মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫ | ১৮ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নির্বাচনে থাকছেনা পোস্টার, প্রার্থীর প্রচারে থাকবে কাপড়ের ব্যানার

ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা বদলে যাচ্ছে। প্রার্থীর প্রচারে পোস্টার ব্যবহার বাতিল করে শুধু কাপড়ের ব্যানার বহাল রাখা হচ্ছে। আচরণবিধিতে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার।

প্রস্তাবিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর খসড়ায় এসব বিধান রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আগামী সংসদ নির্বাচন নতুন আচরণবিধিতে করতে চায় ইসি।

খসড়া অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার আচরণবিধিতে যুক্ত হলে ডিজিটাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের অনলাইন প্রচার বন্ধ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে মানহানিকর প্রচার করলে ডিজিটাল বা সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় শাস্তি হবে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি সীমানা পুনর্নির্ধারণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন প্রস্তুতি, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত ও তদারকি এবং উপকারভোগী পর্যায়ে আলোচনাবিষয়ক কমিটি প্রস্তাবিত খসড়া নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার আচরণ বিধিমালায় যুক্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, খসড়া আচরণ বিধিমালার নির্বাচনী প্রচারের অংশে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক বরাদ্দের আগে গণসংযোগ এবং ডিজিটাল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার ছাড়া অন্য কোনো প্রকার প্রচার শুরু করতে পারবেন না। ডিজিটাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা তাঁর এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি প্রচার শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। ডিজিটাল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি, কোনো ধরনের তিক্ত বা উসকানিমূলক বা মানহানিকর কিংবা লৈঙ্গিক, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়া, কনটেন্ট বানানো বা প্রচার করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে বিধি লঙ্ঘন করলে ডিজিটাল বা সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় শাস্তি হবে।

জানা যায়, খসড়া আচরণ বিধিমালায় সরকারি সুবিধাভোগী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকায় উপদেষ্টা ও তাঁদের সমমর্যাদার ব্যক্তিদের যুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী ও তাঁদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসহ সমপর্যায়ের ব্যক্তি। ফলে তাঁরা নির্বাচনের সময় সরকারি বা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অনুকূলে অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবেন না। সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচনী কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে পারবেন না।

আচরণ বিধিমালার খসড়ায় জাতীয় সংসদ ভেঙে যাওয়ার আগে ও পরের সময়কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। খসড়ায় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন থেকে তফসিল পর্যন্ত সময়কে ‘নির্বাচন-পূর্ব সময়’; তফসিল ঘোষণা থেকে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের সময়কে ‘নির্বাচনকালীন সময়’ এবং ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময়কে ‘নির্বাচন-পরবর্তী সময়’ উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৮ সালে আচরণ বিধিমালা তৈরির সময় সংসদ ভেঙে যাওয়া থেকে নির্বাচনের পরবর্তী সময় পর্যন্ত পুরোটাকেই ‘নির্বাচন-পূর্ব সময়’ গণ্য করা হয়েছিল। তখন এই পুরো সময়েই আচরণ বিধিমালা কার্যকর থাকার বিধান ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে সংবিধান সংশোধনের পর তৎকালীন ইসি নির্বাচন-পূর্ব সময়ের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনে। প্রস্তাবিত খসড়া আচরণ বিধিমালায় আগের নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে।

খসড়ায় প্রচারে পোস্টার বাতিল করে ব্যানার শব্দ রাখা হয়েছে। ব্যানারের অর্থ বোঝানো হয়েছে কাপড়ের তৈরি প্রচারপত্র। প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার হবে সাদা-কালো ও আয়তন হবে অনধিক ৩ মিটার গুণ ১ মিটার। এতে শুধু প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করা যাবে। তবে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হলে এর সঙ্গে দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করা যাবে। ব্যানারে কোনো অনুষ্ঠান, জনসভায় নেতৃত্বদান, প্রার্থনারত অবস্থার ছবি ব্যবহার করা যাবে না। প্রচারে লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করা যাবে। তবে এসব প্রচারপত্রে পলিথিনের আবরণ বা প্লাস্টিক ব্যানার (পিবিসি ব্যানার) লেমিনেটিং ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারে কোনো প্রকার স্থায়ী বা অস্থায়ী বিলবোর্ড ভূমি বা অন্য কোনো কাঠামো বা বৃক্ষ ইত্যাদিতে স্থাপন বা ব্যবহার করা যাবে না।

জনসভার দিন, সময় ও স্থানের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ন্যূনতম ৭২ ঘণ্টা আগে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। জনসভার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানাতে হবে। আগের আচরণবিধিতে শুধু ৪৮ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে জানানোর নিয়ম ছিল।

খসড়া আচরণ বিধিমালায় আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের জন্য প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত হয়েছে। আরপিওতে এই ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে। মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে শব্দের মান ৬০ ডেসিবেল রাখার এবং বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিধান রাখা হয়েছে খসড়ায়। প্রার্থীকে প্রতি সাত দিন পর পর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারা ইসলাম সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালায় কিছু সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। আচরণ বিধিমালা সংশোধন নিয়ে কাজ চলছে।

 

Header Ad
Header Ad

দ্বিতীয় দফায় মিয়ানমারে ত্রাণ সহায়তা পাঠালো বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্বিতীয় দফায় ত্রাণ ও জরুরি ওষুধ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (বিএ) এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) তিনটি পরিবহন বিমানের মাধ্যমে এ সহায়তা পাঠানো হয়।

মিশনে তিনটি বাহিনীর উদ্ধার বিশেষজ্ঞ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি), সেনাবাহিনীর ডাক্তার এবং বেসামরিক ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি উদ্ধার ও চিকিৎসা দল রয়েছে। উদ্ধারকারী ও চিকিৎসকদের মোট সংখ্যা ৫৫ জন, এবং বিমানের সাথে অতিরিক্ত ৩৭ জন ক্রু সদস্যও পাঠানো হয়েছে। দলটি তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন রেশন, স্বাস্থ্যবিধি সুবিধা, যোগাযোগ সরঞ্জাম, রান্নার সরঞ্জাম ইত্যাদি বহন করছে।

এছাড়া, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আট টন শুকনো খাবার, আড়াই টন পানি, চার টন ওষুধ, এক টন স্বাস্থ্যবিধি পণ্য এবং ১.৫ টন ত্রাণ তাঁবু পাঠানো হয়েছে। এর আগে, রোববার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে প্রথম ত্রাণ মিশন পাঠানো হয়েছিল, যাতে ছিল ওষুধ, তাঁবু, শুকনো খাবার এবং চিকিৎসা দল।

Header Ad
Header Ad

ভারতে প্রশিক্ষণ প্লেন বিধ্বস্ত, পাইলট আহত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের গুজরাট রাজ্যের মেহসানা শহরের কাছাকাছি উচারপি গ্রামে একটি বেসরকারি উড়ান প্রশিক্ষণ একাডেমির প্রশিক্ষণ প্লেন বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, তবে প্লেনটির নারী প্রশিক্ষণার্থী পাইলট সামান্য আহত হয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্লেনটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে। মেহসানা তালুকা থানার পরিদর্শক ডি.জি. বাদভা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মেহসানা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার পর প্লেনটি উচারপি গ্রামে একটি খোলা মাঠে বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পর আহত নারী পাইলটকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এবং তার চিকিৎসা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Header Ad
Header Ad

এপ্রিলে ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধি দল

ছবি: সংগৃহীত

চলমান ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ আইএমএফ থেকে ২৩৯ কোটি ডলার কিস্তি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এই অর্থছাড়ের আগে শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রতিনিধি দল চলতি এপ্রিল মাসে ঢাকায় আসবে। এই সফরের মাধ্যমে তারা ঋণের চতুর্থ এবং পঞ্চম কিস্তির অর্থ ছাড়ের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আইএমএফের প্রতিনিধি দল আগামী ৫ এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছাবে। তারা ৬ এপ্রিল থেকে শুরু করে টানা দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করবে। সফরকালে আইএমএফের দলটি অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবে। বৈঠক শেষে ১৭ এপ্রিল একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। আইএমএফের দলটি ৬ এবং ১৭ এপ্রিল অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে।

২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ঋণ কর্মসূচি শুরু করে। এরপর তিনটি কিস্তির অর্থ ইতোমধ্যে পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পেয়েছিল বাংলাদেশ, পরবর্তীতে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এবং তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার ২০২৪ সালের জুনে পেয়েছে। মোট ২৩১ কোটি ডলার বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পেয়েছে। এখন চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির ২৩৯ কোটি ডলার বাকি রয়েছে। সরকারের আশা, আগামী জুন মাসে দুটি কিস্তির অর্থ একসঙ্গে ছাড় হবে।

অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইআরএফের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাজেট সহায়তা হিসেবে আইএমএফ ঋণ প্রয়োজন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং আইএমএফ যৌথভাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত দুটি কিস্তি একসঙ্গে ছাড়ের বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

তবে আইএমএফের ঋণের দুটি কিস্তির অর্থ একসঙ্গে ছাড়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে তিনটি মূল বাধা রয়েছে। এসব বাধা হলো: মুদ্রা বিনিময় হারকে বাজারভিত্তিক করা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ০.৫ শতাংশ বাড়তি রাজস্ব আদায় এবং এনবিআরের রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করা।

বাংলাদেশ পক্ষ থেকে আইএমএফকে জানানো হয়েছে যে, শিগগিরই এসব শর্ত বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করার পদক্ষেপ ছাড়া বাকি দুটির বিষয়ে বিশেষ অগ্রগতি দেখা যায়নি।

বর্তমানে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে মুদ্রা বিনিময় হার নির্ধারণ করা হচ্ছে, যার ফলে ডলারের দাম খুব বেশি বাড়ানোর সুযোগ নেই। এই পদ্ধতিতে ডলারের দাম বর্তমানে ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দ্বিতীয় দফায় মিয়ানমারে ত্রাণ সহায়তা পাঠালো বাংলাদেশ
ভারতে প্রশিক্ষণ প্লেন বিধ্বস্ত, পাইলট আহত
এপ্রিলে ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধি দল
জাপানে মেগা ভূমিকম্পের শঙ্কা, প্রাণহানি হতে পারে ৩ লাখ
জুলাই কন্যাদের সম্মানজনক পুরস্কার নিয়ে যা জানাল যুক্তরাষ্ট্র
দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা
শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপনে সেনাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল
রাজধানীতে মেট্রোরেল ও সারা দেশে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু
যমুনা সেতু দিয়ে একসপ্তাহে ২ লাখ ৪৭ হাজার যানবাহন পারাপার, ১৭ কোটি টাকার টোল আদায়
ঈদের দিনে সড়কে মৃত্যুর মিছিল: ১০ জেলায় নিহত ২১
টঙ্গিবাড়ীতে ঈদের দিনে ১০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি, উপকৃত ৪২০ পরিবার
ঈদের দিনেও তাপপ্রবাহ অব্যাহত, এক বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
যশোরের শার্শা সীমান্তে যুবকের লাশ উদ্ধার, আটক ১
চীনে বিশাল তেলক্ষেত্র আবিষ্কার, মজুদ ১০ কোটি টনের বেশি
রাজধানীতে সুলতানি আমলের আদলে ঈদ আনন্দ মিছিল
গাজীপুরে বাসচাপায় শিশুসহ দুই যাত্রী নিহত, আহত ৪
টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল জামাত অনুষ্ঠিত
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানে বোমা হামলা ও নিষেধাজ্ঞা
লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত