বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

গণ অধিকার পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় সন্তুষ্ট ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।

তিনি বলেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। গণ অধিকার পরিষদের সঙ্গে আলোচনা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছি, খুশি হয়েছি যে তারা আমাদের সঙ্গে সকল বিষয়ে প্রায় একই মত ধারণ করেন। বিশেষ করে এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। সে বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। এই সরকারকে আর ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া যায় না কারণ এই সরকার অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে সচেতনভাবে বাংলাদেশের অর্জিত গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা সাম্য ও সামাজিক মূল্যবোধ সেই সঙ্গে ন্যায়বিচারের যে অধিকার তার সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। এই কারণে এই সরকারকে সরানোর জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে এক পথ হয়েছি।’

বুধবার (৩ আগস্ট) গণধিকার পরিষদের সঙ্গে সংলাপ শেষ এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

সংলাপে বিএনপির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন অংশ নেন।

তিনি বলেন, ‘এই আন্দোলন আমরা যুগপৎভাবে করবো এবং এই আন্দোলন করে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা, সংসদ ভেঙে দেওয়া, সঙ্গে সঙ্গে একটা নিরপেক্ষ সরকারের হাতে নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। পরে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের মধ্য দিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সকল দলের অংশগ্রহণ মধ্য দিয়ে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, তার মাধ্যমে জনগণের সংসদ ও সরকার গঠন করা। যে সরকার সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং তারপরে রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করব। এবং যে বিষয়গুলো আমরা মনে করি পরিবর্তন সংস্কার হওয়া দরকার মেরামত করার জন্য আমরা সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি কী করেছে কী করেনি সেটা দেশের মানুষ সবাই জানে। আপনারা এটাও জানেন একদলীয় বাকশাল শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল বিএনপি। এই দেশে গণমাধ্যমের পুরোপুরি স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে বিএনপি। বিচারপতিদের নিয়োগের ব্যাপারে কমিশন গঠনের কথা প্রথম বলেছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, ‘এটা আমাদের ভিশন ২০৩০ তে উল্লেখ আছে । রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা ভারসাম্যের কথাও উল্লেখ আছে। তাই এই মুহূর্তে গণ অধিকার পরিষদের চিন্তা এবং আমাদের চিন্তার মধ্যে ফান্ডামেন্টাল চিন্তা আছে বলে মনে করি না।’

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করে বলছি-সব সময় ইতিবাচক দিক থেকে সমর্থন করবেন। জাতির বর্তমান যে অবস্থায় শুধুমাত্র বিএনপি বা গণ অধিকার পরিষদ লড়াই করলেই সফলতা আসবে না। আপনাদেরকেও আপনাদের অবস্থান থেকে লড়াই করতে হবে আপনাদের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন আপনাদের ধ্বংস করে দিচ্ছে, বিভিন্ন নির্যাতনমূলক আইন আপনাদেরকে ধ্বংস করছে, আপনারা লিখতে পারছেন না প্রাণ খুলে।’

অনেক গুণী সাংবাদিক তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। শত শত সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। তাই এই লড়াই শুধু বিএনপি কিংবা গণ অধিকার পরিষদের লড়াই নয়। এটা জাতির লড়াই বেঁচে থাকার অস্তিত্বের লড়াই, আপনারাও এত শরিক হউন, যোগ করেন তিনি।

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ খাবার ও ব্যবহারযোগ্য পানি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার—এমন ঘোষণা দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। এর আগে ২০২০ সালে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব জানান, ২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল—বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি সরবরাহ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি না এবং এটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ আদালত ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্ট এই রায়ে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন—

১. এক বছরের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেমন—আদালত, ধর্মীয় উপাসনালয়, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, হাট-বাজার ও বিমানবন্দরে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানীয় পানি নিশ্চিত করতে হবে।

২. আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যের পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

৩. ২০২৬ সালের মধ্যে পাবলিক প্লেসে বিনামূল্যে নিরাপদ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

আইনজীবী পল্লব আরও জানান, হাইকোর্টের এই রায় একটি চলমান আদেশ হিসেবে কার্যকর থাকবে। আদালত ইতোমধ্যে তুরাগ নদী, সোনারগাঁ এবং হাতিরঝিল সংক্রান্ত রায়ের নির্দেশনাগুলোকেও এই রায়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এছাড়া, দেশের সব পানির উৎস যাতে ক্ষয়িষ্ণু না হয়, দূষিত না হয় এবং অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা পায়—তা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এই রায়ের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির বিষয়টি নতুন মাত্রা পেল এবং সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Header Ad
Header Ad

সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাসহ সারাদেশে চলমান বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া এই অভিযানের পাশাপাশি অন্যান্য অভিযানে মোট ১ হাজার ৬৫৭ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে ৭৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য অভিযানে আরও ৯১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক অস্ত্র উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি শুটার গান, একটি কার্তুজ ও দুটি ধারালো অস্ত্র (চাকু)।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই হামলায় নেতৃত্ব দেয় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। ওই হামলায় বহু মানুষ হতাহত হন, যার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

এই ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। দেশব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নামে বিশেষ অভিযান শুরু হয়।

অভিযানটি শুরু হওয়ার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রোধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এই অভিযানের ফলে সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Header Ad
Header Ad

বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত

ছবি: সংগৃহীত

বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। দুই দলেরই ইতোমধ্যে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, এবং আজ তাদের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামার কথা ছিল। তবে রাওয়ালপিন্ডিতে তুমুল বর্ষণের কারণে ম্যাচটি আর অনুষ্ঠিত হয়নি।

রাওয়াওলপিন্ডিতে আজ হচ্ছে তুমুল বর্ষণ। বৃষ্টির কারণেই ম্যান ইন গ্রিনদের বিপক্ষে টাইগারদের ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় রাওয়ালপিন্ডিতে মাঠে নামার কথা ছিল রিজওয়ান-শান্তদের।

তবে বাদ পড়া এই দুই দলের ম্যাচে শেষ কথা বলেছে বৃষ্টি। বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির সঙ্গে তাপমাত্রা কমেছে। আকাশ ঢাকা ছিল ঘন মেঘে। বৃষ্টি না কমার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে ম্যাচ তো শুরু করা যায়ই নি, এমনকি টসও হয়নি।

রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় টস হওয়ার কথা ছিল। খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল বিকেল ৩টায়। তবে বৃষ্টির কারণে প্রথমে টস এবং খেলা শুরু সময় পেছানো হয়েছিল।

কিন্তু বেরসিক বৃষ্টি আর আজ থামার নাম নেয়নি। এ কারণে অপেক্ষা করেও ম্যাচ শুরু করা গেলো না। বৃষ্টির কারণে তাই ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাগতিক পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের কাছে হেরে আসর থেকে ছিটকে পড়ে। বাংলাদেশও ঠিক একই প্রতিপক্ষের কাছে হেরেই বাদ পড়েছে এবারের আসর থেকে।

আজ দুই দলেরই তৃতীয় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মিশন শেষ করলো জয় ছাড়াই। ম্যাচ না হওয়ায় দুই দলই পয়েন্ট ভাগাচাগি করেছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়
সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন
বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত
বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা
চা দোকানির ছেলে হলেন বিচারক
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল চালকের প্রাণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২৭১ পদে বিশাল নিয়োগ
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা
কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ