বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া

সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে এক বক্তৃতায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যকে (সেভেন সিস্টার্স) স্থলবেষ্টিত বলে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের জন্য সমুদ্রের অভিভাবক হিসেবে বর্ণনা করেন।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত সাতটি রাজ্য সম্পূর্ণরূপে স্থলবেষ্টিত। সমুদ্রের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। ফলে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রের একমাত্র প্রবেশদ্বার এবং অভিভাবক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।

তার এই মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক নেতা ও কূটনীতিকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে অনেক ভারতীয় রাজনীতিবিদ হতাশাজনক এবং নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।

ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, ড. ইউনূসের বক্তব্য ভারতের ‘চিকেনস নেক’ করিডোরের দুর্বলতা নিয়ে পাকিস্তান ও চীনের দীর্ঘদিনের প্রচারণাকে উসকে দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সংযোগ আরও জোরদার করতে শক্তিশালী রেল ও সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

ত্রিপুরার আদিবাসী দল টিপ্রা মোথার নেতা প্রদ্যোত মানিক্য বলেন, ‘১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম ভারতের অংশ হলে আজ এ সমস্যা হতো না। আমাদের বাংলাদেশের পরিবর্তে নিজস্ব সমুদ্রবন্দর প্রয়োজন।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ভারতের সমুদ্র প্রবেশাধিকার নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতোমধ্যেই চুক্তি রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্য অত্যন্ত হতাশাজনক এবং তিনি এ ধরনের মন্তব্য করার অধিকার রাখেন না।’

ড. ইউনূসের বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন একাধিক কংগ্রেস নেতা। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা পবন খেরা মন্তব্য করেছেন, ‘বাংলাদেশের এ ধরনের অবস্থান উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।’

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কিশোর চুরিসহ নানান অপকর্মে জড়িত বলে জানায় পুলিশ।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক।

এর আগে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে মিঠাপুকুর উপজেলার ৯ নম্বর ময়েনপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারে সদস্যরা ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টাকারী অভিযুক্ত কিশোর (১৫) জাকিরুল ইসলাম সম্পর্কে শিশুটির দাদা হন। ঘটনার আগে শিশুটির মা সহ অভিযুক্ত কিশোর এবং এক প্রতিবেশী নারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় বসে গল্প করছিল। গল্প শেষে শিশুটির মা বাড়ি ফিরে যান। তবে শিশুটি বাড়ি ফিরে না আসায় মা তাকে খুঁজতে থাকেন।

পরে অভিযুক্ত ওই কিশোরের বাড়ি থেকে শিশুটির চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়। এ সময় শিশুটির মা সেখানে গিয়ে দেখেন ওই কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে এবং ছেলেটির পরনে কাপড় নেই। পরে শিশুটির মা স্থানীয়দের জানালে ওই কিশোরকে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল ৪টার দিয়ে ওই কিশোরকে মিঠাপুকুর থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর জাকিরুল ইসলাম শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘অভিযুক্ত কিশোর জাকিরুল ইসলাম কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে আইনি ব্যবস্থা শেষে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোসহ দুই দফা দাবিতে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে জাতীয় শহীদ মিনারের সামনে শুরু হয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড পর্যন্ত এলাকায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই আন্দোলন। অন্য জেলার শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনে অংশ নেবেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবি না মানা হলে তারা পরীক্ষায় অংশ নেবে না।

শিক্ষার্থীদের দুই দফা দাবি:

১. এসএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানো
২. প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে ৩-৪ দিন বিরতি দেওয়া

পরীক্ষার্থীদের মতে, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগও কম ছিল। তাই এক মাস সময় পেলে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

এছাড়া, প্রচণ্ড গরমে একটানা পরীক্ষা দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, অনেক পরীক্ষাকেন্দ্র শিক্ষার্থীদের বাসা থেকে দূরে অবস্থিত। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রামের জন্য প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে অন্তত তিন থেকে চার দিনের বিরতি প্রয়োজন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!