শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেলেন ১৮০ গৃহহীন পরিবার

নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন ১৮০ গৃহহীন পরিবার। আশ্রয় পেয়েছেন এসব পরিবারের সদস্যরা। আশ্রয় পেয়ে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কূতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একজন মানুষও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবেনা, মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন ঘোষণা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসন।

এই উপজেলায় প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কেবল গৃহহীন-ভূমিহীনই নয়, ঘর পাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিবাসীরাও। এতে করে একসময়ের সুবিধাবঞ্চিত, অবহেলিত এই উপজেলায় বসবাসরত অসহায় মানুষ গুলোর জীবন বদলে গেছে এখন।

এই মানুষগুলোর একসময় ছিলোনা নিজস্ব কোন স্থায়ী ঠিকানা। খাস জমি কিংবা অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে ভাঙ্গা ঘরে থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করতেন তারা। কিন্তু বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার এই বিশেষ মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে বাসস্থানসহ নানাবিধ সুবিধার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে তাদের নাগরিক জীবনমান।

মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গৃহীত এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় বারহাট্টায় এখন পর্যন্ত (১৮০)টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য নির্মাণ করা এই ঘরগুলো বরাদ্দ পেয়েছে এই উপজেলায় বসবাস করা গৃহহীন ও ভূমিহীন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিবাসীরা। এই উপজেলায় অসহায় ভিক্ষুকরাও পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই ঘর।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহারের এই ঘর হাসি ফুটিয়েছে বারহাট্টা উপজেলার সকল অসহায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মুখে। নিজের একটি পাকা-পরিচ্ছন্ন ঘরে থাকার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তাদের, নিরাপদ ও মজবুত স্থায়ী ঘর পেয়ে খুশি এই গৃহহীন ও ভূমিহীনরা। সরেজমিনে এসব ঘরে বাস করা মানুষদের সাথে এক সাক্ষাতে দেখা যায়, মানবেতর জীবনমান থেকে মুক্তি পেয়ে এখন তারা সুখ-স্বাচ্ছন্দে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন যাবন করছেন।

উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বড়গাওয়া গ্রামের কৃষক পূর্ণিমা রানী প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে তিনি নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আগে আমরা ছোট ভাঙ্গা ঘরে থেকে শিশু সন্তান নিয়ে শীত-বৃষ্টি মৌসুমে লড়াই করে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করতাম। সরকার আমাদের নতুন ঘর দেয়ায় এখন আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারছি। আগের মত কষ্ট আর নেই আমাদের।

এদিকে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের বাসিন্দা ইব্রাহীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে ২৮ বছরের বন্দি জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে এখন আমরা সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছি। এই সময়ে সরকারের দেওয়া অনেক সহযোগিতা পেয়ে এখন আমরা অনেক সুখে আছি।

আসমা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান ছন্দু বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের কথা ইতিহাসের পাতায় সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল, বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে ততদিন নিরাপদে থাকবে এই দেশের জনগণ, কারণ তিনি দৈনিক ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৪ ঘন্টাই এ দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে। শেখ হাসিনার সরকার আছে বলেই সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি,একইসাথে কোন ভূমিহীন ও গৃহহীন যেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে ও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় বারহাট্টায় এখন পর্যন্ত (১৮০)টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা চৌধুরী বলেন,প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় বারহাট্টায় এখন পর্যন্ত (১৮০)টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এবং এই উপজেলায় যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন যাছাই বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের এই গৃহ প্রধান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা এই উপজেলাকে ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণা করেছি।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাসেম বলেন, আমরা শেখ হাসিনার সৈনিক, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার এই মহৎ উদ্যোগ গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ এই প্রকল্প বিশ্বব্যাপি আলোরণ সৃষ্টি করেছে। জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষেই সম্ভব এই সব উন্নয়ন কাজ। এই উপজেলায় কোনো মানুষ গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে যারা ঘর পেয়েছেন তারা স্বাচ্ছন্দে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন যাবন করছেন। এছাড়াও এসকল দরিদ্র মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী ও দেয়া হচ্ছে। একইসাথে কোন ভূমিহীন ও গৃহহীন যেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। আমরা এই উপজেলাকে ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণা করেছি।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী। এর বিপরীতে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন মাত্র ৪৪ লক্ষ সিম ব্যবহারকারী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বিটিআরসির সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকায় প্রবেশ করা সিম ব্যবহারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। সেখানে দেখা যায়,

২৮ মার্চ রাতে একদিনে ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৭ জন ঢাকা ত্যাগ করেন, ঢাকায় আসেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৩২ জন।

২৯ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন, ঢাকায় প্রবেশ করেন ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন।

৩০ মার্চ একই সংখ্যক মানুষ (২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন) ঢাকা ত্যাগ করেন এবং একই সংখ্যক ঢাকায় প্রবেশ করেন (৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন)।

৩১ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ জন, ঢাকায় আসেন ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯৯ জন।

১ এপ্রিল ঢাকা ত্যাগ করেন ১২ লাখ ৮২৪ জন, ঢাকায় আসেন ৫ লাখ ৪৩ হাজার ২৯৯ জন।

২ এপ্রিল ঢাকা ছাড়েন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯৪ জন, ঢাকায় আসেন ৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৭৮ জন।

৩ এপ্রিল ঈদের আগের দিন ঢাকায় প্রবেশকারী সিমের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় বাইরে যাওয়ার সংখ্যা। এদিন ঢাকা ছাড়েন ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫২ জন এবং ঢাকায় প্রবেশ করেন ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন।

বিটিআরসি’র হিসাব অনুযায়ী, মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের এই তথ্য ঈদের সময় ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের ঘরমুখো যাত্রার একটি সুস্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে আখতার হোসেন

যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। যারা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার রাখে না।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে রংপুর চেম্বার ভবনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সংগঠকদের নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছে। এবং বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সূচনা হয়েছে। আমরা মনে করি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা স্বতন্ত্র সংগঠন।

আখতার আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের যে কার্যক্রম আছে সেগুলো পরিচালনা করবে। একটি পলিটিক্যাল প্লাটফর্ম এবং সিভিল সোসাইটির প্লাটফর্ম হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা আছে সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে। যারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা আ.লীগের দোসর।

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি নিয়ে কাজ করছি এবং এর কার্যক্রমের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির অনেক সদস্যও যুক্ত রয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

সবুজ মোল্যা। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে কার্টনের ভেতর হাত-পা বিচ্ছিন্ন মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত ব্যক্তির নাম সবুজ মোল্যা। তিনি সাভারের যাদুরচর গ্রামের ইউনুস মোল্লার ছেলে। নিহতের মামা মহসিন মিয়া তার মরদেহ শনাক্ত করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব আল হোসাইন জানান, নিহতের টুকরা করা মরদেহ কেরানীগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মামলা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের মামা মহসিন মরদেহটি সবুজের বলে শনাক্ত করেন।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, ঢাকার সাভার থানায় দায়েরকৃত একটি সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে গতকাল রাত ১২টার দিকে মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

নিহতের মামা মো. মহসিন জানান, নিহত সবুজ বনানীর একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে শুক্রবার রাতে পিবিআইয়ের ফোন পেয়ে এবং মরদেহের ছবি দেখে আমার ভাগিনাকে শনাক্ত করি। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন লৌহজং উপজেলার মেদেনীমণ্ডল খানবাড়ি এলাকার আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে খানবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কার্টনের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অজ্ঞাত ব্যক্তির মাথা ও গলা থেকে কোমর পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ পাওয়া যায়।

একই দিন সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের মালঞ্চ এলাকায় সড়কের পাশে একটি কার্টনে মরদেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। আলামত যেন নষ্ট না হয় সে কারণে সিআইডি ও পিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞ টিম পলিথিন খুলে মানবদেহের অংশগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। পরে মুন্সীগঞ্জে মানবদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়ার খবর পেয়ে সেখানে যায় সিআইডি ও পিবিআই। পর্যবেক্ষণ শেষে খণ্ডিত অংশগুলো একই ব্যক্তির বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে