শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বেক্সিমকো, কনফিডেন্স ও দারাজ জাগোর সঙ্গে ১০ লাখ মাস্ক বিলালো

সাকিব হাসান শুভ

‘জাগো ফাউন্ডেশন’ বাংলাদেশের গরীব মানুষদের সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তরুণ-তরুণীদের একটি সামাজিক আন্দোলন। যাকাত কাযক্রম, বিনামূল্যে শিক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাটি দ্রারিদ্রতার দুষ্ট চক্র ভেঙে দিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তারা অন্যান্য বেসরকারী উন্নয়ন ও সামাজিক সংস্থাগুলোর মতো কাজ করছেন ‘কোভিড-১৯’ রোগের বিপক্ষে। এই রোগের নতুন ধরণ অমিক্রনের আক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেশের সবাইকে মাস্ক পরার অপরিহার্যতা আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে-কার্যক্ষেত্রে দারুণভাবে খেয়াল করেছেন। ফলে এই মাসের ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারি ফাউন্ডেশনটির স্বেচ্ছাসেবীদের প্লাটফর্ম ‘ভলান্টিয়ার্স ফর বাংলাদেশ’ এক বিশেষ সামাজিক উদ্যোগ সম্পন্ন করেছে।

তিন দিনে ‘ভলান্টিয়ার্স ফর বাংলাদেশ’ সারা বাংলাদেশ জুড়ে ব্যস্ত রাজপথ, গণ-পরিবহন, ওভার ব্রিজ, বাস স্টপেজসহ বেশি জনসমাগম হয় এমন স্পটগুলোতে ১০ লাখ সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছেছেন। কোভিড-১৯ মহামারি রোগের হাত থেকে বাঁচার যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা ‘আপনার মাস্ক কোথায়?’ কাযক্রমটি সম্পন্ন করেছেন সফলভাবে।

৩১ জানুয়ারি ১০ লাখ মাস্ক বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় বিতরণ ও সঠিকভাবে পরা এবং ‘কোভিড-১৯’ মহামারি রোগটির হাত থেকে বাঁচতে কী, কী করতে হবে-বারবার মনে করিয়ে দিয়ে তাদের সচেতনতার প্রচারাভিযানটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কমিউনিকেশন ম্যানেজার তানভীর মুযাদ্দিদ।

তিনি বলেছেন, “আমাদের দীর্ঘ শ্রমের বিনিময়ে করা এই প্রচারাভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল, সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘কোভিড-১৯’ রোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা। দুই বছর ধরে তারা যে সংগ্রাম করে চলেছেন মহামারি এই রোগটির বিপক্ষে বিশ্বজুড়ে, আমাদের বাংলাদেশেও সেটিকে এই পর্যায়ে বিভিন্ন সংস্থাগুলোর পাশাপাশি জাগো ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রয়োগে নিয়ে আসা। আমরা কেবল সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং সচেতনতাই বাড়িয়ে তুলিনি, মহামারি রোগটির নতুন ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, বাঁচার তাগিদে মাস্ক পরতে মানুষের আচরণগত উন্নতিতে কাজ করেছি।”

তানভীর মুযাদ্দিদ জানিয়েছেন, পারম্পরিক অংশীদারিত্বের এই কাযক্রমে জাগোকে সাহায্য করেছেন সিএসআর খাতে কটি বিখ্যাত বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান-‘বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড’, ‘কনফিডেন্স’ গ্রুপ ও , অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠান ‘দারাজ’ ।

তিনি জানিয়েছেন, শেষ দিনে রাজধানী ঢাকার গুলশান-২, বনানী-১১, মহাখালীর ‘কাকলী’, ‘কারওয়ান বাজার’ ও ‘ধানমন্ডি’র মতো উন্নত এলাকাগুলোর ব্যস্ত সড়কগুলোতে ‘আপনার মাস্ক কোথায়?’ কার্যক্রমটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

তানভীর মুযাদ্দিদ বলেছেন, ‘অন্যান্য বারের চেয়ে এই আয়োজনের পার্থক্য ও ভালো দিক এই ছিল যে, আমাদের তরুণ, তরুণী স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে দারাজ, কনফিডেন্স ও বেক্সিমকোর কর্মকতা ও কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘সেখানে তারা অনেক কাজ করেছেন এবং আমাদের কাজগুলোর উচ্চ কন্ঠে প্রশংসা করেছেন।’

জাগো ফাউন্ডেশন বলেছে, স্বেচ্ছাসেবকরা ঢাকার বিভিন্ন মসজিদেও শেষ দিনে এবং সবসময় সাধারণ পথচলতি এবং গরীব মানুষদের মধ্যে মাস্ক বিলিয়েছেন। তাদের করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিজেকে ও পরিবারকে বাঁচাতে অনুরোধ করে উপায়গুলো বলেছেন।

এই বিষয়ে দারাজ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের প্রধান বিপনন কর্মকতা তাজদিন হাসান বলেছেন, ‘আমরা কাজে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জড়িয়েছি এই কারণে যে, আমাদের ব্রান্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো, অনলাইনে বাণিজ্যের শক্তিকে ব্যবহার করে স্থানীয়দের উন্নয়ন ঘটানো, তাদের কাছে আধুনিক পণ্য ও সেবাগুলোকে পৌঁছে দেওয়া এবং তরুণ, তরুণীদের কাজের ব্যবস্থা করা।’

তিনি বলেছেন, ‍‌“তবে এই মুহূতে কোভিড-১৯ মহামারি রোগের অমিক্রন ভাইরাসে বিশ্বের লাখ, লাখ মানুষ আক্রান্ত। তাতে অনলাইনে ব্যবসা করা আমরাও ক্ষতিগ্রস্থ। প্রায় সর্বত্র রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে, ফলে উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে আবারও চলে যাচ্ছি সবখানে সবাই। তাতে বাঁচতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। আমরা ‌‘ভলান্টিয়ার্স ফর বাংলাদেশ'কে সার্বিকভাবে সহযোগিতাই শুধু নয়, নিজেরাও অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের সমাজগুলোকে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি। আমরাও মাস্ক দিয়েছি, নিজেরা কাজ করেছি। এভাবে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা বজায় রাখতে অংশীদার হয়েছি।"

কনফিডেন্স গ্রুপের আয়োডিনযুক্ত লবনসহ আরো ভালো, ভালো সামাজিক উদ্যোগ আছে বাংলাদেশে। তাদের বোর্ড মেম্বারাও এই মহৎ কাজে যোগ দিতে পেরে খুশি, “আমরা মনে করি ‘কোভিড-১৯’ মহামারির বিরুদ্ধে লড়ার এ এক সাশ্রয়ী ও সেরা সমাধান। মৌলিক কোভিড বিরোধী প্রটোকল অনুসরণ করে গত ২ বছর ধরে ১ শতাংশেরও কম সংক্রামণে আমাদের কর্মীদের নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এই সময়াবলীর মধ্যে আমরা যে ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করেছি, মাস্ক পরা অন্যতম। ভলান্টিয়ার্স ফর বাংলাদেশ এবং অন্যদের সঙ্গে থেকে আমরা আমাদের ব্যবসার সামাজিক অঙ্গীকারও পূরণ করতে পেরেছি।”

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বলেছেন “কোভিড-১৯’ রোগের হাত থেকে সবাইকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। মাস্ক ভাইরাসটির সংক্রমণ বন্ধ করতে পারে। জীবন বাঁচাতে পারে। তাই আমরা তাদের সহযাত্রী হয়েছি।"

জাগো সূত্রে জানানো হয়েছে, এই কার্যক্রমটিও এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস বা টেকসই উন্নয়ন)’র লক্ষমাত্রাগুলো অর্জনে সহায়ক হবে। বাংলাদেশের সরকার প্রধান শেখ হাসিনার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং তার সরকারের ‘বাংলাদেশের রূপকল্প ২০৪১’ পূরণ করতে এভাবেও তরুণ-তরুণীদের উৎসাহী, সক্রিয় অংশগ্রহণ হচ্ছে। তাতে বিশ্বে বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

মূল প্রতিষ্ঠান জাগো ফাউন্ডেশনের প্রধান করভি রাকসান্দ সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেছেন, “করোনাভাইরাস আরো অনেক দিন থাকতে পারে। আমাদের কাছের, দূরের ও প্রিয়জন-সবাইকে নিরাপদ, সুস্থ রাখতে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অনুসরণ করাই ভালো। প্রত্যেককে মাস্ক পরতে, হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে ও ভিড় এড়াতে আমি আবার অনুরোধ করছি।’

ওএস।

 

 

 

 

 

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা