শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

উদ্বোধনী মঞ্চায়নে প্রশংসিত নাটক ‘জনকের অনন্তযাত্রা’

বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ অর্জন হচ্ছে স্বাধীনতা। আর সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মহাকাব্যিক দ্যোতনা এবং নায়োকোচিত ঔজ্জ্বল্য নিয়ে বাঙালির ইতিহাসে ভাস্বর হয়ে আছেন। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে যখন জাতির পিতা তার সুচিন্তিত পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, তখনই দেশী-বিদেশী অপশক্তির ষড়যন্ত্রে শিকার হয়ে সপরিবারে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে তাঁকে। জাতির পিতাকে হারানোর দুঃসহ ক্ষত বাঙালী জাতিকে আজও ব্যথাদীর্ণ করে। সেই বেদনাত্মক অধ্যায় এবং বঙ্গবন্ধুকে দাফনের সত্যাশ্রয়ী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘জনকের অনন্তযাত্রা’ শিরোনামের নাটক। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে মঞ্চে এসেছে নাটকটি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রযোজিত নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হয় শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায়। আজ রবিবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় একই ভেন্যু একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী হবে।

নাটকটি রচনার পাশাপাশি নির্দেশনা দিয়েছেন মাসুম রেজা। প্রযোজনাটির উপদেষ্টা শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।অসাধারণ নাট্যভাবনা, সুনিপুন অভিনয়ের উদ্বোধনী মঞ্চায়নেই প্রশংসিত হয়েছে। মঞ্চায়ন শেষে মিলনায়তন ভরা দর্শক-শ্রোতাদের কাছে পেয়েছে আকুণ্ঠ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

মঞ্চায়নের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘাতকরা ভাবতে পারেনি, বীরের কখনো মৃত্যু হয় না। বাঙালি জাতির চিরন্তন বীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মৃত্যুর পরও স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। আর তাই, হাজার বছরের শিল্প-সাহিত্য-শিক্ষা-ক্রীড়া-সংস্কৃৃতি সবখানেই তিনি আছেন সগৌরবে। সংশয়হীনভাবে বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর যাপিত জীবন, বেড়ে ওঠা, বিকশিত হওয়া, বাঙালির জন্য তার আপোসহীন সংগ্রাম এবং তার প্রয়াণ- সব কিছুর মধ্যেই রয়েছে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্বের মহাকাব্যিক দ্যুতিতে কেউ চাইলে নিজেকে আলোকিত করে নিতে পারে এবং তার ভেতরের সব অন্ধকার অনায়াসেই দূর হতে পারে

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া ইতিহাসের নির্মমতার পর তাকে সমাধিস্থ করার ঘটনা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে নাটকের কাহিনী। এ প্রসঙ্গে নাট্যকার ও নির্দেশক মাসুম রেজা বলেন, এই নাটকটি আমার কাছে সত্যাশ্রয়ী গল্প কিংবা গল্পাশ্রয়ী সত্য। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার মাধ্যমে মঞ্চে এসেছে নাটকটি। এ ঘটনায় যারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন তাদের অনেকের ভিডিও ও লিখিত সাক্ষাতকার দেখেছি। বঙ্গবন্ধুকে দাফনের দায়িত্ব পড়েছিল মেজর হায়দার আলীর কাঁধে। একটি বইয়ে এ বিষয়ে তার লেখা আছে। তবে নাটকটি লেখার চেয়ে চ্যালেঞ্জিং ছিল মঞ্চে আনা। আমার কাছে মনে হয়, ইতিহাস বিকৃতির চেয়ে ভয়ংকর ইতিহাসের বিস্মৃতি। বঙ্গবন্ধুর দাফনের বিষয়টি সামনে এলেই মানুষের মনে শুধু ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসলের বিষয়টি আসে। কিন্তু, তাকে দাফনের জন্য যখন টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন এত সব ঘটনা ঘটেছিল গবেষণা না করলে জানতেও পারতাম না। আড়ালে থেকে যাওয়া সেই ঘটনাটিই মেলে ধরেছি নাটকটিতে। এমন রিয়েলিস্টিক গল্পকে মঞ্চের ভাষায় উপস্থাপন করা ছিল দুরূহ কাজ। ঘটনাটি দুই-তিনটি জায়গায় ঘটেছিল। সেগুলোর জন্য সেভাবে সেট তৈরি করতে হয়েছে। পাশাপাশি চাওয়া ছিল প্রত্যেক শিল্পী যেন রিয়েলিস্টিক অভিনয় করেন।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দেশের বিভিন্ন নাট্যদলের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি নাট্যদলের সদস্যরা। এর মধ্যে আছেন আজিজুল হাকিম, মুনিরা ইউসুফ মেমী, কামাল বায়েজিদ, সায়েম সামাদ, শামছি আরা সায়েকা, রামিজ রাজু প্রমুখ। এই নাটকের মাধ্যমে অনেক দিন পর মঞ্চে ফিরেছেন আজিজুল হাকিম, মুনিরা ইউসুফ মেমী ও কামাল বায়েজিদ। বঙ্গবন্ধুর দাফন যেন শরিয়ত মোতাবেক হয়, তার জন্য প্রথম প্রতিবাদ করেন টুঙ্গিপাড়ার মাওলানা আবদুল হালিম। সেই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম। তার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেমী। খন্দকার মোশতাকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কামাল বায়েজিদ। নাটকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র কর্নেল রউফের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সায়েম সামাদ। এ ছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, সাজ্জাদ আহমেদ, খন্দকার তাজমি নূর প্রমুখ।

Header Ad
Header Ad

লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯

লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর মান্দায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলা ও বাড়ি লুটপাটের পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এক বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি। বুধবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের বিলউথরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম আতাউর রহমান (৬০)। তিনি বিলউথরাইল গ্রামের মৃত ফজের আলীর ছেলে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সমর্থক। বিবাদমান একটি জমি নিয়ে বিলউথরাইল পশ্চিমপাড়া গ্রামের আওয়ামী সমর্থকদের সঙ্গে ভুক্তভোগী আতাউর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

সংবাদ পেয়ে ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে তাঁদেরকে নওগাঁ কারাগারে পাঠিয়েছে মান্দা থানা পুলিশ।

সংবাদ পেয়ে সেখানে ছুটে যান কেন্দ্রীয় ও উপজেলা বিএনপি'র নেতৃবৃন্দরা।

লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বিলউথরাইল পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তুহিন আলী (৪০), বুলবুল আহমেদ সুমন (৩২), মাইনুল ইসলাম (৪০), মারুফ হোসেন (১৯), পিয়াস আহমেদ (১৯), ফিরোজ হোসেন (২৬), আবু সাইদ মন্ডল (৪৫), বিদ্যুৎ হোসেন গাইন (৩৬) ও এমাজ উদ্দিন মন্ডল (৫৫)।

ভুক্তভোগী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমার কবলাকৃত সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন বিলউথরাইল পশ্চিমপাড়ার আওয়ামীলীগ সমর্থিত লোকজন। আদালতের রায়ের পরও ওই সম্পত্তিতে যেতে পারছি না। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে পশ্চিমপাড়ার আওয়ামীলীগ সমর্থকের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বসতবাড়িতে হামলা করে। হামলাকারীরা ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে আমাদের সপরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলাকারীদের দেওয়া আগুনে পুরো বাড়ির টিনের ছাউনি, দুটি মোটরসাইকেল, জমির দলিলসহ যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তা আমরা কোনোভাবে প্রাণে বেঁচে যাই।’

এ প্রসঙ্গে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আতাউর রহমানের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনায় আতাউর রহমান বাদি হয়ে ২৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাতেই যৌথ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদেরকে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু

ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু। ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হয়, যা উভয় নেতা মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

এটি ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. ইউনূস এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে প্রথম দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলনের এক নৈশভোজে দুই নেতার কুশলাদি বিনিময় হয়। নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রী এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।

এই নৈশভোজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেগুলোর অধিকাংশই পেছন থেকে তোলা হয়েছে।

এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুকে ওই নৈশভোজের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন, যার ক্যাপশনে উল্লেখ করেন, “ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে।”

ড. ইউনূস বর্তমানে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থান করছেন, যেখানে তিনি বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ২ এপ্রিল শুরু হওয়া এই সম্মেলন ৪ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে অপসারণ করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। শুক্রবারের ঐতিহাসিক এই রায়ের মাধ্যমে ইউনের প্রেসিডেন্সি বাতিল করা হয়, যার ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে। এই সময় পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আন্তর্বর্তীকালীন প্রধান বিচারপতি মুন হিউং-বে আদালতের রায়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন এবং তার পদক্ষেপ ছিল গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর হুমকি। তিনি আরও বলেন, ইউন জনগণের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং সামরিক আইন জারি করে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।

এই রায়ের পক্ষে আটজন বিচারপতি একমত হয়েছেন বলে জানানো হয়। আদালতের রায় ঘোষণার পর হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দে উল্লাস প্রকাশ করেন এবং "আমরা জিতেছি!" স্লোগান দিতে থাকেন, যা দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েক মাস ধরে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটানোর সংকেত।

এছাড়া, ৬৪ বছর বয়সী ইউন সুক-ইওল এখনও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ফৌজদারি বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। জানুয়ারিতে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তবে পরে মার্চে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করে তাকে মুক্তি দেয়।

এ সংকট শুরু হয়েছিল ৩ ডিসেম্বর, যখন ইউন সুক-ইওল সামরিক আইন জারি করেছিলেন, কিন্তু মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে সংসদ সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে পার্লামেন্টে প্রবেশ করে এবং আইনটি নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে ইউন এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন এবং দাবি করেন, তার কখনও জরুরি সামরিক শাসন জারি করার ইচ্ছা ছিল না।

প্রতিবাদ চলতে থাকলেও আদালতের রায়ের ফলে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার ওপর একটি প্রভাব পড়বে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি