শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৩০০ বছরের পুরনো সেতু ভাঙার বিষয়ে গণশুনানি রবিবার

সিলেটের গোলাপগঞ্জে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি সেতু ভাঙতে গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য সেতুটি ভাঙার কাজ শুরু হলে সচেতন মহলের প্রতিবাদের মুখে তা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয় ও পরিবেশবাদী সংগঠন সেতুটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে অক্ষত রাখার দাবি জানালে রবিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বাউসি এলাকার দেওরভাগা খালের উপর নির্মিত ‘দেওয়ানের পুল’ ভাঙা নিয়ে গণশুনানির নোটিশ জারি করা হয়। সেতু এলাকায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইনামুল কবীর।

জানা গেছে, ১৭৪০ সালে দেওরভাগা খালের উপর তৎকালীন দেওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা) গোলাব রায়ের নির্দেশনায় এই সেতুটি নির্মিত হয়। সেই থেকে সেতুটি ‘দেওয়ানের পুল’ হিসেবে পরিচিত।

আরও জানা গেছে, রাস্তা সম্প্রাসরণ ও নতুন সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে গত ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ বছরের পুরনো এই সেতুটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। কাজ শুরুর পরই সচেতন মহল থেকে প্রতিবাদ ওঠে। সেতুটি অক্ষত রেখে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি ওঠে। এই অবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নাহিদ সেতুটি ভাঙার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এরপর স্থানীয় কিছু লোকজন জরাজীর্ণ সেতুটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ অবস্থায় এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইনামুল কবীর গণশুনানির নোটিশ জারি করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গোলাপগঞ্জ উপজেলাধীন হেতিমগঞ্জ-ঢাকা দক্ষিণ-চন্দরপুর-বিয়ানীবাজার সড়কের ৫৫০মিটার চেইনেজে এলজিইডি পুরাতন ব্রিজটি (দেওয়ানের পুল) ভেঙে আধুনিক যুগোপযোগী ব্রিজ নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এর প্রেক্ষিতে কয়েকটি পত্রিকায় ব্রিজটি না ভাঙার অনুরোধ করেন সচেতন মহল। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন পুরাতন ব্রিজটি না ভেঙে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য মানববন্ধন করেন। বিষয়টি সরকারের নজরে এলে স্থানীয় লোকজনের মতামত গ্রহণের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এখানে নতুন একটি সেতু নির্মাণ হওয়ার কথা রয়েছে।

এসআইএইচ

 

Header Ad
Header Ad

স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল

ছবি: সংগৃহীত

অটোরিকশায় ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে সততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খায়রুল ইসলাম।

অভাবের কারণে পড়ালেখার পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশা চালান খায়রুল। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে বগুড়া সদর থানায় মালিকের কাছে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দিন।

স্বর্ণ ব্যবসায়ী শাহিন হোসেন, পাবনার ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, ২৯ মার্চ ব্যবসার কাজে বগুড়ায় এসে সাতমাথা এলাকা থেকে অটোরিকশায় উঠেন। পরে বনানী এলাকায় নেমে বাসে উঠে পড়ার সময় কালো ব্যাগটি অটোরিকশায় ফেলে যান। বাস শাজাহানপুর পৌঁছালে ব্যাগ ফেলার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

ওই দিন খায়রুল ইফতারের জন্য বাড়ি ফেরার পর রিকশার পেছনে ফেলে যাওয়া কালো ব্যাগটি দেখতে পান। ব্যাগ খুলে কাপড়ের নিচে স্বর্ণালংকার ও টাকা দেখতে পেয়ে হতবাক হয়ে যান।

মায়ের সঙ্গে পরামর্শ করে কয়েক দিন নিজেই মালিকের খোঁজ করে ব্যর্থ হন খায়রুল। শেষমেশ পুলিশের সহযোগিতা নেন। পুলিশ ব্যাগ তল্লাশি করে একটি কাগজে লেখা ফোন নম্বর পেয়ে মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। রাতে শাহিন থানায় গিয়ে রসিদ যাচাইয়ের পর গয়না ও টাকা বুঝে নেন।

ব্যাগ ফিরে পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন শাহিন। তিনি বলেন, "ব্যাগে ২৬ লাখ টাকার গয়না ছিল। ব্যাগ হারালে নিঃস্ব হয়ে যেতাম। খায়রুলের সততা আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।”

ওসি মঈনুদ্দিন বলেন, খায়রুল শুধু সৎ নন, দায়িত্বশীল ও মানবিকও। সমাজে এমন শিক্ষার্থীরা সত্যিই আশার আলো।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৮ দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে ছুটিতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুদেশে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে বন্দর এলাকায় দেখা দিয়েছে পন্যজট। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও পন্যজট রয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ জানান, ঈদে টানা ৮ দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ সময় যাত্রীদের চাপ ছিলনা। যাতায়াতকৃত যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সে জন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

আমদানি-রপ্তানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৮ দিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর ১২ টা থেকে পুনরায় এ স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী। এর বিপরীতে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন মাত্র ৪৪ লক্ষ সিম ব্যবহারকারী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বিটিআরসির সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকায় প্রবেশ করা সিম ব্যবহারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। সেখানে দেখা যায়,

২৮ মার্চ রাতে একদিনে ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৭ জন ঢাকা ত্যাগ করেন, ঢাকায় আসেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৩২ জন।

২৯ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন, ঢাকায় প্রবেশ করেন ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন।

৩০ মার্চ একই সংখ্যক মানুষ (২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন) ঢাকা ত্যাগ করেন এবং একই সংখ্যক ঢাকায় প্রবেশ করেন (৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন)।

৩১ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ জন, ঢাকায় আসেন ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯৯ জন।

১ এপ্রিল ঢাকা ত্যাগ করেন ১২ লাখ ৮২৪ জন, ঢাকায় আসেন ৫ লাখ ৪৩ হাজার ২৯৯ জন।

২ এপ্রিল ঢাকা ছাড়েন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯৪ জন, ঢাকায় আসেন ৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৭৮ জন।

৩ এপ্রিল ঈদের আগের দিন ঢাকায় প্রবেশকারী সিমের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় বাইরে যাওয়ার সংখ্যা। এদিন ঢাকা ছাড়েন ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫২ জন এবং ঢাকায় প্রবেশ করেন ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন।

বিটিআরসি’র হিসাব অনুযায়ী, মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের এই তথ্য ঈদের সময় ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের ঘরমুখো যাত্রার একটি সুস্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস