শনিবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৫ | ২০ পৌষ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনেই নতুন রাজনৈতিক দলের উত্থান স্বাভাবিক। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ। এ নিয়ে বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএনপি সবসময় গণতান্ত্রিক উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

বুধবার (১ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই বহু দল ও মতের চর্চাকে সমর্থন করে আসছে। জনগণ কোন রাজনৈতিক দলকে গ্রহণ বা বর্জন করবে, তা নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে। তবে কিছু গোষ্ঠী ভিন্ন উদ্দেশ্যে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিন। নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে তিন কোটি ভোটার ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে, কিন্তু তারা জাতীয় বা স্থানীয় কোনো নির্বাচনেই ভোট দিতে পারেনি। এ নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মনে প্রশ্ন রয়েছে।”

তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না এবং সতর্ক থাকুন। নিজেরা এমন কোনো কাজে যুক্ত হবেন না, যা অন্যদের অপপ্রচারের সুযোগ করে দেয়।”

ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

Header Ad
Header Ad

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে দেশব্যাপী জনসংযোগ শুরু ৬ জানুয়ারি

সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে ৬ থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে লিফলেট বিতরণ, সমাবেশ, জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে মার্চ ফর ইউনিটিতে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই প্রক্লেমেশন ঘোষণার দাবি জানিয়েছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই অভ্যুত্থানে যেমন দেশের প্রত্যেক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল, আমরা মনে করি এই ঘোষণাপত্রে জনমানুষের আকাঙক্ষার প্রতিফল ঘটবে।

তিনি বলেন, আমরা মানুষের কাছে ছুটে যেতে চাই। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পেশাজীবী মানুষের মাঝে জনসংযোগ চালাবো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি যৌথভাবে এই কাজটি করবে।

হাসনাত বলেন, সরকার ঘোষণাপত্র নিয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেয়নি। অভ্যুত্থানে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন। আমাদের আহ্বান থাকবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার শিগগির কাজ শুরু করবে। আমরা চাই, সরকারকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

Header Ad
Header Ad

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ, সেক্রেটারি মাজহারুল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ, সেক্রেটারি মাজহারুল। ছবি: সংগৃহীত

শীর্ষ দুই পদে কোনো পরিবর্তন না এনেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৫ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ বর্ষের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী এবং সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শেখ মাজহারুল ইসলাম। এর আগেও তারা একই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শনিবার (০৪ জানুয়ারি) নতুন কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম। তিনি জানান, গতকাল (৩ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে কুমিল্লা মহানগর শিবির মিলনায়তনে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি এই কমিটি ঘোষণা করেন।

এর আগে গতবছরের ১৯ নভেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি-সেক্রেটারি আত্মপ্রকাশ করেন।

নতুন কমিটি নিয়ে সভাপতি হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী বলেন, 'ছাত্রশিবির একটি গতিশীল সংগঠন হওয়ার কারণে প্রতিবছরের ডিসেম্বর শেষ দিকে কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন হয়। এরপর থেকেই সারাদেশে সকল শাখায় নতুন প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি মনোনিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল (০৩ জানুয়ারি) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।'

Header Ad
Header Ad

২০২৪ সালে সড়কে ঝরেছে ৮ হাজার ৫৪৩ প্রাণ, আহত ১২৬০৮

ফাইল ছবি

বিদায়ী ২০২৪ সালে ৬ হাজার ৩৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮ হাজার ৫৪৩ জন। আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৬০৮ জন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬ হাজার ৯৭৪টি দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ২৩৭ জন নিহত এবং ১৩ হাজার ১৯০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, রেলপথে ৪৯৭টি দুর্ঘটনায় ৫১২ জন নিহত, ৩১৫ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ১১৮টি দুর্ঘটনায় ১৮২ জন নিহত, ২৬৭ জন আহত এবং ১৫৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। এই সময়ে ২ হাজার ৩২৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৫৭০ জন নিহত ও ৩ হাজার ১৫১ জন আহত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিগত ১০ বছরে মোটরসাইকেল ১৫ থেকে ৬০ লাখে উন্নীত হয়েছে, নতুন করে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা রাস্তায় নামার পাশাপাশি ছোট যানবাহন অবাধে বৃদ্ধি ও এসব যানবাহন সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচলের কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ভয়াবহভাবে বাড়ছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে সড়কে ১.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনা, নিহত ৭.৫০ শতাংশ এবং আহত ১৭.৭৩ শতাংশ বেড়েছে।

২০২৪ সালে সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ১৬৮ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১ হাজার ৯৫২ জন চালক, ১ হাজার ৮৭৯ জন পথচারী, ৬২২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৭৫৫ জন শিক্ষার্থী, ১২৬ জন শিক্ষক, ১ হাজার ২০৬ জন নারী, ৬৫৮ জন শিশু, ৪৮ জন সাংবাদিক, ১৭ জন চিকিৎসক, ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একজন চিত্রনায়ক, ৬ জন আইনজীবী, ১২ জন প্রকৌশলী এবং ২১৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।

এর মধ্যে ৩৯ জন পুলিশ সদস্য, ২১ জন সেনা সদস্য, ৫ জন আনসার সদস্য, একজন র‍্যাব সদস্য, একজন ফায়ারসার্ভিস সদস্য, একজন বিমানবাহিনীর সদস্য, ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ২১ জন সাংবাদিক, ৭২৭ জন নারী, ৫৩৬ জন শিশু, ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী, ৯৯ জন শিক্ষক, ১ হাজার ৩৭২ জন চালক, ২৬৫ জন পরিবহন শ্রমিক, ৮ জন প্রকৌশলী, ৪ জন আইনজীবী, ১১৪ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ১৫ জন চিকিৎসক ও এক হাজার ৯ জন পথচারী নিহত হয়েছে।

সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫০.৮৪ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা, ২৪.৩৯ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮.৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৪.৯৯ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.৩১ শতাংশ যানবাহনের চাকায় ওড়না পেঁছিয়ে এবং ০.৭৩ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩৫.৬৭ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২১.৬৬ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৫.৮১ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.৯৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১.২০ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে, ০.৭৩ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বিদায়ী বছরে ছোট যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ও এসব যানবাহন অবাধে চলাচলের কারণে ফিডার রোডে ৭.৩১ শতাংশ, জাতীয় মহাসড়কে ০.৮১ শতাংশ, ০.০৯ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে, রেলক্রসিং-এ ০.০৫ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এবার ঢাকা মহানগরীতে ১.৩৯ শতাংশ, আঞ্চলিক মহাসড়কে ৬.৭৫ শতাংশ দুর্ঘটনা কমেছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে দুর্ঘটনার কারণ:

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে সড়ক দুর্ঘটনার কারণগুলো হচ্ছে— বেপরোয়া গতি; বিপজ্জনক অভারটেকিং; সড়কের নির্মাণ ত্রুটি; ফিটনেসবিহীন যানবাহন; চালক, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা; চালকের অদক্ষতা ও ট্রাফিক আইন সংক্রান্ত অজ্ঞতা; পরিবহন চালক ও মালিকের বেপরোয়া মনোভাব; চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেড ফোন ব্যবহার; মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো; অরক্ষিত রেলক্রসিং; রাস্তায় ফুটপাত না থাকা বা ফুটপাত বেদখলে থাকা; ট্রাফিক আইন প্রয়োগে দুর্নীতি; ট্রাফিক আইন অমান্য করা; রোড মার্কিং না থাকা।

এছাড়া সড়কে চাঁদাবাজি; রাস্তার ওপর হাট-বাজার; মালিকের অতিরিক্ত মুনাফার মানসিকতা; চালকের নিয়োগ ও কর্মঘণ্টা সুনির্দিষ্ট না থাকা; সড়কে আলোকসজ্জা না থাকা; রোড ডিভাইডার পর্যাপ্ত উঁচু না থাকা; সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর দায়িত্বরত প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহি না থাকা এবং দেশব্যাপী নিরাপদ, আধুনিক ও স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থার পরিবর্তে টুকটুকি-ইজিবাইক-ব্যাটারিচালিত রিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা নির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হওয়ার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানী ভয়াবহভাবে বাড়ছে।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ:

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশগুলো হচ্ছে- মানুষের জীবন রক্ষায় সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা; দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করা; সড়ক নিরাপত্তায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক নিরাপত্তা উইং চালু করা। সড়ক নিরাপত্তায় ইতোমধ্যে প্রণীত যাবতীয় সুপারিশমালা বাস্তবায়নে নানামুখী কার্যক্রম শুরু করা; দেশের সড়ক-মহাসড়কে রোড সাইন, রোড মার্কিং (ট্রাফিক চিহ্ন) স্থাপন করা। জেব্রা ক্রসিং অংকন ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা; গণপরিবহন চালকদের অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা; সড়ক পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

এছাড়া সুপারিশে রয়েছে-অনিয়ম-দুর্নীতি ও সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা; গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতি উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকায়ন করা; সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক সহায়তা তহবিলে আবেদনের সময়সীমা ৬ মাস বৃদ্ধি করা; স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী পর্যাপ্ত মানসম্মত নতুন বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া; ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি গড়ে তোলা; সড়কের মিডিয়ানে উল্টো পথের আলো এবং পথচারীর পারাপার রোধে মহাসড়কের রোড ডিভাইডার পর্যাপ্ত উঁচু করা এবং গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণসহ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে ভুক্তভোগীদের পক্ষে যাত্রী সাধারণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার বদল হলেও পরিবহনের কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন আসেনি। চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে কেবল, ফিটনেসহীন যানবাহন সড়কে চলছে, আইনের অপপ্রয়োগ চলছে, বিআরটিএ রাজস্ব আদায়ে ব্যস্ত, ট্রাফিক বিভাগ জরিমানা আদায়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত, দুর্ঘটনা সংঘঠিত হওয়ার যাবতীয় উপাদান সড়কে বিছিয়ে রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কেবল সভা-সমাবেশে, বক্তব্য-বিবৃতি আর পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

সংবাদ সম্মেলন আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, সমাজ উন্নয়ন কর্মী আবদুল্লাহ আল-জহির স্বপন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্য মো. জিয়াউল হক চৌধুরী।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে দেশব্যাপী জনসংযোগ শুরু ৬ জানুয়ারি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ, সেক্রেটারি মাজহারুল
২০২৪ সালে সড়কে ঝরেছে ৮ হাজার ৫৪৩ প্রাণ, আহত ১২৬০৮
‘এটাই লিভারপুলে শেষ মৌসুম’, সালাহর ঘোষণা
এখনও বিয়ে হয়নি, বললেন তাহসান
ইসলামের আলোকেই সংসদ ও দেশ সাজাবো: আজহারী
নতুন বিতর্কে টিউলিপ, বিনামূল্যে আ.লীগের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে বসবাস!
প্রশিক্ষণ নিতে ভারত যাচ্ছেন ৫০ বিচারক
বাংলাদেশ চা বোর্ডে একাধিক পদে চাকরির সুযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয়ার বিষয়ে সর্বশেষ যা জানালো ভারত
ভিনির লাল কার্ড আর বেলিংহামের পেনাল্টি মিস, তবুও জিতল রিয়াল
অবশেষে ‘চাঁদের আলো’ খুঁজে পেয়েছেন তাহসান, পাত্রী কে?
পঞ্চগড়ে বইছে মৃদু শৈতপ্রবাহ, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ
এবার প্রশিক্ষণরত ২২ কনস্টেবলকে অব্যাহতি
বেনাপোল বন্দর থেকে বিপুল পরিমাণ সার্জিক্যাল ও ঔষধ সামগ্রী জব্দ
ঢালিউডের প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা অঞ্জনা আর নেই
গাবতলীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের টানা তৃতীয় হার
সাকিবকে ফেরাতে শেষ চেষ্টা করবে বিসিবি