শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

গণতন্ত্রের প্রতীক থেকে অস্পৃশ্য সু চি!

মিয়ানমারের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের 'মূর্ত প্রতীক' ছিলেন অং সান সু চি। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অহিংস সংগ্রামের নজির স্থাপনের জন্য ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পান তিনি। কয়েক মেয়াদে প্রায় ১৫ বছর গৃহবন্দী ছিলেন তিনি। সেই অং সান সু চি ২০১৭ সালে দেশটির রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নিজের অবস্থানের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হন। রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নির্যাতন অস্বীকার করে হারান নোবেল।

২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি পান সু চি। ধারণা করা হচ্ছিল এবার বুঝি মিয়ানমারে গণতন্ত্র আসবে। সু চির হাত ধরে তার দেশে মানবাধিকার সমুন্নত হবে। ধীরে ধীরে গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে মিয়ানমার। দেশটিতে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এমনটাই আশা ছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।

এরপর ২০১৫ সালের নভেম্বরে মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) বিপুল জয় পায়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে দলটি ক্ষমতা নেয়। সাংবিধানিক বিধিনিষেধের কারণে প্রেসিডেন্ট হতে ব্যর্থ হন সু চি। এই পদে তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী থিন কিউকে বসান। সু চি নিজে হন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কার্যত সু চিই সরকার চালান। আর মিয়ানমারে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনার পরিবর্তে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অনেকটা মানিয়ে চলেন সু চি। সেনাবাহিনীর অবস্থানের বিরুদ্ধে যায়, এমন কাজ থেকে বিরত থাকে তার সরকার।

আর ২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে আবারও সু চির দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে, কারচুপির অভিযোগ এনে, সে নির্বাচন বানচাল করে সামরিক জান্তা। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। গ্রেফতার করা হয় অং সান সু চিসহ তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) শীর্ষ নেতাদের।

সেনা হেফাজতে নেওয়ার চার মাস পর গত জুনে বিচার শুরু হয় সু চির। সেনাবিরোধী উসকানি, রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন ভঙ্গসহ তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ সোমবার( ৬ ডিসেম্বর) মিয়ানমারের একটি আদালত করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ ও সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এনে অং সান সু চিকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। সু চির বিরুদ্ধে দায়ের করা ১১ মামলার মধ্যে এদিন দুটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তার বিরুদ্ধের এ পর্যন্ত হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে প্রথম রায় ঘোষণা হলো আজ। সু চির বিরুদ্ধে হওয়া সবগুলো মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার ১০৪ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে।

সু চির পাশাপাশি আটক থাকা এনএলডির অন্য সদস্যদেরও বিচার চলছে। গত মাসের শুরুতে সাবেক একজন মন্ত্রীকে ৭৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সু চির এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে দেওয়া হয়েছে ২০ বছরের কারাদণ্ড।

রাজধানীর নেপিদোতে বিশেষ সেনা আদালতে সু চির বিচারকাজ চলছে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি নেই। সু চির আইনজীবীরাও সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে পারেন না।

৪ বছরের সাজা পাওয়া সু চির আরও মামলার রায় বাকি। মামলাগুলোর রায়ে সু চির ১০৪ বছর সাজা হলে আমৃত্যু কাটাতে হবে জেলে। সু চির গণতন্ত্রের আন্দোলন, গৃহবন্দীত্ব থেকে দেশ পরিচালনা সমস্ত দায়িত্বের অবাসান কি তবে শেষ হবে ১০৪ বছরের সাজায়?

সু চি ও মিয়ানমার

মিয়ানমারের স্বাধীনতার নায়ক জেনারেল অং সানের মেয়ে অং সান সু চি। তার যখন দুই বছর বয়স তখন তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে বার্মা (বর্তমানে মিয়ানমার)। তার মাত্র দুই বছর পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।

স্বাধীনতা লাভের মাত্র ১৪ বছর পরে অভ্যূত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা দখল করেন সামরিক নেতা নে উইন। তিনি বেসামরিক রাজনৈতিক নেতাদেরকে রাজনৈতিক প্রশাসনিক অঙ্গন থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে সামরিক জান্তার মাধ্যমে বহু বছর ধরে দেশটি শাসন করেন।

১৯৮৮ সালে সু চি বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগ্রাম শুরু করেন। এই আন্দোলন দমনের জন্য ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার গুলি চালিয়ে শতাধিক বিক্ষোভকারী নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সাহসী স্পষ্টভাষী সমালোচক বলে দেশে-বিদেশে পরিচিতি পাওয়া অংসাং সু চিকে গৃহবন্দী করে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার।

১৯৯১ সালে সু চিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়। তার এই সন্মান লাভ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গৌরবান্বিত করা হয় একই সাথে আবার মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের প্রতিদ অনাস্থাও প্রকাশ করা হয়।

২০১০ সালের ৭ নভেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত মিয়ানমারের প্রথম গণতান্ত্রিক পদ্ধতির নির্বাচনে জান্তাপন্থী একটি দল জয়লাভ করে। তবে সে ভোটে ব্যাপক কারচুপি ও পক্ষ পাতিত্বমূলক বলে বিস্তর অভিযোগ উত্থাপিত হলে সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্যাসি ঐ ভোট বর্জন করে।

২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর তারিখে দুই দশকেরও বেশী একটানা আটক থাকার পর এনএলডি প্রধান অং সাং সু চিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

২০১২ সালে সু চি একটি উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন এবং জীবনে প্রথম বারের মত সংসদে আসন গ্রহণ করার সুযোগ পান।

২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে এনএলডি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সে দেশের সামরিক শাসকদের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত সংবিধানের অধীনে সেনারা তাদের হাতে ক্ষমতা ধরে রাখতে সু চিকে প্রেসিডেন্ট হতে দেয় নি। তখন সরকারের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য সু চির দাবি আংশিক মেনে নিয়ে তার জন্য ষ্টেট কাউন্সিলার নামে নতুন পদ তৈরী করা হয়।

২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট বিদ্রোহীরা পশ্চিামঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের সামরিক ফাঁড়িতে হামলা চালায়। এতে সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়। এর প্রতিক্রিয়া সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর বেপরোয়া ধ্বংস যজ্ঞ চালায়। এর পর প্রায় সাত থেকে দশ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আত্মরক্ষা করে।

২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারে গণহত্যা চালানো এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে দেশত্যাগ বাধ্য করার প্রতিবাদে গাম্বিয়া কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার শুনানীতে হাজির হয়ে সু চি, গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। ফলে তিনি বিশ্বব্যাপী নিন্দার পাত্রে পরিণত হন। এক পর্যায়ে নোবেল কমিটি সূ চিকে প্রদত্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেন।

২০২০ সালের ৮ নভেম্বর মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে সু চির দল এনএলডি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে। তবে ২৯ জানুয়ারি সামরিক শাসক ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বানচাল করে দেয়।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সু চিকে আবারও গৃহবন্দী করে সামরিক বাহিনী এবং এক বছরের জন্য দেশটিতে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

কেএফ/

 

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী