বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

স্যার ম্যাডাম বিতর্ক: সামন্তযুগে বাংলাদেশ

কে মালিক? কে প্রভু? কে সরকারি? কে বেসরকারি? কে স্যার? কে ম্যাডাম? এই বিতর্ক আবার আমাদের সামনে নতুন করে নতুনভাবে পুরোনো মোড়কে সামনে এসেছে। সরকারি কর্মকর্তারা সার বা ম্যাডাম নয় শুধু শিক্ষকরা স্যার ম্যাডাম এ কথাটি আমাদের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছিলেন ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে প্রায় দু বছর আগেই। সরকারি কোন ঘোষণা প্রজ্ঞাপণ ছাড়া আদতে এর কোন সমাধান আছে বলে মনে হচ্ছে না। তারপরও এই স্যার সাহেব, বাবু, মহাশয় ডাকাডাকি নিয়ে এই চিৎকার কতটা প্রাসঙ্গিক সেটা অনুসন্ধানের দাবি রাখে।

উপনিবেশিক আমলের রাজ-কর্মচারীকে সমীহ করে স্যার ডাকার সংস্কৃতি ছিল। কারণ তারা ছিল অত্যাচারী, নির্যাতক, এই ডাক তাদের জন্য রহমত নিয়ে আসতো। শুধু এই ভয়ে আমজনতা তাদের স্যার ডাকতো বলে শোনা যায় কিন্তু‘ স্যার শব্দের সাথে যে ভালোবাসানিসৃত হয়ে এই শব্দকে শক্তিশালী করে তোলে সেটা নিতান্তই শ্রদ্ধার। আর এই শ্রদ্ধা আপনি জোর করে পাবেন না, এটা ভিতরের ব্যাপার। ঔপনিবেশিক আমলের দুই পর্ব শেষ করে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের ধারণার মধ্যে যে সার্বজনীন ঘোষণা আছে সেখানে স্যার ঢাকার কোন যৌক্তিক কারণ নেই। কেননা দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের (৭) ১ অনুচ্ছেদে বলা আছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। অন্যদিকে সংবিধানের (২১) ২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে জড়িত কর্মচারীরা হলেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। বাংলায় বুঝতে সমস্যা হলে ইংরেজি ভার্শনে এই কথাটি স্পষ্ট করে বলা আছে। ইংরেজিতেই আছে সবচাইতে ভালো সমাধান পাবলিক সার্ভেন্ট আর আর এটাই বাংলার সরল অনুবাদ। ১৯৭২ সালেও সরকারি কর্মচারিদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই ঐতিহাসিক ভাষণ আজ আমরা ভুলতে বসেছি। সত্য বলতে দেশ এখনো টিকে আছে মেহনতী মানুষের অবদানের উপর ভর করে। তাদের শ্রমে ঘামে যাদের বেতন, বোনাস, তাদের প্রতি এই অবজ্ঞা, অপমান দেশের প্রশাসন যন্ত্রনিয়ে এক চরম অনিশ্চয়তা ইঙ্গিত দেয়। রাজ-কর্মচারীরা নিজেদের সবচেয়ে মেধাবী ভেবে থাকেন, অবশ্য ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার থেকে নয় তাহলে তারা এটা কেন বোঝেন না সেবা প্রদানের যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি চেয়ারে বসে আছেন প্রকৃত অর্থে সেই চেয়ারের মালিক তিনি নন এটা তিনি না বুঝলেও অন্তত আমরা এটা বুঝি। সক্রেটিসের সেই কথাটিই আজ বড়বেশি প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয় “মুর্খের সবচাইতে বড় সমস্যা হলো সে যে আসলে মূর্খ এটা না জানা” আবার সে যে কিছুই জানেনা সে কথাটাই আসলে সে জানে না। আর আমরা কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেনের সেই গানের কথাতো জানিই“ আমি সরকারি অফিসার আমি এ যুগের জমিদার”। পুর্বের জমিদার আর সামন্ত প্রভূদের জায়গা নিতে চাই আজকের আধুনিক আমলাতন্ত্র। সবচেয়ে বড় কথা বিগত দশকগুলো বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেভাবে আমলাতন্ত্রে বিকাশ হয়েছে রাজনৈতিক ক্ষমতাকে আশ্রয় করে সেখানে পাল্টে গেছে মৌলিক ধারণা। এক সময় রাজনীতি ও প্রশাসন প্রতিপক্ষ থাকলেও হাল আমলে তারা এক অন্যের সহযোগী। জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের তকমার অভ্যন্তরে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারী জনগণের সেবক এবং তারা কখনোই সেবক হয়ে মনিবের জায়গা নিতে পারেনা, ১৯৭১ পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র মূল ভিত্তিই ছিল এটাই। বেশ কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর কামরুল হাসান মামুন বলেছিলেন “রাষ্ট্রের মানসিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে সর্বপ্রথম শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে যতদিন এটা ঠিক না হবে ততদিন শিক্ষা ও চেতনা মেরামত সম্ভব নয়। যারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আছেন তারা নিজেকে শিক্ষকদের বস ভাবেন, সচিবালয়ে যারা আছেন তারাও সেটাইভাবে আসলে শিক্ষকদের কোন বস থাকতে পারে না”।

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া মানসিকতার কাছে দাস মনিবের পার্থক্য আছে উল্টো পথে। এটা জ্ঞান আর চেতনার দৈন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজনৈতিক ক্ষমতার ছত্র ছায়ায় এদেশে আমলাতন্ত্রের বিকাশ অনেকটা সাম্রাজ্যবাদী যুগের মতই, আর এখানেই যত সমস্যা নতুন দেশে পুরনো কালচার। পাকিস্তান পর্বে আমলাদের যে মেজাজ , মনন ছিল তার পুণরাবৃত্তি ঘটছে বারে বারে। দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয় তবে, সেরা মেধাবীরা অবশ্যই নয়। তবে যাদের টাকায় তার বেতন হয় তাদের গুরুত্ব না বোঝার মত মেধা তাদের নেই এটা অবান্তর। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে তা দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে শপথ বাক্য পাঠ করানোর সময় এটা স্পষ্ট করে বলা হয় যে দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ। তারা সেবক মাত্র । এই সেবক যখন মনিব সাজতে যায় তখনই দেখা দেয় যত বিপত্তি। কিন্তু কেন এমন হলো। প্রশাসন ও রাজনীতিতে যা হয়েছে আগে তা হয়নি, আগে রাজনীতিতে ভুল হলে জনগণ, প্রশাসন, সমালোচনা করে তাদের সঠিক পথে চলতে সহায়তা করত। প্রশাসনে ভুল হলে রাজনীতিবিদরা সমালোচনা করত আর এখন নীতি নির্ধারক আর প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা একে অন্যের সমালোচনার বিপরীতে সহযোগিতার মানসিকতা ফুটে উঠেছে। এক অদৃশ্য আঁতাতে তাদের মধ্যে এই অতিরঞ্জিত ক্ষমতা চর্চা সমীহ জাগানিয়া অভিপ্রায় দেখা দিয়েছে। প্রশাসন মনে করে তারা সব পারে, তারা জনগণের বস, জনগণ তাদের কাছে নস্যি। আধুনিককালের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মেকিয়াভেলি যথার্থই বলেছেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই স্বার্থপর, অর্থ, ও ক্ষমতালিপ্সু। কিন্তু ক্ষমতা, ও টাকার মধ্যে যে একটা নিজস্ব গরম আছে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের দেশের তথাকথিত আমলাদের অবস্থা এখন সেটাই মনে হচ্ছে। প্রশাসকদের সামাজিক দাপটের এই প্রাদুর্ভাব কে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মন্জুরুল ইসলাম নেতিবাচক ভাবেই দেখেছেন। তার ভাষ্যমতে চারিদিকে শুধুই প্রশাসক আর প্রশাসক। ক্ষমতা প্রদর্শন আর অর্থের দখল নেওয়ার সমূহ সুযোগই তৈরি করেছে এই প্ল্যাটফর্ম। তাহলে যে পরিমাণ মেধা প্রজ্ঞা আর ধীশক্তি থাকলে ওয়েলফেয়ার স্টেস্টে প্রশাসন যন্ত্র জনমুখি হয় এটা কি তাহলে তাদের মধ্যে কমতি দেখা দিয়েছে! আধুনিককালের রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণাকে কেন্দ্র করে। এখানে রাষ্ট্রের জন্য জনগণ নয়, বন্দুকের নলই সকল ক্ষমতার উৎস নয়। এটা আমাদের রাষ্ট্র, সামাজিক রাষ্ট্র, এই রাষ্ট্র জনগণের। জনগণই এখানে ক্ষমতার মূল উৎস। আর এই দর্শন বাস্তবায়নের জন্য ঔপনিবেশিক মাসসিকতা পরিবর্তন করে নতুন করে নির্মাণ করাটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। জয় হোক জনগণের জয় হোক সকল শুভবোধের।

গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষা গবেষক

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী