শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

'রিয়াজ উদ্দিন ছিলেন ভালো সাংবাদিক ও ভালো মানুষ'

প্রয়াত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা ও ফিনান্সিয়াল হেরাল্ড এর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন একজন ভালো সাংবাদিক, ভালো নেতা ও ভালো মানুষ। তার অভাব পূরণ হওয়ার নয়।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে এসব কথা বলেন সাংবাদিক নেতা ও সম্পাদকরা।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, 'তারা এমন একজন বাবাকে হারিয়েছেন, পরিবারের এমন একজনকে হারিয়েছেন যাকে নিয়ে, যার পরিচয় নিয়ে তারা গর্ব করতে পারেন। রিয়াজ ভাই বয়সে বড় ছিলেন। তবে আমরা প্রায় একই সময়ে সাংবাদিকতা শুরু করি। পাকিস্তান অবজারভারে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। হোসেন সাহেব ইংরেজি সাংবাদিকতায় অর্থনৈতিক রিপোর্টার হিসেবে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন।'

তিনি বলেন, 'আমরা একসঙ্গে ছাত্রলীগ করেছি। তিনি এসএম হলে থাকতেন। আমি সেই সময়ের জিন্নাহ হল পরবর্তীতে সূর্যসেন হলে থাকতাম।'

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, 'আমাদের সাংবাদিকতায় যে নির্বাচন অর্থাৎ সাংবাদিক ইউনিয়ন সেখানেও আমরা একসঙ্গে একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছি। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, এক পর্যায়ে রিয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে আমাদের পথটি দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে যায়। তিনি একটি ধারায় চলে গেলেন। আমরা তারই রেখে যাওয়া যে ধারা তাকে এগিয়ে নিয়ে গেলাম। আমাদের রাজনৈতিক মতে ভিন্নতা থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে কোনো বৈরিতা আসেনি।'

তিনি আরও বলেন, 'সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমরা এক সময় ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক ইউনিয়নের পতাকা নিয়ে আন্দোলন করেছি। কিন্তু আমরা সেই পতাকা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন করেছি, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, আমরা আমাদের নিজেদের পতাকা ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারিনি।'

তিনি বলেন, ৯১-৯২ সালে আমরা বিভক্ত হয়ে গেলাম। শুধু নেতৃর্ত্বের কারণে নয়, আমরা বিভক্ত হলাম রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। একপক্ষ আমরা থেকে গেলাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। আরেকটি জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে। এর সঙ্গে ছিল জামায়াত। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখনও বিভক্তই আছি। এই যে বিভক্তি সেখান থেকে আমরা এখনও বের হয়ে আসতে পারিনি। এর ছায়া বিভিন্ন সময়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবেও পড়েছে।'

ইকবাল সোবহান বলেন, 'রিয়াজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় যে বৈশিষ্ট্য, তিনি সাংবাদিক ছিলেন। তিনি রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেছিলেন এবং সম্পাদকও ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন করেছেন, ইউনিয়নের সাংবাদিকদের রুটি রুজির আন্দোলন করেছেন। পরবর্তীকালে তিনি মালিক হয়েছিলেন এবং মালিকদের সংগঠনে যোগদান করেছেন।'

তিনি বলেন, 'আজ তিনি সকল প্রশংসা ও সমালোচনার ঊর্ধ্বে। তিনি প্রেস ক্লাবে ছিলেন, ইউনিয়নে তিনি ছিলেন। সাংবাদিকতায় তিনি ছিলেন। আমরা তার সঙ্গে ছিলাম। তিনি থাকবেন আমাদের মাঝে।'

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, 'রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ একজন ভালো সাংবাদিক, ভালো মানুষ ও ভালো নেতা ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিভাবক তুল্য ছিলেন। তার অনুপস্থিতি আমরা অনুভব করব।'

সাইফুল আলম বলন, 'আজকে সাংবাদিকতা বিভক্ত নানা পথে, নানা মতে। কিন্তু রিয়াজ ভাই ছিলেন বিভক্ত সাংবাদিকদের অবিভক্ত নেতা।'

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে মাসরুর রিয়াজ বলেন, 'বাবা তিনটা বিষয়ে সব সময় বলতেন। শিক্ষা, সততা ও কঠোর পরিশ্রম। এই তিনটা বিষয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন।'

বাবার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বাবা বললেন তার সিডান কার পরিবর্তন করতে চান। বললাম, 'তুমি একটা জিপ কিনে নাও। মায়ের একটু কোমরে ব্যথা। জিপ হলে মায়ের জন্য স্বস্তি হবে।' কিন্তু তিনি রাজি হলেন না। বললেন, 'জীপ চালালে মানুষ ভিন্ন চোখে দেখবে। বলবে, দেখ সাংবাদিক জীপ চালায়।'

মাসরুর বলেন, 'আব্বার জন্য আপনাদের যেকোনো উদ্যোগে আমরা যদি শরিক হতে পারি, সহযোগিতা করতে পারি তাহলে বাবার প্রতি আমাদের ভালোবাসাটা জানাতে পারব।'

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, 'তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যে, সবাইকে আগলে রাখার চেষ্টা করতেন। এমনকি যারা নির্বাচনে তার সঙ্গে হেরে যেতেন তাদেরও আগলে রাখতেন।'

সভাপতির বক্তব্যে এ ক আজাদ বলেন, 'তিনি যখন নিউজ টু ডে থেকে নোয়াব এ আসলেন তখন তার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা। তার আগে একটু আধটু জানাশোনা ছিল। তিনি চারবার অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা ছিলেন। তিনি নির্বাচন করতে চাইতেন না। অ্যাসিস্ট করতেন। রিয়াজ ভাই যে সম্মান নিয়ে গেলেন আমাদেরকেও একইভাবে যেতে হবে। রিয়াজ ভাই নিজের সন্তানদের সততার কথা বলতেন। এটা তখনই সম্ভব যখন তিনি সৎ থাকেন।'

নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও দ্য ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, যুগান্তর সম্পাক ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, বিএফইউজে'র সভাপতি ওমর ফারুক, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে মাসরুর রিয়াজ।

এনএইচবি/টিটি

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা