বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সংকটই সরকারকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে: ফখরুল

 

সীমাহীন দুর্নীতি ও কয়েকটি বিশেষ কোম্পানিকে সুবিধা দিতে গিয়ে দেশে বিদ্যুতের বেহাল দশা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘অনির্বাচিত সরকার বিদেশে টাকা পাচার করেছে, বাড়িঘর বানিয়েছে,তা দেশে কাজে আসছে না। এটা তো শুরু, এরপর দেখবেন অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এখন সরকারকে শর্ষে ফুল দেখতে হবে। জনগণ ফুঁসে উঠছে, ফুঁসে উঠবে এবং এই সরকারের পতন ঘটাবে।'

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও নির্বাচন কমিশন মনে করে দেশের মানুষ আহম্মক। অথচ গত ১০ বছর ধরে এটা প্রমাণিত যে, দলীয় সরকারের অধীনে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। অতীতে দায়িত্বশীল নির্বাচন কমিশনাররা চাকরি শেষে বলেছেন আর বর্তমান নির্বাচন কমিশনার এখনই বলছেন- বিএনপি নির্বাচনে না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।’

প্রশ্নটা তাহলে নির্বাচন কমিশনের কাছে নয়, সরকারের কাছে। যারা পরিকল্পিতভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করেছে এবং যারা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে তাদেরকেই আবার জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া সংকট উত্তরণের কোনো পথ নেই, যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘তারা (সরকার) টাকা চুরি করেছে, এই টাকা চুরির হিসাব তাদেরকে একদিন জনগণের আদালতে বিচারের সম্মুখীন হয়ে দিতেই হবে। সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে আগাম এবং স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। ভবিষ্যতে কী হতে পারে সেটা বিবেচনা রেখে অগ্রসর হতে হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থায়ী সমাধানে যেতে চাচ্ছে না।’ ‌

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুর্ভাগ্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ এতই ক্ষমতা সম্পন্ন যে তারা করোনাকেও নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে, এবং অর্থনীতির সকল সংকট সমস্যাও তারা সমাধান করে ফেলেছেন। পারেন না তারা এমন কোনো কাজ নেই। সেই বিশ্বাসে তারা যা খুশি তা করে গিয়েছেন এখন শুরু হয়েছে-সমস্যা সংকট। আর এই সমস্যা সংকটেই তাদেরকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে।’

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  

ছবিঃ সংগৃহীত

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ৬৪২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হিসেবে হামাসের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির এটিই একমাত্র পথ।

রয়টার্স জানায়, দুই দিন ধরে অচলাবস্থা চলার পর বুধবার মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তির প্রথম পর্বের অংশ হিসেবে শেষ চার ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধরে নিয়ে যাওয়া এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ৬২০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে।

হামাস সংশ্লিষ্ট প্রিজনার্স ইনফরমেশন অফিস জানিয়েছে, সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দী মুক্তির বিষয়টি একীভূত করা হয়েছে। ফলে একসঙ্গে মোট ৬৪২ জন বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে এসব বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন। হামাস এটিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তির ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেন, “সপ্তম ও অষ্টম ব্যাচের বন্দিদের মুক্তির মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের একটি অর্জন আমরা প্রত্যক্ষ করছি, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বন্দী মুক্তি।”

তিনি আরও বলেন, “হামাস যেকোনো বিনিময় চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।”

 

Header Ad
Header Ad

চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা

ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেত্রী শামীমা সীমাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন জনতা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরের চকবাজার থানার গোলপাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। তিনি বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. জ. ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী শামীমা সীমা নিষিদ্ধ ঘোষিত চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  

ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে ওজু করবেন, এমন মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে আমার বক্তব্যের একটি জায়গায় ‘তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন’ এই কথাটি মনের অজান্তে বলে ফেলি। আমার বক্তব্যে এই বাক্যটি উচ্চারণ করা মোটেও শোভন হয়নি।

এতে বলা হয়, আকস্মিকভাবে উচ্চারিত এ ধরনের বক্তব্যের জন্য দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে আঘাত হেনেছে। আমার এই বক্তব্যের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই। অজ্ঞতাবশত উল্লিখিত বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, কিছু অর্বাচীন নাবালক উপদেষ্টাদের বলতে শোনা যায়- জিয়াউর রহমানের বাবা নেতা হলে ছেলেরাও কি নেতা হবে নাকি? আমি সেসব অর্বাচীন নাবালক বাচ্চাদের বলতে চাই- বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসনের ছেলে। শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি হচ্ছেন তারেক রহমান। তার নামটি উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন। আপনাদের মতো নাবালক উপদেষ্টারা এই ধরনের কথা বলে দেশকে বিভক্ত করবেন না। তারেক রহমান বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছেন আড়াই বছর আগে। যদি কোনো সংস্কারের প্রয়োজন হয়, আপনাদের যদি কোনো উপদেশ থাকে তাহলে সংযোজন করবেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি ২৮০ সিটও পায় এককভাবে সরকার গঠন করবে না। যারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবো।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের