শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ডাইনিংয়ে দাম বাড়লেও বাড়েনি খাবারের মান

এক কেজি মুরগির মাংস করা হয় ২০-২৫ পিস। আর মাছের ক্ষেত্রে যত ছোট পিস করা যায়। ভাতের সঙ্গে এক টুকরো মাছ বা মাংস তাতেই বিল আসে ৪০-৪৫ টাকা। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ডাইনিংগুলোর খাবারের চিত্র এটি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সঙ্গে খাবারের দাম বাড়লেও বাড়েনি খাবারের মান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান(ছদ্মনাম)।সকালে ক্লাস না থাকলে ঘুম থেকে ওঠেন দেড়িতে,যাতে সকাল ও দুপুরের খাবার একবারেই সেরে নেওয়া যায়।সকালে ক্লাস থাকলে ক্লাস শেষে দুপুর ১২ টায় সকাল ও দুপুরের খাবার একবারেই সেরে ফেলেন। শুধু মশিউর নয়৷ মশিউরের মতো অধিকাংশ শিক্ষার্থীর রুটিন এটি৷ খাবারের ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে তারা এই রুটিন অনুসরণ করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা যা খান তার দামের খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, এক টুকরো মাছ বা মুরগির মাংস এবং ভর্তা দিয়ে এক প্লেট ভাত খেতে সর্বনিম্ন খরচ হয় ৪৮ টাকা। একটি ডিম ও ভর্তা দিয়ে খেতে খরচ পড়ে ৩৮ টাকা। আলাদা হিসাব করলে ভাতের দাম বর্তমানে ৮ টাকা (প্রতি প্লেট), সবজির দাম ২০ টাকা, মাছ ৩০ টাকা, মুরগি ৩০ টাকা। যেখানে ২০২০ সালে প্রতি প্লেট ভাত ছিল ৬ টাকা, ডিম ১৫ টাকা, প্রতি পিস মাংস ২৫ টাকা এবং প্রতি পিস মাছের দাম ছিল ২৫ টাকা।খাবারের দাম বাড়লেও বাড়েনি মান।খাবারের মান আগে যেমন ছিল এখনও তেমন ই আছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।

ডাইনিংয়ের এই খাবার দিয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টিচাহিদা না মিটলেও অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা এই খাবার খাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবেল(ছদ্মনাম) বলেন, এই খাবারে আমার দৈহিক চাহিদা পূরণ না হলেও এটি খাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। কারণ আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার মাসে ৪ হাজার টাকার মধ্যে আমার চলতে হয়।পর্যাপ্ত আমিষসমৃদ্ধ খাবার খেতে চাইলে এক বেলায় সর্বনিম্ন ৭০ টাকা খরচ করতে হয়।যেটি বহন করা আমার পক্ষে অসম্ভব।

যারা সকালে নাশতা করেন, তাদের খাদ্যতালিকায় থাকে সাধারণত সবজি ও রুটি বা পরোটা। খুব কম শিক্ষার্থী দৈনিক সকালের নাশতার সঙ্গে ডিম খেতে পান। দুপুর ও রাতের খাবারের তালিকায় থাকে সাধারণত ভাত, মাছ, মুরগির মাংস (ফার্মের),পাতলা ডাল। বিকালের নাশতা বলতে সাধারণত এক-দুই পিস বিস্কুট বা পাউরুটি, কলা বা চটপটি। এসব নিয়মিত খেতে পান এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা হাতেগোনা। এবার দেখা যাক এই খাবারে কতটুকু শক্তি আছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ৩০ গ্রামের একটি রুটিতে থাকে ৭০ থেকে ৭৫ ক্যালরি, একটি ডিমে ৯০ ক্যালরি, ১০০ গ্রাম মিক্সড সবজিতে ৫০ ক্যালরি, ৬০ গ্রাম ভাতে ৭৫ থেকে ৮০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম মাছে ৪০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম মুরগিতে ৪০ থেকে ৬০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম ডালে ১০০ ক্যালরি।

গবেষণা বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের শিক্ষার্থীরা দৈনিক যে খাবার খান তাতে পুষ্টির পরিমাণ গড়ে ১ হাজার ৮২১ কিলোক্যালরি। অথচ পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর দিনে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার কিলোক্যালরি গ্রহণ করা উচিত।

একজন সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় ও পরিমাণমতো ছয়টি উপাদানযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে হয়, যা পুষ্টিচাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়ায়। আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও পানি গ্রহণ করলে দেহের ক্ষয়পূরণ, বুদ্ধিসাধন, শক্তি উৎপাদনসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জিত হয়।

সেজন্য একজন পূর্ণবয়স্ক শিক্ষার্থীর দৈনিক সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হয় সাধারণত ১ হাজার ৩০০ গ্রাম। সেটা এমন হতে পারে : ভাত ২৫০ গ্রাম, আলু ভাজি ১০০ গ্রাম, ছোট মাছ ৮০ গ্রাম, শাকসবজি ২৫০ গ্রাম, মৌসুমি ফল ২৫০ গ্রাম, মাংস ৫০ গ্রাম, চিনি-গুড় ২০ গ্রাম, দুধ ৩০০ গ্রাম। সেখানে হলের খাবারের তালিকায় থাকে ছোট্ট এক টুকরো মুরগি বা মাছ।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ(ছদ্মনাম) জানান, পর্যাপ্ত সুষম খাদ্য খেতে হলে আমাদের দৈনিক সর্বনিম্ন ২৫০ টাকার খাবার গ্রহণ করতে হবে, যেটি হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পক্ষে প্রায় অসম্ভব। কারণ এখানে যারা পড়াশোনা করে সবাই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।

জয়ন্ত সাহা নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান,আমরা যে ধরণের খাবারগুলো গ্রহণ করছি সেটি আমাদের শরীরে মারাত্বক প্রভাব ফেলছে। এটি আমরা এখন বুঝতে না পারলেও বয়স কিছুটা বাড়ার সাথে সাথে এর প্রভাব আমাদের শরীরের উপর পড়বে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪টি আবাসিক হলেই ডাইনিং চালু আছে। ডাইনিংয়ের পাশাপাশি রয়েছে একটি ক্যাফেটেরিয়া। ক্যাফেটেরিয়া খাবার দাম আরও উর্দ্ধমুখী। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হল, দোলনচাঁপা হল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলিয়ে আবাসিক শিক্ষার্থী প্রায় আড়াই হাজার। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোতে থাকের অনেক শিক্ষার্থী। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া কিংবা হলের ডাইনিংয়ে খাবারের ওপর নির্ভরশীল।

ডাইনিং ও ক্যাফেটেরিয়া ঘুরে দেখা গেছে, ছোট এক টুকরো মাছ বা মাংসের সাথে পাতলা ডাল দিয়ে খাবার গ্রহণ করছেন অধিকাংশ শিক্ষার্থী।যে ভাত পরিবেশন করা হচ্ছে সেটিও মোটা চালের। ডালের যে পাত্র থাকে, তাতে ডালের পরিমাণ সামান্যই।

জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাইনিং মালিক জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে আমাদের কোনো ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে না। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার ফলে ডাইনিং চালাতে আমাদেরও হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রশাসন থেকে কিছু ভর্তুকি পেলে আমরা খাবারের মান কিছুটা উন্নত করতে পারতাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে খাবারে ভর্তুকির দাবি জানিয়ে বঙ্গমাতা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইশরাত বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আমাদের ডাইনিংয়ের খাবারের দামও বেড়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ভর্তুকি দিয়ে খাবারের মান ঠিক রাখা।

বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, আমার পরিবারের অবস্থা নুন আনতে পান্তা ফুরায়। কিছুদিন আগেও তিন হাজার টাকায় মাস চলে যেত। আর এখন একবেলা না খেয়েও চার হাজারে মাস পার হচ্ছে না। এখন সকাল-দুপুর মিলিয়ে এক বেলা খাচ্ছি। তবুও টাকা বেশি লাগছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, ভর্তুকি না থাকায় ডাইনিংয়ে খুবই নিম্নমানের খাবার উচ্চমূল্যে খেতে হয়। এতে টাকাও খরচ হয় পুষ্টিকর খাবারও পাই না। প্রশাসনের উচিৎ হলে খাবারের ভর্তুকির ব্যাপারে নজর দেওয়া।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অগ্নিবীণা হলের প্রভোস্ট কল্যাণাংশু নাহা হলের খাবারের পুষ্টিমান ঠিক আছে দাবি করে বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে খাদ্যের কোনো ভর্তুকি নেই। হলের দায়িত্ব হচ্ছে খাবারের ব্যবস্থা করা এবং দাম ঠিক রাখা। বাইরের তুলনায় আমাদের এখানে কম মূল্যে খাবার সরবরাহ করা হয়৷ কারো যদি অর্থনৈতিক সংকট থাকে তাহলে হয়তো খাদ্যের যোগানের ঘাটতি হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড.হুমায়ুন কবীর বলেন, ডাইনিংয়ে ভর্তুকি নেই এই কথাটি ঠিক না। বাবুর্চির বেতন,রান্নার আসবাব পত্র, প্লেট, গ্লাস এগুলোর ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফ থেকে।যদি ভর্তুকি না থাকতো তাহলে এই খাবার আরও বেশি দামে খেতে হতো। খাদ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাইনিং ব্যবস্থাপনার যারা আছেন তারা এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় অব্যাহত বোমা হামলা চলাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত ১৮ মার্চ থেকে এই হামলা শুরু হয়। তখন থেকে প্রতিদিন অবরুদ্ধ উপত্যাকায় অন্তত ১০০ ফিলিস্তিনি শিশু হতাহতের শিকার হচ্ছে। ইউএনআরডব্লিউ এর প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ৫০ হাজার ৫২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৬৩৮ জন।

যদিও গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সেখানে মোট ৬১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। কারণ যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন তারাও নিহত হয়েছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে সিরিয়ায়ও সম্প্রতি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় এসব হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে ইসরায়েলকে সংঘাত পরিহারের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সিরিয়ায় ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সংঘাত চায় না তুরস্ক। সিরিয়ার সামরিক স্থাপনাগুলোতে বারবার ইসরায়েলি হামলার ফলে নতুন সরকারের হুমকি প্রতিরোধের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্ক ২০২৩ সাল থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলার তীব্র সমালোচনা করে আসছে। গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ দেশটির। তাছাড়া এরই মধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করেছে তুরস্ক।

Header Ad
Header Ad

আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম

ছবি: সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্টকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা নোমাড ক্যাপিটালিস্ট। অন্যদিকে, এই তালিকায় ২০০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।

বিশ্বের ২০০টি দেশের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধা, বিদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের ওপর নির্ধারিত কর, দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাসহ পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই পাসপোর্ট সূচক তৈরি করেছে নোমাড ক্যাপিটালিস্ট।

নোমাড ক্যাপিটালিস্টের তালিকায় শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের প্রাপ্ত স্কোর ১০৯। এ দেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা বিশ্বের ১৭৬টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন।

শুক্রবার পাসপোর্টের বৈশ্বিক মানের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সে তালিকায় ৩৮ স্কোর পেয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ১৮২তম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ভিসামুক্ত অথবা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় বিশ্বের ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।

নোমাডের হালনাগাদ তালিকায় বাংলাদেশের ঠিক আগে আছে নেপাল (স্কোর ৩৯ দশমিক ৫) এবং পরে আছে মিয়ানমার (স্কোর ৩৭ দশমিক ৫)। অপর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান সূচকে ১৪৮ তম (স্কোর ৪৭ দশমিক ৫) এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১৯৫তম (স্কোর ৩২)।

এর আগে ২০২৩ সালের মার্চে নোমাডের পাসপোর্ট সূচকে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তকমা পেয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। হালনাগাদ তালিকায় ১০৬ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশটি। তবে দশম অবস্থানে থাকলেও আমিরাতের নাগরিকরা ১৭৯টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন; অর্থাৎ তালিকায় শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের নাগরিকদের তুলনায় অতিরিক্ত ৩টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন আমিরাতের পাসপোর্টধারীরা।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। ছবি: ফাইল ছবি

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। সরকারি অফিসগুলো আগামীকাল রবিবার থেকে শুরু হলেও, অধিকাংশ বেসরকারি অফিসের ছুটি ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। জীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী।

তবে এবারের ঈদযাত্রা ছিল গত বছরের তুলনায় অনেক মসৃণ এবং সুবিধাজনক। রাজধানীর প্রবেশমুখে যানজটের কোনো বড় সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। শনিবার (০৫ এপ্রিল) ভোর থেকে সদরঘাট, বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশনে মানুষের ফিরে আসার দৃশ্য ছিল স্বাভাবিক।

সকাল গড়ানোর সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রীরা রাজধানীর উদ্দেশ্যে আসতে শুরু করে। দূরপাল্লার বাসগুলো একে একে টার্মিনালে এসে থামছিল এবং যাত্রীরা ক্লান্ত কিন্তু শান্ত চেহারায় নামছিলেন। তবে এবারের ঈদযাত্রা ছিল তুলনামূলকভাবে মসৃণ। দীর্ঘদিন পর মানুষ একে অপরকে ছোঁতে না গিয়ে, ভোগান্তির অভাবেই কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন।

গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি বেড়েছে, তবে দূরপাল্লার পরিবহনগুলোতে যাত্রী চাপ কম ছিল। বাংলাদেশ বাস মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জুবায়ের মাসুদ বলেন, “এই ঈদযাত্রায় বাস মালিকদের খুব ভালো অবস্থা ছিল না। তবে যাত্রীদের স্বস্তি দিতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট।”

কমলাপুর রেলস্টেশনে সার্ভার জটিলতার কারণে অনলাইনে ট্রেন টিকিট বিক্রি বন্ধ ছিল, তবে ১৫ ঘণ্টা পর এটি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং শিডিউল বিপর্যয়ও কাটতে শুরু করে।

এদিকে, পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে হাজার হাজার যাত্রী ফেরি ও লঞ্চে করে পদ্মা নদী পার করছেন। তবে কোথাও কোথাও বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কর্মকর্তা সালাম হোসেন বলেন, “ঈদযাত্রায় সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে নৌপথে কোনো বড় সমস্যা দেখা যায়নি।”

এবারের ঈদে সরকারি কর্মকর্তাদের টানা ৯ দিনের ছুটি ছিল, যা সরকারি আদেশে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ