কিন্তু ধর্ষণ হয়নি। অথচ মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন সবাই বলছে, মিডিয়ায় এসেছে মানে কিছু তো ঘটেছে! কিন্তু আমার কথার কি কোনো মূল্য নেই? যারা আমার সঙ্গে বাসে ছিল, তারা তো জানে আসল ঘটনা। তবুও সবাই মিডিয়ার মিথ্যা খবরকেই সত্য বলে ধরে নিচ্ছে!’

সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন নারীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না, তা যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করবেন না। আগে সত্যিটা জেনে নিন। মিডিয়ার উচিত নারীর সম্মানহানিকর ভুল তথ্য প্রচার না করা।’

এই বিভ্রান্তিকর সংবাদের কারণে ওই নারী চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন। তিনি চান, সমাজ তাঁকে ভুল না বোঝে এবং সবাই তাঁর পাশে দাঁড়ায়।

Header Ad
Header Ad

বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’, নেতৃত্বে যারা

বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’। ছবি কোলাজ: ঢাকাপ্রকাশ

জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র ও নাগরিকদের নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্বে থাকবেন নাহিদ ইসলাম, যিনি তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি একদফা আন্দোলনের ঘোষক এবং জুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত।

দলের সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব পালন করবেন আখতার হোসেন, যিনি ঢাকসুর সাবেক নেতা এবং গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সাবেক আহ্বায়ক। উল্লেখ্য, এই ছাত্র সংগঠনের মহাসচিব ছিলেন নাহিদ ইসলামও।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সংগঠক হিসেবে থাকবেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যিনি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক। এছাড়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং সারজিস আলমকে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

দলটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে একটি জমায়েতের মাধ্যমে হবে। প্রথমে ১৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে অন্তত ১১০ জন সদস্য আসবেন জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে। কমিটিতে যোগ দেবেন কয়েকজন পেশাজীবীও।

Header Ad
Header Ad

নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ খাবার ও ব্যবহারযোগ্য পানি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার—এমন ঘোষণা দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। এর আগে ২০২০ সালে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব জানান, ২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল—বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি সরবরাহ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি না এবং এটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ আদালত ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্ট এই রায়ে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন—

১. এক বছরের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেমন—আদালত, ধর্মীয় উপাসনালয়, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, হাট-বাজার ও বিমানবন্দরে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি নিশ্চিত করতে হবে।

২. আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যের পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

৩. ২০২৬ সালের মধ্যে পাবলিক প্লেসে বিনামূল্যে নিরাপদ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

আইনজীবী পল্লব আরও জানান, হাইকোর্টের এই রায় একটি চলমান আদেশ হিসেবে কার্যকর থাকবে। আদালত ইতোমধ্যে তুরাগ নদী, সোনারগাঁ এবং হাতিরঝিল সংক্রান্ত রায়ের নির্দেশনাগুলোকেও এই রায়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এছাড়া, দেশের সব পানির উৎস যাতে ক্ষয়িষ্ণু না হয়, দূষিত না হয় এবং অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা পায়—তা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এই রায়ের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির বিষয়টি নতুন মাত্রা পেল এবং সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

‘টাকা-পয়সা-গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি’
বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’, নেতৃত্বে যারা
নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়
সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন
বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত
বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা
চা দোকানির ছেলে হলেন বিচারক
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল চালকের প্রাণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২৭১ পদে বিশাল নিয়োগ
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা
কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের