রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫ | ১৬ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, কাল মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক

নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশটিতে নতুন সরকার গঠনের পর এটিই কোনো বিদেশি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীদের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, শুক্রবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র ও পরিবেশবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

এর আগে শুক্রবার দুপুর ২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব এমএম ইমরুল কায়েস জানান, গুরুত্বপূর্ণ এ দ্বিপক্ষীয় সফর উপলক্ষ্যে ২১ থেকে ২২ জুন ভারতে অবস্থান করবেন বাংলাদেশ সরকারপ্রধান।

জানা গেছে, এ সফরে দুদেশের চমৎকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও এগিয়ে নেওয়ার বার্তা থাকবে। সফরে গুরুত্ব পাবে অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি। পাশাপাশি আলোচনায় থাকবে ঋণ সহায়তা, সীমান্ত হত্যা ও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির মতো অমীমাংসিত ইস্যুগুলো।

সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। এ ছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

সফরের শুরুতে আজ (২১ জুন) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। পরদিন (শনিবার) প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অর্ভ্যথনা জানাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। এরপর হায়দরাবাদ হাউজে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী তাদের বিবৃতি দেবেন।

সফরের শেষ দিন (শনিবার) বিকালে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী। রাত ৯টায় ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে তার।

Header Ad
Header Ad

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মিয়ানমারে উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মিয়ানমারে উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হয়েছে মিয়ানমার। ৭.৭ মাত্রার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জান্তা সরকারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬৪৪ জনে, আহত হয়েছেন ৩,৪০৮ জন এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১৩৯ জন।

দুর্যোগ মোকাবিলায় মিয়ানমারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি উদ্ধারকারী দল বিশেষ বিমানে আগামীকাল রোববার মিয়ানমারে যাবে। তারা উদ্ধার অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ওষুধ, ত্রাণসামগ্রী ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করবে।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) ভয়াবহ এই ভূমিকম্পটি মিয়ানমারের মান্দালয় শহর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন হয়। এতে সাগাইং, মান্দালয় ও রাজধানী নেইপিদোসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সাগাইং অঞ্চলে শত বছরের পুরোনো একটি সেতু ধসে পড়েছে এবং বহু ভবন ও মসজিদ বিধ্বস্ত হয়েছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় রেডিও ও টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির রাজ্য প্রশাসন পরিষদের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং শনিবার সকালে হেলিকপ্টারে করে মান্দালয় পরিদর্শনে যান। এর আগে শুক্রবার তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন।

ভূমিকম্পের পর মিয়ানমারের ছয়টি অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সামরিক সরকার উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তবে তথ্য প্রবাহের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকৃত পরিস্থিতি নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের এই দুর্যোগে সহানুভূতি প্রকাশ করেছে এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা সহায়তা প্রদানের আগ্রহ দেখিয়েছে। জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ইমরান খান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান । ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। শনিবার (২৯ মার্চ) পাকিস্তান ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স (পিডব্লিউএ)-এর সদস্যরা এই মনোনয়নের ঘোষণা দেন।

পিডব্লিউএ হলো একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নরওয়েজিয়ান রাজনৈতিক দল পার্টিয়েট সেন্ট্রামের সঙ্গে যুক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পার্টিয়েট সেন্ট্রামের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, মনোনীত করার অধিকারী এমন একজনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আমরা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছি। মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার নিরলস প্রচেষ্টা এই মনোনয়নের মূল কারণ।’

এর আগেও, ২০১৯ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য ইমরান খানকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।

প্রতি বছর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের শত শত মনোনয়ন পেয়ে থাকে। এরপর দীর্ঘ আট মাসের কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে কারাবন্দী। ২০২৩ সালে গ্রেপ্তার হওয়া ইমরান খান চলতি বছরের জানুয়ারিতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির একটি মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এর আগে, ২০২২ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব হারান।

Header Ad
Header Ad

চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

চারদিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

চারদিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (২৯ মার্চ) রাত ৮টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রধান প্রোটোকল কর্মকর্তা হং লেই তাকে বিদায় জানান।

এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল হাইনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত দ্য বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (BFA) বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখা। সফরের সময় প্রধান উপদেষ্টা চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় চীনের শক্ত অবস্থানের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ড. ইউনূস। তিনি এক চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পে বেইজিংয়ের আগ্রহকে স্বাগত জানান।

অপরদিকে, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সমর্থন কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা, এবং চীনা প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

এই সফরে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। চীন বাংলাদেশকে ২১০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ-ঋণ এবং অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া, চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আমন্ত্রণ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মিয়ানমারে উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ইমরান খান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল সৌদিতে ঈদ
ভারত-পাকিস্তানে ঈদের তারিখ ঘোষণার পর বাংলাদেশের বিষয়ে যা জানা গেল
দুপচাঁচিয়ায় শহীদ যুবদল নেতার পরিবারকে তারেক রহমানের ঈদ উপহার
ভারত, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় ঈদের তারিখ ঘোষণা
সৌদি আরব ঈদের তারিখ ঘোষণা করবে রাত ৯টার পর
রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন মির্জা ফখরুল
কারাবন্দিদের জন্য ঈদের বিশেষ আয়োজনে থাকছে ভালো খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
চীনের সঙ্গে চট্টগ্রামের সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ
পদ্মা সেতুতে এক দিনে সোয়া ৪ কোটি টাকা টোল আদায়
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনা নিয়ে পুতিনের সতর্কবার্তা
অস্ট্রেলিয়ায় ঈদ আগামী ৩১ মার্চ  
বাংলাদেশেও বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা, ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ সতর্কবার্তা
মেট্রোরেলে নেই চিরচেনা ভিড়, বন্ধ থাকবে ঈদের দিন
নাটোর ডিসি বাংলোর বাঁশবাগান থেকে শতাধিক সিলমারা ব্যালট উদ্ধার
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
ঈদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে পুলিশ-বিজিবি-আনসার : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৪০ জেলা