বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সাকিবের নেতৃত্ব গোড়ায় গলদ!

ক্রিকেটে খেলায় ‘নেতৃত্ব’ খুবই গুরুতপূর্ণ। টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ক্রিকেটের চেয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নেতৃত্ব গুণটা বেশি করে ফুটে উঠে। টস থেকে শুরু করে মাঠে দলকে পরিচালনা করা এসব ক্ষেত্রে দিতে হয় বিচক্ষণতার পরিচয়। কারণ এখানে টানা পাঁচদিন খেলতে হয়। এই পাঁচদিনে নানান উত্তান-পতন মোকবিলা করতে হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিতে হয় সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত নিতে দিতে হয় বিচক্ষণতার পরিচয়। দলকে রাখতে হয় চাঙ্গা। অনুপ্রাণিত করতে হয়। হতে হয় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন। থাকতে হয় সূদুরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা। নৈতিকতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখানে একজন নেতাকে বহুগুণে গুণান্বিত হতে হয়। পুস্তকের ভাষায় নেতার সঙ্গায় বলা হয়েছে, ‘নেতৃত্ব হলো ব্যক্তির সেই সক্ষমতা, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করার জন্য দল, গোষ্ঠী বা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের অনুপ্রেরণা ও দিক নির্দেশনা দিয়ে প্রভাবিত করা ও পরিচালিত করা।’

বাংলাদেশ টেস্ট দলে সাকিব আল হাসানকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যেখানে একজন নেতার যে সব গুণ থাকা প্রয়োজন তার প্রায় সবই সাকিবের মাঝে বিদ্যমান। কিন্তু তার এতো সব গুণের কোনো মূল্যই থাকে না, যদি না সেই নেতাকে যুদ্ধের ময়দানে নিয়মিত না পাওয়া যায়! টেস্ট ক্রিকেটে সাকিব হচ্ছেন সেই নেতা, যাকে নিয়মিত পাওয়া নিয়ে আছে সংশয়ের এক বিশাল সমুদ্র! এই সংশয় থাকার পরও বিসিবি তাকেই নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে। এ যেন রবীন্দ্রনাথের ‘আমি জেনে-শুনে বিষ করেছি পান।’ এর পাশাপাশি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে আইসিসি কর্তৃক এক বছরের জন্য সাজা ভোগ করা সাকিবের কাঁধে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়াটাও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ!

সাকিবের টেস্ট খেলার প্রতি অনীহা নতুন কিছু নয়। এই টেস্ট খেলা না নিয়ে কম নাটক মঞ্চস্থ হয়নি। উদাহরণ ভুরি ভুরি দেওয়া যায়। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও তার যেতে অনাগ্রহ ছিল। পরে জল ঘোলা করে গিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ব্যর্থতার পর খুব বেশি করে সামনে চলে আসে মুমিনুলের নেতৃত্বের বিষয়টি। তার পরিবর্তে সাকিবকে স্থলাভিষিক্ত করার বিষয়টিও একইভাবে খুব জোরেসোরে সামনে চলে আসে। আর তখনই হঠাৎ করে বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনের কণ্ঠ দিয়ে বের হয় সাকিবের টেস্ট খেলায় আগ্রহ নেই এটা ঠিক না। সে টেস্ট খেলাই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করে- এ রকম নানা ইতিবাচক কথা। মুহূর্তেই তার কাছে অদৃশ্য হয়ে যায় সাকিবের টেস্ট খেলা নিয়ে অতীত কাণ্ড! কেন হঠাৎ করে খালেদ মাহমুদ সুজন এ রকম সাকিব পূজারি হলেন তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।

সাকিব যে টেস্ট খেলার প্রতি কী পরিমাণ অনাগ্রহী ছিল পরিসংখ্যানে চোখ বুলালেই তা স্পষ্ট হয়ে যায় । আইসিসিরি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর বাংলাদেশ ১৩টি টেস্ট খেলেছে। যেখানে সাকিবের সম্পৃক্ততা ছিল মাত্র ৫টি টেস্টে। শুধুমাত্র এই পরিসংখ্যানই নয়; ২০০৭ সালে প্রথম টেস্ট খেলার পর সাকিব এখন পর্যন্ত টেস্ট খেলেছেন ৬১টি, সেখানে তার ছয় বছর পর ২০১৩ সালে প্রথম টেস্ট খেলে মুমিনুলের টেস্ট ম্যাচ খেলার সংখ্যা ৫৩টি। অর্থাৎ সাকিব ১৫ বছরে খেলেছেন ৬১ট, মুমিনুল ৯ বছরে ৫৩টি। আরও উদাহরণ দেওয়া যায়। টেস্ট ক্রিকেটের যাত্রা লগ্নে এখনকার মতো বাংলাদেশ দল এতো বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পেত না। তারপরও নিয়মিত খেলার কারণে হাবিবুল বাশার সুমন মাত্র আট বছরে ৫০টি এবং মোহাম্মদ আশরাফুল ১২ বছরে ৬১টি টেস্টে খেলেছেন।

পরিসংখ্যান সব সময় কথা বলে না। মন্দ পরিসংখ্যান ভালো হতে পারে, ভালোটা আবার মন্দ হতে পারে। যদি ধরে নেওয়া যায় সাকিবকে নিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজনের বলা কথা আগামীর উদ্দেশে, কিন্তু সেখানেও তো এর সততা খুঁজে পাওয়া যায় না। সাকিবের তৃতীয় দফা নেতৃত্ব শুরু হবে উইন্ডিজ সফর দিয়ে কিন্তু এরপর জিম্বাবুয়ে সফরে আবার তিনি নেই? সাকিব এক রহস্যময় চরিত্র। বিসিবির সভাপতি অতীতে বহুবার জানিয়েছেন সাকিবকে নিয়ে বলা কিছু মুশকিল। সেই মুশকিল কথাটা গতকাল বৃহস্পতিবার সাকিবকে অধিনায়ক ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে তিনি আবার বলেছেন। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘কতেদিন (সাকিব) অধিনায়ক থাকবে বলা মুশকিল।’

যে কারণে তিনি সাকিবের নেতৃত্বের মেয়াদ নিয়ে বলতে বাধ্য হয়েছেন বিসিবি সভাপতি। বলেন, ‘পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত।’ এই হলো সাকিবের অধিনায়কত্ব নিয়ে সাকিবের লুকোচুরি খেলা।

বিসিবির কোনো কোনো কর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাকিব যদি টেস্ট ক্রিকেট বেশি উপভোগ করে থাকে তাহলে এখন থেকে তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলবে, জিম্বাবুয়ে সফরে নেই কেন? এ কেমন টেস্ট উপভোগ? এ কেমন তিন ফরম্যাটে নিয়মিত খেলা। খালেদ মাহমুদ সুজন কী এর ব্যাখ্যা দেবেন?

বাংলাদেশে তিন ফরম্যাটেই অধিনায়ক ঘোষণা করার সময় নির্দিষ্ট করে মেয়াদ উল্লেখ করা না হলেও অলিখিতভাবে বাচন ভঙ্গিতে বুঝিয়ে দেওয়া হয় লম্বা সময়ের জন্য এবং হয়েছেও তাই। যে কারণে দেখা যায় তামিম ইকবালকে আগামী বছরের বিশ্বকাপ ওয়ানডে নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে।

মাহমুদউল্লাহ ভাবেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। তাহলে সাকিব ভাববেন কী নিয়ে? তার ভাবনায় তো জিম্বাবুয়ে সিরিজই নেই তাহলে কী তিনি সিরিজ বাই সিরিজ অধিনায়ক? আর সে কারণেই অন্য দুই ফরম্যাটে কোনো সহ-অধিনায়ক না থাকার পরও শুধুমাত্র টেস্টে লিটন দাসকে সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে, যাতে সাকিবের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব নিয়ে কোনো সমস্যা তৈরি না হয়?

একজন অধিনায়কতো একটি সিরিজ বা আসর খেলার পর দল নিয়ে ভাববেন, সাফল্য-ব্যর্থতার পোস্ট মর্টেম করবেন, পরবর্তি সিরিজ বা আসরের আগে তা সংশোধনের চেষ্টা করবেন। কিন্তু সাকিবের ক্ষেত্রে এটা সম্ভব হচ্ছে না? এটা কী একজন উত্তম অধিনায়কের কাজ? নেতার গুণ? তারও আগে বিসিবির সিদ্ধান্ত সঠিক? তা হলে নেতা আর সৈনিকের মাঝে পার্থক্য থাকল কী? যে তরিতে পানি ঢুকে পড়ার কারণে দলকে বাঁচাতে পারবেন না বলে মুমিনুল সরে দাঁড়ালেন, সেখানে সাকিব কী পারবেন সেই তরি থেকে ঢুকে পড়া পানি সরিয়ে সাফল্য এনে দিতে? এভাবে কী সাকিবকে অধিনায়ক করা বিসিবির যুক্তি সংগত হয়েছে? এর সুফল কী দল পাবে? এর নেগেটিভ প্রভাব কী দলের উপর পড়বে না? বিসিবির কর্তারা যে মাইক বাজিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের মতো ঘোষণা দিলেন ‘সাকিব টেস্ট ক্রিকেট বেশি উপভোগ করে। কোথায় গেলো তাদের সেই সব কথা?’

সাকিবকে অধিনায়ক করার মাধ্যমে শুধু সমস্যা এখানেই শেষ নয়, আরো আছে। কারণ জুয়াড়ির কাছ থেকে একাধিকবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে আইসিসির কাছ থেকে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত হওয়া সাকিবের নৈতিক পদস্খলনও ঘটেছিল। সাজা ভোগ করে তিনি আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন। কিন্তু এ রকম ঘটনা জেনে-শুনে গোপন করে সাজা পাওয়া ক্রিকেটারের কাঁধেই দলের নেতৃত্ব দেওয়াটা নৈতিকতার প্রশ্নে চলে আসে। কারণ সবাই দেখবে দলের নেতা খাটি নয়, ললাটে কলঙ্কের তিলক, সাজ ভোগ করা আসামির মতো।

স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার সতীর্থ ক্রিকেটারের বল টেম্পারিংয়ের কারণে নিজেরা কোনও অন্যায় না করেও শুধুমাত্র অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক হওয়াতে সাজা ভোগ করেছিলেন। পরে সাজা শেষে আবার দলে ফিরলেও নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেয়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সাকিব সরাসরি জড়িত থাকার পরও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সেই কাজটি করেছে। এখানেও সাকিবের পক্ষে তাদের যুক্তি আছে। বিসিবির সভাপতির বয়ানে, ‘এগুলো (সাকিবের শাস্তি প্রসঙ্গে) নিয়ে সব আলোচনা করেই আমরা নিয়েছি। সবকিছু আলোচনা করেই নিয়েছি। ওর ব্যাপারটা একটু ভিন্ন ছিল। অন্যদের মতো ছিল না। এটা আমি আজকে এখানে বলতে চাই না। তবে ওর ব্যাপারটা একটু আলাদা ছিল।’

অথচ একটি নির্ভরেযাগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিসিবির সভায় সাকিবের শাস্তির বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি!

এমপি/এসআইএইচ

 

 

 

Header Ad
Header Ad

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  

ছবিঃ সংগৃহীত

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ৬৪২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হিসেবে হামাসের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির এটিই একমাত্র পথ।

রয়টার্স জানায়, দুই দিন ধরে অচলাবস্থা চলার পর বুধবার মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তির প্রথম পর্বের অংশ হিসেবে শেষ চার ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ৬২০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে।

হামাস সংশ্লিষ্ট প্রিজনার্স ইনফরমেশন অফিস জানিয়েছে, সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দী মুক্তির বিষয়টি একীভূত করা হয়েছে। ফলে একসঙ্গে মোট ৬৪২ জন বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে এসব বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন। হামাস এটিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তির ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেন, “সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দিদের মুক্তির মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের একটি অর্জন আমরা প্রত্যক্ষ করছি, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তি।”

তিনি আরও বলেন, “হামাস যেকোনো বিনিময় চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।”

 

Header Ad
Header Ad

চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা

ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেত্রী শামীমা সীমাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন জনতা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরের চকবাজার থানার গোলপাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। তিনি বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. জ. ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী শামীমা সীমা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  

ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে ওজু করবেন, এমন মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে আমার বক্তব্যের একটি জায়গায় ‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন’ এই কথাটি মনের অজান্তে বলে ফেলি। আমার বক্তব্যে এই বাক্যটি উচ্চারণ করা মোটেও শোভন হয়নি।

এতে বলা হয়, আকস্মিকভাবে উচ্চারিত এ ধরনের বক্তব্যের জন্য দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে আঘাত হেনেছে। আমার এই বক্তব্যের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই। অজ্ঞতাবশত উল্লিখিত বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, কিছু অর্বাচীন নাবালক উপদেষ্টাদের বলতে শোনা যায়- জিয়াউর রহমানের বাবা নেতা হলে ছেলেরাও কি নেতা হবে নাকি? আমি সেসব অর্বাচীন নাবালক বাচ্চাদের বলতে চাই- বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসনের ছেলে। শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি হচ্ছেন তারেক রহমান। তার নামটি উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন। আপনাদের মতো নাবালক উপদেষ্টারা এই ধরনের কথা বলে দেশকে বিভক্ত করবেন না। তারেক রহমান বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছেন আড়াই বছর আগে। যদি কোনো সংস্কারের প্রয়োজন হয়, আপনাদের যদি কোনো উপদেশ থাকে তাহলে সংযোজন করবেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি ২৮০ সিটও পায় এককভাবে সরকার গঠন করবে না। যারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবো।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের