শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সিসিকের ‘উন্নয়ন দুর্ভোগ’, নগরের ড্রেনে ভাসে ময়লার স্তুপ

দোকানের সামনের রাস্তা থেকে ময়লা-আবর্জনা সরাচ্ছিলেন শফিক মিয়া। আধ ঘণ্টার বৃষ্টিতে পাশের ড্রেন থেকে ভেসে আসছিল ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। এসব ময়লা থেকে ভেসে আসছে দুর্গন্ধ। দুর্গন্ধের কারণে শফিক মিয়ার দোকানের নিয়মিত ক্রেতারা আসতে চাইছেন না দোকানে! অগত্যা একটি লোহা জাতীয় বস্তু দিয়ে তিনি ভেসে আসা ময়লাগুলো সরিয়ে দিতে চেষ্টা করেন।

শফিক মিয়ার দোকান নগরীর নাইওরপুলে। শুধু শফিক মিয়াই নন, এমন দুর্ভোগের শিকার তালতলা এলাকার টায়ার ব্যবসায়ী কুতুব উদ্দিনও। একই অভিযোগ ধোপাদীঘির পাড়স্থ ব্যবসায়ী শওকত আলীর। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কালিঘাট, ছড়ারপাড় ও মাছিমপুর এলাকার লোকজন। জলাবদ্ধতাসহ ড্রেনের আবর্জনার চিত্র এই এলাকার নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। যার ফলে বর্ষা মৌসুমে নগরবাসী ফের বন্যার কবলে আক্রান্ত হতে পারেন।

বৃহস্পতিবার নগরীর লামাবাজার ভাতালিয়া গলির নোয়াপাড়া মসজিদের পূবে সড়কের পাশে দেখা যায় খোলা ড্রেনে আবর্জনা জমে পানিপ্রবাহ বন্ধের উপক্রম। বদ্ধ পানি থেকে ছড়াচ্ছে বিকট দুর্গন্ধ।

এই দুর্ভোগ লাঘবে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ পেলেও টানা দুইবারে নগর পিতা নগরবাসীর এই দুর্ভোগ সমাধান করতে পুরোপুরি ব্যর্থ। বর্ষা যখন কড়া নাড়ছে দরোজায়, ঠিক সেই সময়টাতে বরাবরের মতো শঙ্কায় নগরবাসী। মাত্র কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে নালা-ছড়া উপচে রাস্তায় পানি উঠে আসে। এর সাথে আসে ময়লা আবর্জনা। বৃষ্টি থামলে পানি নেমে গেলেও বিভিন্ন বাসাবাড়ির উঠোন ও রাস্তায় পড়ে থাকে ড্রেন থেকে উঠে আসা ময়লা-কাদা ও বিভিন্ন আবর্জনা। এসব আবর্জনায় আশপাশ নোংরা হওয়ার পাশাপাশি ছড়ায় দুর্গন্ধ। ড্রেনে ময়লার স্তুপের কারণ পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে বর্ষায় ভয়ানক দুর্ভোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ঠিকমতো নালা, ছড়া, ড্রেন পরিষ্কার না করায় এমন হচ্ছে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা। তারা অভিযোগ করেন, সিটি করপোরেশন দায়সারাভাবে মাঝে মধ্যে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ করে। তা ছাড়া যখন পরিষ্কার করে তখন ড্রেন থেকে তোলা আবর্জনা ড্রেনের পাশেই কয়েকদিন ফেলে রাখে। এতে মানুষের পায়ে লেগে কিংবা বাতাসে তার বেশিরভাগ আবার ড্রেনেই চলে যায়। তা ছাড়া কুকুর এসব আবর্জনা নাড়াচাড়া করায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এর সঙ্গে ছড়াচ্ছে নানান রোগবালাই। পানিবন্দির বিড়ম্বনা তো থাকছেই।

সরেজমিনে নগরীর লামাবাজার, ভাতালিয়া, নোয়াপাড়া, দাড়িয়াপাড়া, জল্লারপাড়ায় দেখা গেছে প্রতিটি এলাকায় ড্রেনে ময়লার স্তুপ। বড়ো বড়ো ড্রেনগুলোর মুখে ময়লা জমে বন্ধ হয়ে আছে আর ছোট ছোট ড্রেনগুলো পুরোটাই ময়লা-আবর্জনায় ঢেকে আছে। এলাকাবাসী জানান, মাঝে মধ্যে সিটি করপোরেশন থেকে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ড্রেন পরিষ্কার করেন। তারা রাস্তার পাশের সামনের দিকে পরিষ্কার করলেও ভেতরের দিকে হাত দেন না। এতে আসলে তারা দায় সারছেন কিন্তু নাগরিক দুর্ভোগ লাঘব হচ্ছে না।

বৃষ্টির পানিতে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নিঃসন্দেহে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের। তবে এই ঘটনার জন্য শুধু মেয়রকে এককভাবে দায়ী করা যুক্তিযুক্ত নয়। এমন সমস্যা নগরীর সবকটি ওয়ার্ডে বিদ্যমান।

তিনি বলেন, প্রত্যেক ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিজ নিজ ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজেদের ডিমান্ড জানালে মেয়র মহোদয়ের জন্য কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো। তবে তিনি নগরবাসীকেও এ ব্যাপারে সচেতন থাকার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে না ফেলে রাস্তার ফেলে রাখার কারণে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সিলেট জেলা সাবেক আহ্বায়ক মুকির হোসেন চৌধুরী বলেন, ড্রেন ঠিকমতো পরিষ্কার না করায় কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে ড্রেন উপচে পানি আর ময়লা রাস্তায় চলে আসে। বৃষ্টি হলেই আমরা আতঙ্কে থাকি কখন পানি এসে বাসায় ঢুকে। পানির চেয়ে আরও বেশি সমস্যা পানি নেমে যাওয়ার পর ময়লা কাদা আর আবর্জনার বিড়ম্বনা। পানি নেমে গেলেও এগুলো তো আর নামে না। তাই এবিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া জরুরি। এতে মানুষের দুর্ভোগ যেমন বাড়ছে তেমনি নগর কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভও বাড়ছে।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ই ইউ শহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘এরই নাম অপরিকল্পিত উন্নয়ন। যে খাতে টাকার অপচয় এবং লুটপাট চলবে কিন্তু কমবে না দুর্ভোগ। এর ফলে নগরীর ১১টি ছড়া ও খাল উদ্ধার, ড্রেনেজ সংস্কারের নামে সরকারি বরাদ্দ এলেও শঙ্কা কমছে না নগরবাসীর।

নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুমিন বলেন, কিছু ড্রেনের সংস্কার কাজ এখনো চলমান। ময়লা আবর্জনার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিনি বলেন, এখন আর ছড়ারপাড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয় না। তবে চলমান কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা এবং ড্রেনেজ সমস্যা থেকে ওয়ার্ডবাসী পরিত্রাণ পাবে।

সিসিকের প্রধান নিবার্হী বদরুল হক বলেন, ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলে না দিয়ে অনেকেই ড্রেনের মধ্যে ফেলেন। এর ফলে সিসিকের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের দায়িত্বে থাকা লোকজন প্রতিদিন কাজ করলেও ড্রেনগুলো ফের ময়লায় ভরে যায়। তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন হলেই এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলেই জলাবদ্ধতা এবং ময়লা আবর্জনাজনিত সমস্যার সমাধান সম্ভব।

এসএন

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান