বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫ | ১৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

গোপনে ইসরায়েলকে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ভারত!

ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ মে ভোরে বোরকুম নামের একটি কার্গো জাহাজ স্পেনের কার্টেজেনা উপকূল থেকে অল্প দূরে নোঙ্গর করেছিল। খবর পেয়ে সকালেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে বিক্ষোভকারীরা বন্দরে জড়ো হয়। তাদের সন্দেহ, জাহাজটিতে অস্ত্র রয়েছে এবং এগুলো ইসরায়েলে পাঠানো হচ্ছে। তারা কর্তৃপক্ষকে জাহাজটি পরিদর্শন করার আহ্বান জানায়।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বামপন্থি সদস্যরা স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজকে লেখা একটি চিঠিতে জাহাজটিকে বন্দরে ভেড়ানো থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। চিঠিতে ৯ সদস্য লিখেছিলেন, ‘ইসরায়েলের জন্য নির্ধারিত অস্ত্র বোঝাই একটি জাহাজকে অনুমতি দেওয়ার মাসে হচ্ছে ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগের তদন্তাধীন একটি দেশে অস্ত্র পরিবহনের অনুমতি দেওয়া।’

সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই জাহাজটি স্পেনের বন্দরে নোঙ্গরের পরিকল্পনা বাতিল করে স্লোভেনিয়ার কোপার বন্দরের দিকে চলে যায়। বিক্ষোভকারী এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বামপন্থি সদস্যদের সন্দেহ যে ঠিক ছিল তা এতে স্পষ্ট হয়ে যায়।

আল জাজিরার পরিদর্শন করা নথি অনুসারে, জাহাজটিতে ভারতীয় বিস্ফোরক বোঝাই ছিল এবং এটি গাজা উপত্যকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। সামুদ্রিক ট্র্যাকিং সাইটগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ২ এপ্রিল দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের চেন্নাই ছেড়েছে এবং ইয়েমেনের হুতিদের হামলার ভয়ে লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট এড়াতে আফ্রিকা উপকূল দিয়ে ঘুরে গিয়েছে।

ফিলিস্তিনে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশকারী সংস্থা আরইএসসিওপি জানিয়েছে, শনাক্তকরণ কোডগুলো থেকে বোঝা যা, বোরকুমে ২০ টন রকেট ইঞ্জিন, বিস্ফোরক চার্জসহ ১২ দশমিক ৫ টন রকেট, এক হাজার ৫০০ কেজি বিস্ফোরক উপাদান এবং কামানের জন্য ৭৪০ কেজি চার্জ ও প্রোপেল্যান্ট ছিল।

অবশ্য জাহাজটির বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক জার্মান কোম্পানি এমএলবি ম্যানফ্রেড লাউটারজং বেফ্রাচতুং আল জাজিরাকে বলেছে, ‘জাহাজটির গন্তব্য ইসরায়েল ছিল না এবং এতে অস্ত্র বা অন্য কোনও পণ্য লোড করা হয়নি।’

ভারত থেকে ছেড়ে আসা আরেকটি কার্গো জাহাজ ২১ মে কার্টেজেনা বন্দরে প্রবেশ করতে চাইলে কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। স্প্যানিশ সংবাদপত্র এল পাইস জানিয়েছে, মারিয়েন ড্যানিকা নামের জাহাজটি ভারতের চেন্নাই বন্দর থেকে রওনা হয়েছিল এবং ২৭ টন বিস্ফোরক নিয়ে ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে যাচ্ছিল। স্প্যানিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস একসংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে, সামরিক পণ্য নিয়ে জাহাজটি ইসরায়েলের দিকে যাওয়ার কারণে এটিকে নোঙ্গর করতে দেওয়া হয়নি।

এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে, গাজায় চলমান মাসব্যাপী যুদ্ধের সময় নীরবে ইসরায়েলকে সামরিক অস্ত্র ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে ভারত। সামরিক পণ্য সরবরাহে ভারতের স্বচ্ছতার অভাবের কারণে এসব তথ্য গোপন থেকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এর গবেষক জাইন হুসেন বলেন, ‘যাচাইযোগ্য তথ্যের অভাবের কারণে অস্ত্রের স্থানান্তর হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।’

তিনি বলেন, তবে ‘ভারত এবং ইসরায়েলের মধ্যে সহযোগিতা বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে। তাই এটা আমাদের দেখা অসম্ভব নয় যে, ভারতের তৈরি উপাদান ইসরায়েল গাজার যুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

এদিকে ৬ জুন গাজার নুসিরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের একটি জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা হামলার পর কুদস নিউজ নেটওয়ার্ক ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ফেলা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্টাংশের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। জট পাকানো অংশগুলোর মধ্যে একটি লেবেল স্পষ্টভাবে লেখা ছিল ‘মেড ইন ইন্ডিয়া।’

 

Header Ad
Header Ad

ঈদে পুলিশ সদস্যদের ছুটি নেই: স্বরাষ্ট্র সচিব

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ছুটি নেই, ফলে ঈদে টানা ছুটি থাকলেও নিরাপত্তায় কোনো বিঘ্ন ঘটবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯ দিনের ছুটি থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাসমালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশ সচল আছে।ঈদের ছুটিতে যারা বাসা ছেড়ে যাবেন, তারাও নিশ্চিন্তে থাকবেন।

এ ছাড়া ঈদে ৯ দিনের ছুটিতে অর্থনীতিতে কোনো স্থবিরতা তৈরি হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

ঈদের ছুটিতে উপদেষ্টামণ্ডলীর বেশির ভাগ সদস্য ঢাকায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সচিবরা দেশের বাইরে গেলেও সিদ্ধান্ত নিতে কোনো সমস্যা হবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আজকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

এদিকে রাজধানীর গাবতলীর র‍্যাব কন্ট্রোল রুম থেকে সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব-৪ এর সিও লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম।

Header Ad
Header Ad

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প জরুরি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্পটি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির সর্বশেষ অগ্রগতি, কত টাকা খরচ হলো, প্রকল্পটি পুরোপুরি শেষ হতে কত দিন সময় লাগবে—এসব বিষয়ে তথ্য দিতে হবে প্রকল্প পরিদর্শকদের।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি পরিদর্শন করবে। ১০ মার্চ আইএমইডির সমন্বয় সভায় জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্পটি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসে সমন্বয় সভায় এ নিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির অগ্রগতি বিবেচনা করে এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর মানে, যত টাকা খরচ করা হলো, তাতে বিনিয়োগ ওঠে আসতে কত দিন লাগবে, তা–ও বিবেচনা করা হবে বলে জানা গেছে। এই প্রকল্পের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে বিদেশি ঋণ পরিশোধ শুরু হলে তা অর্থনীতির ওপর কী ধরনের চাপ ফেলতে পারে, সেটা বিবেচনায় থাকবে।

আইএমইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, নীতিনির্ধারকদের উচ্চ পর্যায় থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের কথা বলা হয়েছে। তিনি জানান, অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, তাই হয়তো প্রকল্পটি বন্ধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু অর্থনৈতিক সুবিধার মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন।

রূপপুর প্রকল্পে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২২ হাজার ৫২ কোটি ৯১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। আর রাশিয়া থেকে ঋণসহায়তা হিসেবে আসছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

২০২১ সালের অক্টোবরে রূপপুরে প্রথম ইউনিটের ভৌত কাঠামোর ভেতরে চুল্লিপাত্র স্থাপন করা হয়। চুল্লিপাত্র হচ্ছে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল যন্ত্র। এই যন্ত্রের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম লোড করা হয়। গত বছরের অক্টোবরে বসানো হয় দ্বিতীয় ইউনিটের চুল্লিপাত্র। ২০২৫ সালের শেষ দিকে উৎপাদনে যেতে পারে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট।

২০২৭ সাল থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ পরিশোধ শুরু হবে। অবশ্য বাংলাদেশ এই ঋণ পরিশোধ শুরু আরও দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য দেনদরবার করছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মেগা প্রকল্পগুলোর মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে প্রকৃত অর্থে খরচ কত হতো, বিদেশি ঋণের শর্ত কী, মেয়াদ—এসব নিয়ে সরকার গঠিত অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি কাজ করেছে।

গত সরকারের নেওয়া মেগা প্রকল্পগুলোর মধ্যে বর্তমানে চলমান যেসব প্রকল্প, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মেট্রোরেল প্রকল্প, পায়রা সমুদ্রবন্দর, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র।

পায়রা বন্দর পর্যালোচনার দায়িত্ব পরিকল্পনা উপদেষ্টার

আরেক মেগা প্রকল্প পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণের অর্থনৈতিক উপযোগিতা নিয়ে বর্তমান সরকার প্রশ্ন তুলেছে। একাধিকবার সংশোধন করে এখন এই প্রকল্পের খরচ দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২২৮ কোটি টাকা।

২৩ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পায়রা বন্দর প্রকল্প মূল্যায়ন ও সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। শিগগিরই তিনি পায়রা বন্দর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন।

এই বন্দরের মূল সমস্যা হলো এই বন্দর সচল রাখতে সারা বছর ড্রেজিং করতে হবে, যা বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। দুটি ড্রেজার সব সময় লাগবে।

পায়রা বন্দর অর্থনীতির জন্য বিষফোড়া বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। গত রোববার সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, ‘পায়রা সমুদ্রবন্দর বলা হলেও মূলত একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা আনতে এ বন্দর করা হচ্ছে। পায়রাবন্দর তো সমুদ্রবন্দর হওয়া দূরের কথা, আবার নদীবন্দরও হবে না। অনেকটা ঘাটের মতো হতে পারে। ছোট ছোট নৌযান চলাচলের উপযোগী বন্দর। এ পায়রা বন্দর প্রকল্পে অনেক অর্থ খরচ হয়ে গেছে। মাঝপথে এসে প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে কি না, তা বিবেচনার বিষয়। তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্প খরচ শুরুর আগে বা প্রকল্প নেওয়ার আগে থাকলে এই প্রকল্প নিতাম না।’

Header Ad
Header Ad

টানা ছুটিতেও স্থবির হবে না অর্থনীতি: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ঈদে ৯ দিনের ছুটিতে অর্থনীতিতে কোনো স্থবিরতা তৈরি হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ঈদের টানা ৯ দিন ছুটি থাকলেও দেশের অর্থনীতিতে কোনো স্থবিরতা তৈরি হবে না। এ সময় উপদেষ্টামণ্ডলীর বেশির ভাগ সদস্য ঢাকায় থাকবেন।

সচিবরা দেশের বাইরে গেলেও সিদ্ধান্ত নিতে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান ড. সালেহউদ্দিন।
তিনি বলেন, কোনো সমস্যা হবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আজকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

উপদেষ্টা বলেন, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার মেট্রিক টন বাসমতি চাল, সৌদি আরব ও অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৭০ হাজার মেট্রিক টন সার এবং স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদে পুলিশ সদস্যদের ছুটি নেই: স্বরাষ্ট্র সচিব
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প জরুরি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত
টানা ছুটিতেও স্থবির হবে না অর্থনীতি: অর্থ উপদেষ্টা
যমুনা সেতুতে একদিনে ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার টোল আদায়
পদত্যাগ করলেন ইসরায়েলি বাহিনীর গাজা ডিভিশন কমান্ডার
জিকে শামীমের দুর্নীতি মামলায় রায় আজ  
জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কার করা হচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা  
আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর  
ঈদের আগে শেষ ব্যাংকিং লেনদেন আজ  
৬৬ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে করলেন ২২ বছর বয়সী কলেজছাত্রী    
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি
দক্ষিণ কোরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ২৪ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ
বিএনপি বিনা ভোটের সরকার গঠন করতে চায় না: সামসুজ্জোহা খান
নায়ক নিশো এবার গায়ক, ‘দাগি’ সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকে দিলেন কণ্ঠ
২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল ইরান
ধানমন্ডিতে র‍্যাব-ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৪
শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলব: সারজিস আলম
বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান লা লিগা খেলা জিদান মিয়া
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কিত প্রস্তাব গৃহীত
মুসলিম উম্মাহকে শবে কদরের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান