বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশ-উইন্ডিজের খেলা আইসিসি টিভিই ভরসা

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাইরে বাংলাদেশের খেলাগুলো টোটাল স্পোর্টস মার্কেটিং (টিএসএম) স্বত্ব কিনে থাকে। পরে তারা সেই স্বত্ব বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে বিক্রি করে। আর এভাবেই বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী তামিম-সাকিবদের খেলা দেখে থাকেন।

অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই এবারও টিএসএম বাংলাদেশ-উইন্ডিজ সিরিজের স্বত্ব কিনেছিল। কিন্তু সম্প্রচার নিয়ে যে এমন জটিলতা সৃষ্টি হবে তা তারা ঘুনাক্ষরেও ভাবেননি। কারণ কয়েকদিন আগেও আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে সিরিজের স্বত্বও তারা কিনে টি-স্পোর্টসের কাছে বিক্রি করেছিল। অথচ বাংলাদেশ-উইন্ডিজ সিরিজে টিভিগুলো ইউটার্ন দিয়েছে? উপায়ন্তর না পেয়ে টিএসএম বিসিবিকে স্বত্ব দিয়ে প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলেছে। আর নিজেদের পক্ষ থেকে আইসিসি টিভিতে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। বিসিবি অবশ্য নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল বা নিজেদের ফেসবুক পেজে দেখানোর কোনো ব্যবস্থা করতে পারেনি। তাই এখন বাংলাদেশের দর্শকদের একমাত্র ভরসা আইসিসি টিভি। যদিও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই সিরিজের খেলাগুলো সম্প্রচারিত হবে। কিন্তু সেই সব চ্যানেল বাংলাদেশে দেখা যায় না।

টিএসএমের স্বত্বাধিকারী মইনুল হক চৌধুরী আমেরিকা আছেন। সৃষ্টি জটিলতা নিয়ে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ঢাকাপ্রকাশ-কে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বত্ব কিনেছিলামই দেশি টিভি চ্যানেলগুলোর কাছে বিক্রি করার জন্য। কিন্তু এ রকম পরিস্থিতি হবে তা আমরা ভুলেও ভাবিনি। আমরা সম্প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। পরে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করি। আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমাদের যৌথ প্রচেষ্টায় এখন আইসিসি টিভিতে খেলা দেখা যাবে। এজন্য দর্শকদের টেস্ট প্রতি এক ডলার থেকে দুই ডলার মূল্য পরিশোধ করতে হবে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে।’

টোটাল স্পোর্টসের পক্ষ থেকে আইসিসি টিভিতে খেলা সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হলেও তা বাংলাদেশের সব শ্রেণির দর্শকের জন্য সহজলভ্য হবে না। কারণ এই টিভিতে দেখতে হলে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পাশাপাশি ক্রিকেট কার্ডের মাধ্যমে ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। দুই টেস্টের জন্য মূল্য ধার্য করা হয়েছে দুই ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯০ টাকার কম। কিন্তু ডলারে মূল্য পরিশোধ করা সবার পক্ষে সম্ভব হবে না। কারণ আর্ন্তজাতিক ক্রেডিট কার্ড সবার নেই। তাই এখানে ইচ্ছে থাকলেও অনেকের সেই ইচ্ছের অপমৃত্যু ঘটবে। তারপরও মন্দের ভালো আইসিসি টিভি। এই সমস্যার কথা চিন্তা করে টিএসএম বিনামূল্যে দেখানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিসিবিও চেষ্টা করছে। কিন্তু তা চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে টিএসএম এই সিরিজের নাম দিয়েছে পদ্মা সেতুর নামে। তারা নিজেরা সিরিজের টাইটেল স্পন্সর কিনে নিয়ে এই রকম নামকরণ করে। এজন্য তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমতিও নিতে হয়েছে। মইনুল হক চৌধুরী জানান, সিরিজের এই নামকরণ তাদের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে উপহার। ঢাকাপ্রকাশ-কে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার। সেই অহংকারের সঙ্গী হতেই আমাদের এই সামান্য চেষ্টা। আমরা এটা দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে দিয়েছি। টাকা-পয়সা জীবনে কম-বেশি আয় করেছি। আগামীতেও হয়তো করব। এবার না হয় আয় করলাম না।’

টাইটেল স্পন্সর কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, তাদের যে টাইটেল স্পন্সর ছিল তা হচ্ছে না। এরপর আমি কিনে নেই। এরপর এই নাম দেই।’

আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে। এই আয়োজন নিয়ে দেশে সাজ সাজ রব। উৎসবের আমেজ। সেখানে নতুন করে যোগ হবে এই সিরিজের নামকরণ। টিভি পর্দায় ভেসে উঠবে ‘বাংলাদেশ-উইন্ডিজ ফ্রেন্ডশিপ টেস্ট সিরিজ।’ কিন্তু টিভিতে সম্প্রচার না কারণে তা উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হবেন দেশের ক্রীড়ামোদীরা। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন সেন্ট লুসিয়াতে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা থাকবে। টিভিতে সম্প্রচারিত হলে তখন বাড়তি মাত্রা যোগ হতো। কারণ এটি বহিঃবিশ্বেও প্রচার হবে।

এমপি/এসজি/

Header Ad
Header Ad

‘টাকা-পয়সা-গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি’

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের বড়াইগ্রামে চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধর্ষণের সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী নারী। তিনি বলেছেন, তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কেউ কথা বলেননি, অথচ তার নামে ভিত্তিহীন খবর ছড়ানো হয়েছে। এই গুজব তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করেছে এবং মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে।

গতকাল বুধবার ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমার টাকা-পয়সা–গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি। আমার সমাজের কাছে মুখ দেখানো কঠিন হয়ে গেছে। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে সন্দেহের চোখে দেখছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি কীভাবে সমাজে টিকে থাকব?’

ওই নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভেঙে শয্যাশায়ী, অথচ মিডিয়ায় বলা হয়েছে, বাস ডাকাতির সময় তাঁর স্বামী সঙ্গে ছিলেন এবং তাঁকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাস্তবে আমার স্বামী এক বছর ধরে বিছানায় পড়ে আছে। অথচ মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটা কি ন্যায়সঙ্গত?’

নিজের জীবনসংগ্রামের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকায় সংসারের খরচ চালাতে গান করেন ও কীর্তন করেন। বড় বোনের স্বামীও লিভার ক্যানসারে মারা গেছেন, তাই পরিবার চালানোর জন্য তাঁর গানই একমাত্র সম্বল। তিনি বলেন, ‘আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমাদের সম্মানটাই সবচেয়ে বড়। এখন যদি সেটাই না থাকে, তাহলে বেঁচে থাকার আর কী মানে থাকে?’

১৭ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের বড়াইগ্রামে চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওই নারী জানান, ডাকাতেরা বাসে উঠে সকল যাত্রীর টাকা-পয়সা ও গয়না ছিনিয়ে নেয়। তাঁর হাতে থাকা সিটি গোল্ডের চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় তিনি চিৎকার করেন ও কান্নাকাটি করেন। কিন্তু গণমাধ্যম এই ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমার জানা মতে, কেউ ধর্ষণের শিকার হয়নি। মেয়েদের ওপর নির্যাতন হয়েছে, তল্লাশি করা হয়েছে, কিন্তু ধর্ষণ হয়নি। অথচ মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন সবাই বলছে, মিডিয়ায় এসেছে মানে কিছু তো ঘটেছে! কিন্তু আমার কথার কি কোনো মূল্য নেই? যারা আমার সঙ্গে বাসে ছিল, তারা তো জানে আসল ঘটনা। তবুও সবাই মিডিয়ার মিথ্যা খবরকেই সত্য বলে ধরে নিচ্ছে!’

সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন নারীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না, তা যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করবেন না। আগে সত্যিটা জেনে নিন। মিডিয়ার উচিত নারীর সম্মানহানিকর ভুল তথ্য প্রচার না করা।’

এই বিভ্রান্তিকর সংবাদের কারণে ওই নারী চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন। তিনি চান, সমাজ তাঁকে ভুল না বোঝে এবং সবাই তাঁর পাশে দাঁড়ায়।

Header Ad
Header Ad

বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’, নেতৃত্বে যারা

বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’। ছবি কোলাজ: ঢাকাপ্রকাশ

জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র ও নাগরিকদের নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্বে থাকবেন নাহিদ ইসলাম, যিনি তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি একদফা আন্দোলনের ঘোষক এবং জুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত।

দলের সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব পালন করবেন আখতার হোসেন, যিনি ঢাকসুর সাবেক নেতা এবং গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সাবেক আহ্বায়ক। উল্লেখ্য, এই ছাত্র সংগঠনের মহাসচিব ছিলেন নাহিদ ইসলামও।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সংগঠক হিসেবে থাকবেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যিনি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক। এছাড়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং সারজিস আলমকে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

দলটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে একটি জমায়েতের মাধ্যমে হবে। প্রথমে ১৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে অন্তত ১১০ জন সদস্য আসবেন জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে। কমিটিতে যোগ দেবেন কয়েকজন পেশাজীবীও।

Header Ad
Header Ad

নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ খাবার ও ব্যবহারযোগ্য পানি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার—এমন ঘোষণা দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। এর আগে ২০২০ সালে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব জানান, ২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল—বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি সরবরাহ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি না এবং এটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ আদালত ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্ট এই রায়ে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন—

১. এক বছরের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেমন—আদালত, ধর্মীয় উপাসনালয়, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, হাট-বাজার ও বিমানবন্দরে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি নিশ্চিত করতে হবে।

২. আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যের পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

৩. ২০২৬ সালের মধ্যে পাবলিক প্লেসে বিনামূল্যে নিরাপদ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

আইনজীবী পল্লব আরও জানান, হাইকোর্টের এই রায় একটি চলমান আদেশ হিসেবে কার্যকর থাকবে। আদালত ইতোমধ্যে তুরাগ নদী, সোনারগাঁ এবং হাতিরঝিল সংক্রান্ত রায়ের নির্দেশনাগুলোকেও এই রায়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এছাড়া, দেশের সব পানির উৎস যাতে ক্ষয়িষ্ণু না হয়, দূষিত না হয় এবং অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা পায়—তা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এই রায়ের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির বিষয়টি নতুন মাত্রা পেল এবং সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

‘টাকা-পয়সা-গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি’
বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’, নেতৃত্বে যারা
নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়
সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন
বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত
বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা
চা দোকানির ছেলে হলেন বিচারক
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল চালকের প্রাণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২৭১ পদে বিশাল নিয়োগ
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা
কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের