বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সরকার ভেতরে ভেতরে শূন্য হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের প্রথম ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন বিদ্যুৎ, কয়দিন পর দেখবেন জ্বালানি তেল রিজার্ভ শূন্য হচ্ছে। আকাশচুম্বী হয়ে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। এখন আর দফা-টফা নেই এখন এক দফা এক দাবি এ সরকারের পদত্যাগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, 'পরিষ্কার কথা এ মুহূর্তে পদত্যাগ করুন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে এ সংসদকে বাতিল করতে হবে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন করে জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেন।'

'এ সরকার মুখে বড় বড় কথা বলে, অনবরত মিথ্যা কথা বলে, মানুষকে প্রতারণা করে বোকা বানিয়ে রাখে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তারা শূন্য হয়ে গেছে, একেবারে ফোকলা অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। কারণ এ অনির্বাচিত অবৈধ সরকার আওয়ামী লীগের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে লুটপাট ও দুর্নীতি'- যোগ করেন বিএনপিরেএ নেতা।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিদ্যুতের লোডশেডিং ও জ্বালানি খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দলের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আর সময় নেই। এখন সবাইকে জেগে উঠতে হবে। এই ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী ভয়ংকর দুর্নীতিবাজ সরকারকে একটা ধাক্কা দিতে হবে। মনে রাখতে হবে সেই বিখ্যাত উক্তি ‘দড়ি ধরে মারো টান রাজা হবে খানখান’। সেই লক্ষ্যে অগ্রসর হতে হবে, মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে এবং মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এ ভয়াবহ এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।”

সরকার পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই এদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না, সময় দেওয়া যাবে না। এরা যত বেশিক্ষণ সময় থাকবে, থাকলেই বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলবে।'

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে দেশে কোনো ঘাটতি নেই- ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, 'ঘাটতি নেই তাহলে লোডশেডিং কেন? ঘাটতি নেই তাহলে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই কেন? কেন আজকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশে এখন অশনি সংকেত। এ আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতি করে চুরি করে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের সর্বনাশ করে দিয়েছে।'

অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'কয়েকদিন আগে তিনি বললেন আমরা আইএমএফ এর কাছ থেকে টাকা নেব না। আমরা অর্থনৈতিকভাবে এখনো শক্তিমান। অথচ গতকাল দেখতে পেলাম সাড়ে ৪০০ মিলিয়ন ডলার তারা চেয়েছেন।'

সভা সমাবেশে বাধা দেওয়া হবে না- সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, 'ঢাকা শহরে একটি সভা করার মতো জায়গা তারা দেয় না। ঢাকা মহানগর উত্তর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার জায়গা চেয়েছিলেন কিন্তু সেখানে ও তাদের জায়গা দেওয়া হয়নি। মুখে বলবেন এক কথা কাজে করবেন আরেকটা। গণতন্ত্রের অবশিষ্ট কোনো কিছু রাখা হয়নি। এখানে জনগণের কোনো অধিকার নেই, রাজনৈতিক দলগুলোকে সভা সমাবেশ করতে সুযোগ দেওয়া হয় না। সত্য কথা বললে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়। সাংবাদিকরা লিখলে তাকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে কারাগারে পাঠানো হয়।'

এসএন

Header Ad
Header Ad

সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাসহ সারাদেশে চলমান বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া এই অভিযানের পাশাপাশি অন্যান্য অভিযানে মোট ১ হাজার ৬৫৭ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে ৭৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য অভিযানে আরও ৯১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক অস্ত্র উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি শুটার গান, একটি কার্তুজ ও দুটি ধারালো অস্ত্র (চাকু)।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই হামলায় নেতৃত্ব দেয় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। ওই হামলায় বহু মানুষ হতাহত হন, যার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

এই ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। দেশব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নামে বিশেষ অভিযান শুরু হয়।

অভিযানটি শুরু হওয়ার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রোধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এই অভিযানের ফলে সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Header Ad
Header Ad

বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত

ছবি: সংগৃহীত

বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। দুই দলেরই ইতোমধ্যে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, এবং আজ তাদের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামার কথা ছিল। তবে রাওয়ালপিন্ডিতে তুমুল বর্ষণের কারণে ম্যাচটি আর অনুষ্ঠিত হয়নি।

রাওয়াওলপিন্ডিতে আজ হচ্ছে তুমুল বর্ষণ। বৃষ্টির কারণেই ম্যান ইন গ্রিনদের বিপক্ষে টাইগারদের ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় রাওয়ালপিন্ডিতে মাঠে নামার কথা ছিল রিজওয়ান-শান্তদের।

তবে বাদ পড়া এই দুই দলের ম্যাচে শেষ কথা বলেছে বৃষ্টি। বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির সঙ্গে তাপমাত্রা কমেছে। আকাশ ঢাকা ছিল ঘন মেঘে। বৃষ্টি না কমার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে ম্যাচ তো শুরু করা যায়ই নি, এমনকি টসও হয়নি।

রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় টস হওয়ার কথা ছিল। খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল বিকেল ৩টায়। তবে বৃষ্টির কারণে প্রথমে টস এবং খেলা শুরু সময় পেছানো হয়েছিল।

কিন্তু বেরসিক বৃষ্টি আর আজ থামার নাম নেয়নি। এ কারণে অপেক্ষা করেও ম্যাচ শুরু করা গেলো না। বৃষ্টির কারণে তাই ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাগতিক পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের কাছে হেরে আসর থেকে ছিটকে পড়ে। বাংলাদেশও ঠিক একই প্রতিপক্ষের কাছে হেরেই বাদ পড়েছে এবারের আসর থেকে।

আজ দুই দলেরই তৃতীয় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মিশন শেষ করলো জয় ছাড়াই। ম্যাচ না হওয়ায় দুই দলই পয়েন্ট ভাগাচাগি করেছে।

Header Ad
Header Ad

বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা

শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ৯ মার্চ থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের লে-অফ হওয়া প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ কার্যক্রম শুরু হবে। এ পরিশোধে সরকারকে ব্যয় করতে হবে ৫২৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে তিনি জানান, আগামীকাল শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বেক্সিমকো শিল্প পার্কের ১৪টি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হবে।

শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ৩২৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কেন্দ্রীয় তহবিলের বিভিন্ন হিসাব থেকে আরও ২০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। বেক্সিমকো গ্রুপের পাওনাদারদের মধ্যে শ্রমিক রয়েছেন ৩১ হাজার ৬৭৯ জন এবং কর্মচারী ১ হাজার ৫৬৫ জন।

বেক্সিমকো শিল্প পার্কের প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির নেতৃত্ব দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। ছয় সদস্যের এই কমিটিতে আরও থাকবেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ ব্যাংক ও অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি বেক্সিমকো লিমিটেডের রিসিভারও থাকবেন। কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে কাজ করবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান।

শ্রম উপদেষ্টা আরও জানান, ৯ মার্চ থেকে বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রমিক ও কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া, ২০০৮-২০২৪ সালের মধ্যে জনতা ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো শিল্প পার্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঋণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা, ব্যাংকের বোর্ড সদস্যরা, কোম্পানি বোর্ডের সদস্যরা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া, ঋণ প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

বেক্সিমকো গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ১৩ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তাঁর ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এ সময় তাঁর ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও পুত্রবধূ শাজরেহ রহমানের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়।

প্রথমদিকে, বেক্সিমকো গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে শেয়ার বিক্রিতে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন
বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত
বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা
চা দোকানির ছেলে হলেন বিচারক
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল চালকের প্রাণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২৭১ পদে বিশাল নিয়োগ
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা
কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত