১০৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

লাঞ্চ বিরতির পর খুব বেশি সময় টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র ৭.৫ ওভার খেলে ২৭ রান যোগ করতেই অলআাউট হয়ে যায়। ১০৩ রানে সাকিব করেন ৫১ রান।
বিস্তারিত আসছে...
এসএন

লাঞ্চ বিরতির পর খুব বেশি সময় টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র ৭.৫ ওভার খেলে ২৭ রান যোগ করতেই অলআাউট হয়ে যায়। ১০৩ রানে সাকিব করেন ৫১ রান।
বিস্তারিত আসছে...
এসএন
প্রতীকী ছবি
প্রেমের কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই, নেই ধরাবাধা কোনও নিয়ম। কিন্তু প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু পছন্দ আর অপছন্দ থাকেই। সম্প্রতি, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বয়সের তুলনায় ছোট বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আগ্রহী।
এই সমীক্ষা মার্কিন বিজ্ঞান পত্রিকা ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় ২৫ থেকে ৮২ বছর বয়সী সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ-নারী অংশগ্রহণ করেছিলেন, এবং তারা এক ধরনের ‘ব্লাইন্ড ডেট’-এ অংশ নেন, যার মানে হল যে, তারা প্রথমে একে অপরকে জানতেন না এবং শুধু সাক্ষাৎ করার পরই একে অপরকে পছন্দ করেছে কিনা, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এবং পুরুষেরা মোটামুটি সমানভাবে তাদের থেকে কম বয়সী সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। বিশেষ করে, নারীরা বেশি বয়সী পুরুষের তুলনায় তরুণ পুরুষদের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী ছিলেন। অধ্যাপক পল ইস্টউইক, যিনি এই গবেষণার প্রধান গবেষক, তিনি উল্লেখ করেছেন যে সাধারণত সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত থাকে যে নারীরা বেশি বয়সী পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হন, কিন্তু এই গবেষণা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দের পার্থক্য থাকতে পারে। অর্থাৎ, প্রথম দিকে কোন ব্যক্তির প্রতি আকর্ষণ হলেও, সম্পর্কের গভীরতা এবং স্থায়িত্বের জন্য অন্য ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হতে পারে।
এই গবেষণা প্রমাণ করে যে, প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে আরও অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ—যেমন, সম্পর্কের মান, ব্যক্তিত্ব, এবং অন্য মানসিকতা। তবে, এই সমীক্ষা একটি নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মানুষের প্রথম আকর্ষণ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে।
ছবি: সংগৃহীত
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাহিনীটিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে জেলা পর্যায়ে একাধিক জনবল নেবে। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ
পদের নাম: ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)
পদসংখ্যা: জেলাভিত্তিক শূন্য পদ অনুসারে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে)।
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
জাতীয়তা: বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক
বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।
শারীরিক যোগ্যতা: মেধা কোটার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে। নারী প্রার্থীর উচ্চতা মেধা কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে।
বুকের মাপ: মেধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি।
ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমোদিত পরিমাপের হতে হবে।
দৃষ্টিশক্তি: ৬/৬
আবেদন ফি: আবেদন ফরম পূরণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে ৪০ টাকা জমা করতে হবে।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৮ মার্চ ২০২৫।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলেন।
অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১-এর পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামীতে এই রেজিমেন্টেকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা হবে।’
রেজিমেন্টের সব সদস্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকে।
এর আগে, রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাপ্রধান পৌঁছালে তাকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘কর্নেল র্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেওয়া হয়।