বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

জীবনের শেষ প্রান্তে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন করব: সিইসি

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ইতিবাচক কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধান নির্বাচন কশিনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘আমাদের হারানোর কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা এখন আমাদের কারও নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আসলে পাওয়ারও কিছু নেই। এখান থেকে যদি জীবনের শেষ প্রান্তে আমরা কিছু ইতিবাচক কিছু করতে পারি; আপনারা যে পরামর্শ দিয়েছেন সেই পরামর্শের আলোকে এবং পরামর্শগুলো বিবেচনায় নিয়ে সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচনটাকে যদি অবাধ ও সুষ্ঠ করা যায় তাহলে সেটা একটা সফলতা হতে পারে।’

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের সম্মেলন কক্ষে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সংলাপে একথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এ সময় অন্য চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

মোট ৩৯ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সংলাপে অংশগ্রহণ উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১৯ জন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আজকের আয়োজন হয়েছিল দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে আমরা তাদের মতামত, পরামর্শ, উপদেশ শুনব। আলোচনা যথেষ্ট ফলপ্রসু হয়েছে, সবাই কথা বলেছেন। আপনাদের পরামর্শগুলো আমরা নিজেদের মধ্যে পর্যালোচনা করব। পর্যালোচনা করে প্রসিডিং আকারে তৈরি হবে। আর দেখব ভবিষতে কিভাবে এই পরামর্শগুলো কাজে লাগাতে পারি। তাৎক্ষণিকভাবে হয়তো নিতে পারি না। পরামর্শগুলো নিজেদের মধ্যে পর্যালোচনা করে এখান থেকে যদি নতুন কিছু সংযোজন করতে পারি আমাদের কর্মপদ্ধিতে বা ওয়ার্কপ্ল্যান তাতে করে যদি নির্বাচনটা আরও অধিক স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য অবাধ হতে পারে, তাহলে আমাদের সাফলতা আসবে।’

বুদ্ধিজীবীদের আলোচনা ধরে সিইসি বলেন, ‘ভোটে সহিংসতা হলে ভোটাররা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কোথাও সহিংসতা হলে ওখানে ভোট দিতে পারেন না। আপনারাও বলেছেন সহিংসতা যেন প্রতিরোধ করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের ভোটাররা যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোটাধিকার প্রয়োগে বিভিন্ন বাধা আসতে পারে। কেউ বলেছেন পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। হ্যাঁ ওরকম হলেও নির্বাচনটা গ্রহণযোগ্য হয় না। একটা অসম প্রতিযোগিতা হয়ে যায়।’

বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার প্রস্তাব আসায় সিইসি বলেন, ‘যারা ঘোষনা দিয়েছেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না, কিন্তু তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোটা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কি করে আস্থায় আনা যায়। ভদ্রভাবে চা খাওয়ার কথা বলে তাদের কিছুটা পরিবর্তন করা যায় কি না সে বিষেয় আমাদের চেষ্টার কমতি থাকবে না।’

বিশিষ্টজনের ইসিকে সাহসি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এটা সত্য কথা আমরা যদি সাহস হারিয়ে ফেলি তাহলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। সাহসের পেছনে সততা থাকতে হবে, একাগ্রতা থাকতে হবে। আসলেই আমাদের হারানোর কিছু নাই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমাদের কারো নেই। আসলে আমাদের পাওয়ারও কিছু নাই।’

সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচনটা যদি অবাধ ও সুষ্ঠ করা যায় তাহলে সেটা আমাদের সফলতা হতে পারে। শতভাগ সফলতা হয়তো হয় না, হবে না কখনো। কেউ কেউ বলেছেন যদি ৬০ শতাংশও গ্রহণযোগ্য হয় তাহলেও বড় সফলতা। বিগত কমিশনের কারণে অনেকে বলেছেন ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।’

ইভিএম নিয়ে টেনিক্যাল কমিটির পরামর্শ নেওয়ার দাবি উঠলে সিইসি বলেন, ‘ইভিএম একটা যন্ত্র, এটার ভেতর কোনো অসুবিধা আছে কি না সেটা দেখা হবে। অনেকে বলেছেন পৃথিবীর অনেক দেশ ইভিএম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে, কেন নিচ্ছে সেগুলো গবেষণা করে দেখা হবে। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে বিষয়টা ভালোভাবে বুঝব।’

নির্বাচনে প্লাস্টিক পোস্টার ব্যানার ব্যবহার বন্ধের দাবি করেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের সেই জবাবে সিইসি বলেন, ‘লাখ লাখ কোটি টাকা ব্যবহার করা হয় ব্যানার ফেস্টুনে। এগলো খুব যে প্রয়োজন তা না, তবে অর্থ ব্যয় হয় ভালো। আরও আধুনিক কি করা যায় সে বিষয়ে আমরা দেখব।’

নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে বলেন, ‘অবশ্যিই ধর্ম যেন নির্বাচনে উপজীব্য হয়ে না ওঠে। আমরা অবশ্যই গুরুত্বসহকারে বিষয়টা দেখবে। ভোটের আগে পরে ভোটারের নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন সিইসি।

তিনি বলেন, ‘আইনের কোনো অভাব নেই, কিন্তু এনফোর্সমেন্টের দিকটাতে ঘাটতি আছে। সেই জিনিস যেন আরও ভালোভাবে করতে পারি সেটাই চেষ্টা করব।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘নির্বাচনে লেবেল প্লেইং ফিল্ড এটা খুব কষ্ঠ সাধ্য একটা কাজ। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে। তবে কমিশন এককভাভে এটা পারবেন না। সকলে এসে যদি সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত না করেন তাহলে তাহলে ইসির পক্ষে এককভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব না। তবে আমরা আস্বস্থ করছি আমরা চেষ্টা করব। আপনারাও সহযোগিতা করবেন।’

২৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ত্রয়োদশ সিইসি হিসেবে দায়িত্ব নেন হাবিবুল আউয়াল, যার নেতৃত্বে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সংলাপে অংশগ্রহণ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস, সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান; লিডারশিপ স্টাডিজ ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান ড. সিনহা এম এ সাঈদ, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক সচিব আব্দুল লতিফ মন্ডল; সাবেক গভর্ণর ড. মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, নিজেরা করি’র কো-অর্ডিনেটর খুশী কবির, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, বাংলাদেশ ইনডিজিনিয়াস পিপলস ফোরাম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং ও সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজ (সিইউএস) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, গভর্নেন্স এন্ড রাইট সেন্টার প্রেসিডেন্ট ড. জহুরুল আলম, ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, অধ্যাপক শামীম রেজা, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মহিউদ্দীন আহমেদ।

এ ছাড়া চার নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, রাশেদা সুলতানা এমিলি ও আহসান হাবীব খান সংলাপে ছিলেন।

 

এসএম/এমএমএ/ 

Header Ad
Header Ad

রাত পোহালেই বিএনপির নওগাঁ সদর ও পৌরসভা ভোট

ছবি: সংগৃহীত

একযুগ পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নওগাঁয় সদর উপজেলা ও পৌরসভার কাউন্সিল হতে যাচ্ছে। রাত পোহালেই যেখানে ভোটাররা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের প্রত্যক্ষ ভোট প্রদান করবেন। দীর্ঘদিন পর কাউন্সিল হওয়ায় প্রার্থী ও সদস্যদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। প্রার্থীরা নিজেদের জানান দিতে গত কয়েকদিন থেকে শহর ও গ্রামে মাইকের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা করেছেন। তবে কার গলায় উঠবে বিজয়ের মালা তা ঠিক করবেন ভোটাররা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়- নওগাঁ পৌরসভা বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিলো ২০১০ সালে। যেখানে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কিমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুন নবী সাজা। বর্তমানে মোট ভোটার রয়েছে ৬৩৯ জন।

অপরদিকে, নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল ২০১২ সালে। যেখানে ৭১সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু এবং সাধারণ সম্পাদক আ স ম আল কাফী তুহিন। বর্তমানে মোট ভোটার রয়েছে ৮৫২ জন।

নওগাঁ পৌরসভা বিএনপির সভাপতি পদে দুই প্রার্থী- মোঃ নুরুন নবী সাজা ও শেখ মোঃ মিজানুর রহমান। সাধারণ সম্পাদক পদে তিনজন প্রার্থী- শাহ্ আজিজুর রহমান চৌধুরী হিরু, মোঃ আব্দুল মতিন তালুকদার এবং মোঃ দিদারুল হক রতন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পাঁচজন প্রার্থী-আগফা উদ দৌলা সবুজ, মোঃ মতিউর রহমান (বুলু), মোঃ মহসিন আলী, এস,এম শহীদুল ইসলাম (সাথী) এবং মোঃ শাহীদুজ্জামান (সাইদ)।
নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আমিনুল হক বেলাল।

অপরদিকে, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে দুই প্রার্থী- দেওয়ান মোস্তাক আহমেদ (রাজা) ও মো. সারওয়ার কামাল প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থী- মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু, মোঃ নাদিম কুদ্দুস, সরদার সাইফুল ইসলাম সাজু এবং শ.ম.আ. আল কাফী তুহিন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থী- মোঃ খালেদ হাসান (লিপ্ত), মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আরিফুল হক রানা এবং মোঃ ওবাইদুর রহমান।

নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. ফারুকুজ্জামান ফারুক, সহকারি নির্বাচন কমিশনার এ্যাড. মিনহাজুল ইসলাম ও মো. মোশারফ হোসেন।

পৌরসভা বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ নুরুন নবী সাজা ঢাকাপ্রকাশকে বলেন- ‘দলকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কাউন্সিল খুবই দরকার। এতোদিন দলে যে দূর্বলতা ছিলো তা কাটিয়ে উঠবে। সেইসাথে এ কমিটির মাধ্যমে দল আগামীতে মজুত হবে এবং গতিশীল বাড়বে।’

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী দেওয়ান মোস্তাক আহমেদ (রাজা) ঢাকাপ্রকাশকে বলেন- দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে সদস্যদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আশাবাদী নির্বাচনে ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

নির্বাচনের দায়িত্বরতা জানান- সকাল ১০ টায় নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌর বিএনপি এবং সকাল ৯টায় নওগাঁ প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (পিটিআই) নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপির ভোট গ্রহণ শুরু হবে। চলবে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট হওয়ায় স্বচ্ছতা থাকবে। যেখানে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।

Header Ad
Header Ad

দেশের বাজারে ফের কমলো সোনার দাম

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিপ্রতি সোনার দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৭ টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দর আগামীকাল শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে টানা পাঁচবার সোনার দাম বাড়ানোর পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো কমলো।

নতুন মূল্য তালিকা (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর):

২২ ক্যারেট: ১,৫০,৯৬৭ টাকা (প্রতি ভরি)
২১ ক্যারেট: ১,৪৪,০৯৭ টাকা (প্রতি ভরি)
১৮ ক্যারেট: ১,২৩,৫১০ টাকা (প্রতি ভরি)
সনাতন পদ্ধতি: ১,০১,৭২২ টাকা (প্রতি ভরি)

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ২,৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২,৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২,১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১,৫৮৬ টাকা।

এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস, যা ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। সেই দামের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১,৫৩,৩৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১,৪৬,৩৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১,২৫,৪৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১,০৩,৪০১ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

 

Header Ad
Header Ad

চুয়াডাঙ্গায় গুণগতমানসম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহারবিষয়ক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

‘গুণগতমানসম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদন কৌশল ও এর ব্যবহার’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘কৃষক পর্যায়ে আখের রোগমুক্ত পরিছন্ন বীজ উৎপাদন এবং বিস্তার’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) চুয়াডাঙ্গা উপকেন্দ্রে স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেরু অ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাব্বিক হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসআরআই-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান রোগতত্ত্ব বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আনিসুর রহমান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (প্রজনন বিভাগ) ড. কে এম রেজাউল করিম, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কীটতত্ত্ব বিভাগ) ড. মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, প্রকল্প পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইমাম হোসেন এবং কেরু অ্যান্ড কোং-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ভূঁইয়া।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন বিএসআরআই চুয়াডাঙ্গা উপকেন্দ্রের ইনচার্জ ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ওমর খৈয়াম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

প্রশিক্ষণে বীজ আখের পরিচর্যা, সার ব্যবস্থাপনা, রোগমুক্ত বিশুদ্ধ বীজ উৎপাদন কৌশল, বিএসআরআই উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল আখের বিভিন্ন জাত, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের জন্য উপযোগী আখের জাত, বীজ ক্ষেতে রোগ ও পোকা দমন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া, বিএসআরআই-এর বিজ্ঞানীরা কৃষকদের বিভিন্ন চাষাবাদ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান প্রদান করেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রাত পোহালেই বিএনপির নওগাঁ সদর ও পৌরসভা ভোট
দেশের বাজারে ফের কমলো সোনার দাম
চুয়াডাঙ্গায় গুণগতমানসম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহারবিষয়ক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি-লুটপাট, গ্রেফতার ৪
সবার জন্য উন্মুক্ত কনসার্ট, জেমসসহ গাইবেন আরও পাঁচ ব্যান্ড
বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এমন সংবাদ দিয়ে ছেলেকে অপহরণ
রামপুরায় গাড়িচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত, বাসে আগুন
একযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৫৩ জন কর্মকর্তাকে রদবদল
‘টাকা-পয়সা-গয়না কেড়ে নেওয়াতে দুঃখ পাইনি, কিন্তু ধর্ষণের মিথ্যা খবর প্রচারে আমি ভেঙে পড়েছি’
বৈষম্যবিরোধীদের নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’, নেতৃত্বে যারা
নিরাপদ পানি পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়
সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’: বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪৩ জন
বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পরিত্যক্ত
বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু ৯ মার্চ, সরকারের ব্যয় ৫২৫ কোটি টাকা
চা দোকানির ছেলে হলেন বিচারক
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেল চালকের প্রাণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২৭১ পদে বিশাল নিয়োগ
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা
কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা