শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৫ | ১৮ পৌষ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

জাবিয়ান চড়ুইভাতি!

কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া খুব ভালো না। মেঘলা আকাশ, কখনো কখনো টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। এর মধ্যে ১২ জানুয়ারি ৫১ বছরে পা দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফেসবুক ভেসে যাচ্ছে শুভেচ্ছাতে।

জাবির ৫১ বছর পূর্তির দিনে কি করা যায় এটা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ অর্থনীতির ৩১ ব্যাচের শাহিন ভাইকে ফোন করে ভাবনার কথা জানালাম। তিনি আমার পরিকল্পনা শুনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনে কথা বললেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, জীবননগর ও দর্শনায় কর্মরত বেশ কয়েকজন জাবিয়ানের সঙ্গে কথা বললাম। সাবাই রাজি। প্রগ্রামের প্রতি আগ্রহ দেখে আমি চলে গেলাম কোটচাঁদপুর সোনালী ব্যাংকে কর্মরত বিপ্লবের অফিসে। কিছুক্ষণ পর যোগ হলো ৩৫ ব্যাচের পারভেজ। মোটামুটি একটা ড্রাফ্ট তৈরি করে রওনা হলাম ৩২ ব্যাচের শিমুর বাসায়। আমরা তার বাসায় জাবিয়ান আড্ডার মাঝেই অংশগ্রহণকারী সদস্যের সংখ্যা ও খাবারের ম্যানু তৈরি করলাম। রাতে বাড়ি ফিরে ৩৫ ব্যাচের জনিকে বিস্তারিত জানাতেই তিনি আরো কিছু নতুন আইডিয়া দিলেন। পরদিন ছুটে গেলাম ৩১ ব্যাচের জীবননগর শাখার একটি বেসরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার সোহেলের কাছে। কথা বললাম দর্শনার কেরু এন্ড কোম্পানির ডেপুটি ডিরেক্টর হালিমের সঙ্গে। সবার উৎসাহ পেয়ে মনে সাহস পেলাম। রাতে কোটচাঁদপুরের ইউএনও ৩৬ ব্যাচের দেলোয়ার ভাইয়ার সঙ্গে প্রগ্রাম নিয়ে বিস্তারিত কথা হলো। সবার সম্মতিক্রমে স্থান নির্বাচিত হলো বলুহর মৎস্য প্রজেক্ট, কোটচাঁদপুর, ঝিনাইদহ। দেশের বৃহত্তম এই মৎস্য প্রজেক্টটি কোটচাঁদপুর শহরের অদূরেই অবস্থিত। পাশেই বাওড়। মনোরম পরিবেশে জাবিয়ান চড়ুইভাতি ভালোই জম্বে। এটা ভেবে কয়েক দিন স্বপ্নের ভিতরেই ছিলাম।


এদিকে প্রগ্রামের দিন সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। একটু ভাবনায় পড়ে গেলাম কিন্তু শাহিন ভাইয়ার কথায় সাহস পেয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করলাম। আগের দিন সব কেনাকাটা করে রেখেছিলাম। ওই দিন শুধু কেক আর ফুল কিনে শাহিন ভাইয়ার গাড়িতে রওনা হলাম প্রোজেক্টের পথে। বলে রাখি, শাহিন ঢাকা থেকেই সবসময় যোগাযোগ রাখছিলেন এবং রান্না থেকে শুরু করে চড়ুইভাতির প্রগ্রামের সব পরামর্শ দিচ্ছিলেন ক্ষণে ক্ষণে। একটু পরেই সোহেলের ফোন, তুমি কোথায়, আমি তো চলে এসেছি। আমরা প্রোজেক্ট পৌঁছে দেখি ফিসফিস বৃষ্টির মধ্যে বেশ কয়েকজন জাবিয়ান আড্ডা দিচ্ছে, সেলফি তুলছে। অনেক দিন পর সবার সাথে দেখা। বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেওয়ার পর অনেকের সাথে আজই প্রথম দেখা হলো।

জুম্মার নামাজের পর আমরা দুপুরের ভাত খেলাম। বৃষ্টির দিনে খিচুড়ী ও গরুর মাংস খাবার টেবিলে এক অন্যরকম আবহাওয়া তৈরি করেছিল। খাবার শেষে আমরা আড্ডা দেওয়া শুরু করলাম। শাহিনের উপস্থাপনায় আমরা সবাই সবার পরিচয় দিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ করলাম। এর আগে কেক কেটে জাবির ৫১ বছর পুর্তির চড়ুইভাতির অনুষ্ঠিত শুরু হয়। সবার পক্ষ থেকে সোহেল ও শিমু কোটচাঁদপুরের নবাগত ইউএনও ৩৬ ব্যাচের দেলোয়ার সাহেবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে শাহিন ভাইয়া কপোতাক্ষ পাড়ের জাবিয়ানদের নিয়ে একটি সংগঠন দাঁড় করানোর কথা বলেন। যার নাম দেন 'জাবিয়ান কপোতাক্ষ পরিবার'। সাধারণত এই পরিবারের সদস্যরা জন্ম, কর্ম ও বৈবাহিক সূত্রে কপোতাক্ষ পাড়ের হবে (ঝিনাইদহ, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার আংশিক অংশ নিয়ে)। তবে যেকোনো জাবিয়ান এই পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারবেন। প্রস্তাবটির ব্যাপারে সবাই ইতিবাচক মতামত দেই। স্মৃতিচারনের বক্তৃতায় ইউএনও দেলোয়ার সাহেব, শাহিন, সোহেল ও শিমু পরবর্তী ঈদে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে একটি বড় পরিসরে প্রগ্রাম করার ব্যাপারে মতামত প্রদান করেন। এরপর আমরা বাওড়ের ধারে যেয়ে গ্রুপ ছবি উঠাই। আবহাওয়া ভালো না থাকায় আমরা নৌকা ভ্রমণ না করেই বাড়ির পথে রওনা হই। ৫১ বছরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আরো গৌরবের সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সবাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত চড়ুইভাতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাবিয়ানদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোটচাঁদপুর উপজেলার ইউএনও ৩৬ ব্যাচের দেলোয়ার, বণিক বার্তার সাংবাদিক ৩১ ব্যাচে শাহিন, জীবননগের একটি বেসরকারি ব্যাংকের ম্যনাজার ৩১ ব্যাচের সোহেল, কলেজের প্রভাষক ৩১ ব্যাচের জুয়েল, কেরু এন্ড কোম্পানির এর ডেপুটি ডিরেক্টর ৩২ ব্যাচের হালিম, কলেজের প্রভাষক ৩২ ব্যাচের শিমু আপু, সোনালী ব্যাংকে কর্মরত ৩৩ ব্যাচের বিপ্লব, প্রাইমারীর প্রধান শিক্ষক ৩৫ ব্যাচের জনি, ৩৫ ব্যাচের সরকারি কর্মকর্তা পারভেজ এবং আমি ৪১ ব্যাচের মো.শাহিন রেজা। ব্যাক্তিগত সমস্যা থাকায় বেশ কয়েকজন জাবিয়ান আসতে পারেনি।

মো. শাহিন রেজা: সাবেক শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এসআইএইচ/

 

 

Header Ad
Header Ad

বাড়তে পারে ৬৫ পণ্যের দাম, ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ৬৫টি পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব করছে। এর ফলে বাজেটের আগেই এসব পণ্যের মূল্য বাড়তে পারে।

এ তালিকায় রয়েছে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, গুঁড়া দুধ, বিস্কুট, জুস, ফলমূল, সাবান, সিগারেট, টিস্যু পেপার, মিষ্টি, এলপি গ্যাস, বিমান টিকিট এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের খরচসহ আরও অনেক পণ্য। বিশ্লেষকরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এ উদ্যোগ সাধারণ জনগণের ওপর আর্থিক চাপ বাড়াবে এবং মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক কর্মকর্তা জানান, বাজেটের সময় ভ্যাট পরিবর্তন করা হয়, তবে এবারের পরিস্থিতি আলাদা। অর্থ মন্ত্রণালয় আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পেতে কর-জিডিপি অনুপাত ০.২ শতাংশ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করতে ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে এ পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। চলমান পরিস্থিতিতে চাল, চিনি, ভোজ্য তেলসহ সাতটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্কছাড় দিলেও মাঝপথে ভ্যাট বৃদ্ধির এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়কে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের এ সিদ্ধান্ত মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা সাধারণ মানুষের জন্য আর্থিক দুশ্চিন্তা বাড়াবে এবং জীবনযাত্রার মানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Header Ad
Header Ad

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের তথ্য সংরক্ষণের আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টে অনুষ্ঠিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ, ডকুমেন্টারি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেল। এসব তথ্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) তথ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনসাধারণের কাছে থাকা এসব তথ্য গুগল ড্রাইভে (muspecialcell36@gmail.com) আপলোড করার অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া, একই সময়ের মধ্যে এসব তথ্য পেনড্রাইভে ধারণ করে সরাসরি গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেলের কার্যালয়ে (২য় তলা, ভবন নং-২, বিএসএল অফিস কমপ্লেক্স, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ১ মিন্টু রোড, ঢাকা-১০০০) হস্তান্তর করারও সুযোগ রয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংরক্ষণ করা হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহাসিকভাবে মূল্যবান হবে।

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীসহ খালেদা জিয়ার বাসভবনে সেনাপ্রধান

স্ত্রীসহ খালেদা জিয়ার বাসভবনে সেনাপ্রধান। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত ৮টা ৩০ মিনিটে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবনে প্রবেশ করেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন সেই দোয়া করেছেন সেনাপ্রধান। এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে ছিলেন তার স্ত্রী। খালেদা জিয়ার বাসভবনে সেনাপ্রধান ও তার স্ত্রী প্রায় ৪০ মিনিটের মতো ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বাড়তে পারে ৬৫ পণ্যের দাম, ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের তথ্য সংরক্ষণের আহ্বান
স্ত্রীসহ খালেদা জিয়ার বাসভবনে সেনাপ্রধান
রংপুরের টানা তৃতীয় জয়, বরিশালের বিপক্ষে সহজ জয়
ভারতে সিগারেট খাওয়া নিষিদ্ধ চান বলিউড কিং
ইসরায়েলি হামলায় গাজার পুলিশ প্রধানসহ নিহত ১১
নওগাঁয় একবছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬৫
অবশেষে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
বাংলাদেশ আমাদের হারানো ভাই: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৪৩তম বিসিএস: বাদ পড়া ২২৭ প্রার্থীদের পুনর্বিবেচনার সুযোগ
জানুয়ারিতে বোতলজাত এলপিজি’র দাম অপরিবর্তিত, অটো গ্যাসের দাম সামান্য কম
বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন গায়ক আরমান মালিক
টানা দুই ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ পেল ঢাকা, রাজশাহীর প্রথম জয়
গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশে ৪৩তম বিসিএসে ২২৭ জন বাদ
ভারতে তুলনামূলক হারে কমেছে বাংলাদেশী পর্যটক
ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্তে নিত্যপণ্যে প্রভাব পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা
কেন খাবেন সারা রাত ভেজানো কিশমিশ-পানি
বছরের শুরুতেই উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারীসহ আহত ১৫!
বিপিএলে এক ম্যাচেই ৭ উইকেট নিয়ে তাসকিনের রেকর্ড
সাংবাদিক মুন্নী সাহা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুদক