শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর চার লাখ টাকায় বিক্রি!

শেরপুরের নকলায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দুর্যোগ সহনীয় ঘর সাব কবলায় বিক্রি করে দিয়েছেন এক সুবিধাভোগী। জমিসহ ওই ঘরটি ৪লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন তিনি। এ ঘটনা জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি এলাকাজুড়ে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পে সরকার ঘরে দিতে নির্দেশ দেন। পরে টি,আর-কাবিটা কর্মসূটির আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের আওতায় ২লাখ ৫৮ হাজার টাকা ব্যয়ে সরকারি ঘরের বরাদ্দ শুরু হয়। ওই প্রকল্পের অধীনে একটি সরকারি ঘর পান নকলা উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের হতদরিদ্র হাতেম আলী। সেই ঘরে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।

পরে তার ছোট ছেলে রিক্সাচালক শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমকে নিয়ে ওই সরকারি ঘরে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু তিন বছরের ব্যবধানে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১২ তারিখে ওই জমিসহ সাব কবলায় সরকারি ঘরটি ৪লাখ টাকায় বিক্রি করেন একই এলাকার মৃত সুলতান মিয়ার স্ত্রী হাসনা বেগম ওরফে বিউটির কাছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এলাকাজুড়ে।

কিভাবে সরকারি ঘর বিক্রি করলেন শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে, তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগম বলেন, জমি ও ঘরটা ৪লাখ টাকায় বিক্রি করছি। ৩লাখ ৩০হাজার টাকা হাতে পেয়েছি। আসলে আমরা না জেনেই ঘরটি বিক্রি করে দিছিলাম, এটা অন্যায় হয়েছে। এখন আমরা টাকা ফিরিয়ে দিয়ে আমাদের জায়গা ও ঘর আমরাই রাখবো। এ বিষয়ে জমিসহ ঘর কেনা হাসনা বেগম ওরফে বিউটির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মালিক জায়গা বিক্রি করছে, তাই আমি কিনেছি।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. শামিম মিয়া বলেন, সরকারি ঘরটি পাইয়ে দিতে আমি সব ধরণের সহযোগিতা করেছি। একবার শুনলাম তার ছেলে জায়গা ও ঘরটি বিক্রি করবে, যখন এমন খবর জানলাম পরে আমি না করলাম, কিন্তু কে শোনে কার কথা, গোপনে গোপনে জমি ও ঘর বিক্রি করে দিছে। এটাতো শুধু অন্যায় না বরং সরকারের বদনাম।

পাশেই থাকা কৃষক আ: সালাম মিয়া বলেন, গরীব মানুষ করে সরহার (সরকার) এডা (একটা) ঘর দিলো, এহন (এখন) হুনতেছি (শুনতেছি) ঘরডা বেইচ্ছি (বেঁচে) ফেলেছে। খুব খারাপ কাজ করছে, লোভ করলেই কি ঘর বেইচ্ছি ফেলানি (ফেলে) নাগবো (লাগবো)।

নকলার ৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মনির হোসেন জানান, আমাকে যখন বললো ঘর বিক্রির বিষয়ে আমি না করেছি দুই পক্ষকেই। পরে আর আমার সাথে কেউ কোন যোগাযোগ করেনি। আজকে শুনলাম গোপনে গোপনে জমি ও সরকারি ঘর বিক্রি করে দিছে। আসলে এটি অন্যায় হয়েছে। তার জায়গা এটা ঠিক আছে, কিন্তু সরকারি ঘর বিক্রি কোনভাবেই ঠিক হয়নি, এটি জঘন্য কাজ হয়েছে।

এ ঘটনায় নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসার মো. বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘এই তথ্যটি আগে জানতাম না, আপনার মাধ্যমে জানলাম। যদি এমন কেউ করে থাকে তাহলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এএজেড

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৮ দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে ছুটিতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুদেশে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে বন্দর এলাকায় দেখা দিয়েছে পন্যজট। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও পন্যজট রয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ জানান, ঈদে টানা ৮ দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ সময় যাত্রীদের চাপ ছিলনা। যাতায়াতকৃত যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সে জন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

আমদানি-রপ্তানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৮ দিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর ১২ টা থেকে পুনরায় এ স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী। এর বিপরীতে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন মাত্র ৪৪ লক্ষ সিম ব্যবহারকারী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বিটিআরসির সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকায় প্রবেশ করা সিম ব্যবহারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। সেখানে দেখা যায়,

২৮ মার্চ রাতে একদিনে ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৭ জন ঢাকা ত্যাগ করেন, ঢাকায় আসেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৩২ জন।

২৯ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন, ঢাকায় প্রবেশ করেন ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন।

৩০ মার্চ একই সংখ্যক মানুষ (২১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪ জন) ঢাকা ত্যাগ করেন এবং একই সংখ্যক ঢাকায় প্রবেশ করেন (৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন)।

৩১ মার্চ ঢাকা ছাড়েন ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ জন, ঢাকায় আসেন ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯৯ জন।

১ এপ্রিল ঢাকা ত্যাগ করেন ১২ লাখ ৮২৪ জন, ঢাকায় আসেন ৫ লাখ ৪৩ হাজার ২৯৯ জন।

২ এপ্রিল ঢাকা ছাড়েন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯৪ জন, ঢাকায় আসেন ৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৭৮ জন।

৩ এপ্রিল ঈদের আগের দিন ঢাকায় প্রবেশকারী সিমের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় বাইরে যাওয়ার সংখ্যা। এদিন ঢাকা ছাড়েন ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫২ জন এবং ঢাকায় প্রবেশ করেন ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন।

বিটিআরসি’র হিসাব অনুযায়ী, মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের এই তথ্য ঈদের সময় ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের ঘরমুখো যাত্রার একটি সুস্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে আখতার হোসেন

যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। যারা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার রাখে না।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে রংপুর চেম্বার ভবনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সংগঠকদের নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছে। এবং বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সূচনা হয়েছে। আমরা মনে করি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা স্বতন্ত্র সংগঠন।

আখতার আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের যে কার্যক্রম আছে সেগুলো পরিচালনা করবে। একটি পলিটিক্যাল প্লাটফর্ম এবং সিভিল সোসাইটির প্লাটফর্ম হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা আছে সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে। যারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা আ.লীগের দোসর।

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি নিয়ে কাজ করছি এবং এর কার্যক্রমের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির অনেক সদস্যও যুক্ত রয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস