শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সিসিক নির্বাচন, আলোচনা-সমালোচনায় আনোয়ারুজ্জামান

শত মানুষের ভীড়ে তিনি শুধু একজনই নন, অন্যতম বটে। বিশালাকার দীর্ঘদেহী লোকটিকে আলাদা করে অবশ্যই চিনতে হবে বৈকি! আলোচনার টেবিলেও প্রাসঙ্গিক তিনি। কেউ বলেন 'ম্যাজিক ম্যান'। কারো কাছে তিনি সিলেটের রাজনীতির অন্যতম অভিভাবক। সমালোচনাও আছে। কেউ বলছেন, তিনি উড়ে এসে জোড়ে বসার চেষ্টা করছেন। আবার কেউ বলছেন তিনি সিলেটের স্থানীয় রাজনীতির কেউ নন। আর তাঁর অনুরাগীরা বলছেন, 'এই নগরীর প্রতিটি ইট-পাথর ওই নামটিকে ভালোভাবেই চিনে ও জানে।

প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার এই মানুষটি স্কুল জীবনে খেলাঘর কর্মী ছিলেন। কলেজ জীবনে এসে যোগ দেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। আওয়ামী রাজনীতির উত্থাল সময়েও সিলেটের রাজপথে সরব ছিলেন তিনি। দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনকালীন অন্যতম 'পলিসি ম্যাকার' হয়ে তিনি দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সমর্থ হন। এমনকি উপজেলা পর্যায়েও কাজ করেছেন দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে। সুতরাং সিলেটে তিনি আগন্তুক নয়'।

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন (সিসিক) নিয়ে এই মুহুর্তে নগর জোরে এই নাম রয়েছে ব্যাপক আলোচনায়। পক্ষে-বিপক্ষে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। যাকে নিয়ে এত আলোচনা সমালোচনা তিনি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। নগরের ৫৬/৯ পাঠানটুলা এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারুজ্জামান সিসিকের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আরবিতে 'আনোয়ার' নামের অর্থ সুন্দর আলোকিত, স্পস্ট ও পরিচ্ছন্ন। অর্থের সাথে চেহারার মিল না থাকলেও অনুরাগীদের কাছে তিনি সবকটি গুনেই বিশেষিত। সিসিকে মেয়র পদে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে কেমন হবে-এমনটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

সাধারণ ভোটারদের অভিমত, দলীয় কোন্দলের কারণে সিসিকে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী পরাজিত হলেও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর ক্ষেত্রে সেটি ঘটার কোনো সুযোগ নেই। কারণ দলের সকলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই কাজ করছেন তিনি। তাছাড়া এবারের সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের যেকোনো একজনকে বেছে নেওয়া হলেও সাবেকি ধারার কোন্দলে মেয়র পদটি হারানোর শঙ্কা থাকবে আওয়ামী লীগে। এক্ষেত্রে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলে কোন্দল অবসানের পাশাপাশি বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে শতভাগ।

নগরীর চালিবন্দরস্থ ১৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দীনবন্ধু রায় দিপক বলেন, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী এমন একজন নেতা যিনি সিলেটের স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের অন্যতম একজন চালিকাশক্তি। একই সাথে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকদের কাছেও বিশ্বস্থ একজন সিপাহশালার। দলীয় প্রধানসহ শেখ পরিবারের সাথে ঘণিষ্ট এই নেতা সিসিকের মেয়র পদে নির্বাচিত হলে নি:সন্দেহে সিলেটে উন্নয়ন বিপ্লব সাধিত হবে।

আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর প্রাথমিক শিক্ষা সিলেট নগরীর রায়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তারপর সিলেট সরকারি কলেজে ভর্তি হন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে। বুরুঙ্গা হাইস্কুলে পড়াকালীনই তিনি চম্পাকলি খেলাঘর আসর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও সংগঠক হিসেবে নিজের স্থান করে নেয়। তারপর সিলেট সরকারি কলেজে থাকাকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। লন্ডনে এসে জড়িয়ে পরে যুবলীগকে সংগঠিত করার কাজে।

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে প্রথমে সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি নির্বাচিত হয়। যুক্তরাজ্যে যুবলীগের বিশাল কর্মী বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর রয়েছে ঐতিহাসিক অবদান। সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব গুণে তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার গ্রেফতার করার পর তাঁর মুক্তির দাবিতে যুক্তরাজ্যব্যাপি আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার ছিল গুরুত্বপূর্ণ অগ্রণী ভূমিকা।

আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর রাজনীতির মূল ক্ষেত্র যুক্তরাজ্য হলেও সিলেটের রাজনীতিতে তিনি একজন পরিচিত মুখ। বিশেষ করে বিগত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানের পক্ষে, সংসদ নির্বাচনে ড. মোমেনের পক্ষে ও সিলেট-৩ এর উপ নির্বাচনে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে তার অবদান কোন অংশেই কম ছিল না। তার সতীর্থদের মধ্যে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বর্তমানে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও হাবিবুর রহমান হাবিব সিলেট-৩ এর সাংসদ।

গেল ২২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। ওই দিন সিলেট বিমান বন্দরে ছাত্রলীগ, যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ,তাঁতী লীগ ও আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মীর ঢল নামে সিলেট বিমানবন্দরে। পরে মোটর সাইকেলের একটি বিশাল বহর সঙ্গে নিয়ে নগরীতে প্রবেশ করেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। এর মাত্র তিনদিন আগেই নগরীতে সিসিক মেয়র হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী-এমন বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিমানবন্দরে হাজারো নেতাকর্মী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে আনোয়ার চৌধুরী সে ব্যাপারে মুখ না খুলে বরং অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা জানালেন দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি।

একই সাথে তিনি বলেন, এই শহরের উন্নয়নে, বিপদে, দুর্যোগ-দূর্বিপাকে বিগত দিনে নগরবাসীর পাশে ছিলেন, সিলেটের জননন্দিত সাবেক মেয়র (মরহুম) বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। বর্তমানেও কাজ করে যাচ্ছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, এটি এম হাসান জেবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আরমান আহমদ শিপলু। তাদের প্রত্যেকেই জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন রাজনীতির সুফল পবিত্র এই নগরে পৌছে দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

বিশেষ কোনো বার্তা পেয়ে সিলেট এসেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিমানবন্দরে এই নেতা জানান, প্রতিটি নির্বাচনের আগেই আমি সিলেটমুখী হই, এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তাছাড়া, যেহেতু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সিসিক নির্বাচনও সমাগত সে হিসেবে নগরে আমার আগমণ অহেতুক নয়। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত একজন মানুষ। তারই সুযোগ্য কন্যা দলীয় প্রধানের নির্দেশ অনুযায়ী কল্যাণ ধারার রাজনীতিতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। সে হিসেবে নেত্রী শুধু আমাকেই নয়, দলের যাকেই যেখানে কাজে লাগাবেন সেখানেই একজোট হয়ে কাজ করতে পারলে তৃণমূল পর্যায়ে মানুষ আওয়ামী রাজনীতির শতভাগ সুফল পেতে সক্ষম হবেন।

এদিকে সিলেট আসার দুই দিন পর তিনি রাজধানীতে গিয়ে দেখা করেন দলীয় প্রধানের সাথে। একই সাথে দলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সিলেট ১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গেও দেখা করেন। ফিরে এসে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দলীয় প্রধান আমাকে মাঠে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। তিনি কোথায় কা কে কাজে লাগাবেন, একমাত্র তিনিই জানেন। তাছাড়া, সকলেরই জানেন আমি বিগত দুই দুইবার সিলেট-২ আসনে সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়ন চাই। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পাই নি।

এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জানান, যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ও সিলেটের কৃতি সন্তান নজিবুর রহমান, ড. ফরাস উদ্দিন,সিএম কয়েস সামি, ড. এ কে আবদুল মোমেনসহ দেশের একাধিক স্বনামধ্যন্য লোকজন ফোনে শুভকামনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আমি জানি না। মানুষ কেন আমাকে এত ভালোবাসে। আমি সকলের ভালোবাসা ও দোয়া মাথায় তোলে নিলাম। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে নিজেকে শেষ দিন পর্যন্ত প্রস্তুত রাখতে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ'।

সিসিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দীর্ঘদিন থেকে যারা কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁরা আপনাকে মেনে নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিসিক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রশ্নটি আমার কাছে অপ্রাসঙ্গিক। কারণ আমি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করতে চাই না। সবাই দলের হয়ে কাজ করেন, কিছু পাওয়ার জন্য।

প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করলেন, তাদের মধ্যে আমার নেতা, সহকর্মী ও অনুজ রয়েছেন। সে হিসেবে দলীয় প্রধানের সিদ্বান্তই এক্ষেত্রে চূড়ান্ত। আর মেনে নেয়ার বিষয়টি এখানে যায় না। কারণ যারা আওয়ামী আদর্শ ধারণ করেন, তাদের মধ্যে অভিমান সৃষ্টি হলেও বিভাজন থাকে না। দিনশেষে সবাই হয়ে যায় জাতির পিতার আদর্শে উজ্জীবিত এক একটি ভ্যানগার্ড।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৮ দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে ছুটিতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুদেশে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে বন্দর এলাকায় দেখা দিয়েছে পন্যজট। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও পন্যজট রয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ জানান, ঈদে টানা ৮ দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ সময় যাত্রীদের চাপ ছিলনা। যাতায়াতকৃত যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সে জন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

আমদানি-রপ্তানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৮ দিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর ১২ টা থেকে পুনরায় এ স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী। এর বিপরীতে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন মাত্র ৪৪ লক্ষ সিম ব্যবহারকারী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বিটিআরসির সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকায় প্রবেশ করা সিম ব্যবহারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। সেখানে দেখা যায়,

২৮ মার্চ রাতে একদিনে ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৭ জন ঢাকা ত্যাগ করেন, ঢাকায় আসেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৩২ জন।

২৯ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন, ঢাকায় প্রবেশ করেন ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন।

৩০ মার্চ একই সংখ্যক মানুষ (২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন) ঢাকা ত্যাগ করেন এবং একই সংখ্যক ঢাকায় প্রবেশ করেন (৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন)।

৩১ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ জন, ঢাকায় আসেন ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯৯ জন।

১ এপ্রিল ঢাকা ত্যাগ করেন ১২ লাখ ৮২৪ জন, ঢাকায় আসেন ৫ লাখ ৪৩ হাজার ২৯৯ জন।

২ এপ্রিল ঢাকা ছাড়েন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯৪ জন, ঢাকায় আসেন ৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৭৮ জন।

৩ এপ্রিল ঈদের আগের দিন ঢাকায় প্রবেশকারী সিমের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় বাইরে যাওয়ার সংখ্যা। এদিন ঢাকা ছাড়েন ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫২ জন এবং ঢাকায় প্রবেশ করেন ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন।

বিটিআরসি’র হিসাব অনুযায়ী, মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের এই তথ্য ঈদের সময় ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের ঘরমুখো যাত্রার একটি সুস্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে আখতার হোসেন

যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। যারা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার রাখে না।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে রংপুর চেম্বার ভবনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সংগঠকদের নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছে। এবং বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সূচনা হয়েছে। আমরা মনে করি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা স্বতন্ত্র সংগঠন।

আখতার আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের যে কার্যক্রম আছে সেগুলো পরিচালনা করবে। একটি পলিটিক্যাল প্লাটফর্ম এবং সিভিল সোসাইটির প্লাটফর্ম হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা আছে সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে। যারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা আ.লীগের দোসর।

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি নিয়ে কাজ করছি এবং এর কার্যক্রমের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির অনেক সদস্যও যুক্ত রয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস