বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশের আফসোসের হার

আগের দিন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছিলেন তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে গোল চান তিনি। কারণ জাতীয় দল আর্ন্তজাতিক ম্যাচ গোলই পায় না। সেই গোল খরা কাটাতে চান তিনি। একই সঙ্গে তিনি ও কোচ হ্যাভিয়ার ক্যাবরেরা জয়ের আশাও ব্যক্ত করেছিলেন। আর্ন্তজাতিক ফুটবলে কোনো ম্যাচ খেলতে নামার আগে কোচ ও অধিনায়কের কণ্ঠ দিয়ে এ ধরনের কথা সচরাচর বের হয় না। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী হলেতো এ ধরনের কথা ভুলেও মুখ দিয়ে বের হয় না। কিন্তু এবার তুর্কমেনিস্তানের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, যারা আবার র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৫৪ ধাপ এগিয়ে থাকার পরও দুজনেই একই মঞ্চে বসে জয়ের কথা বলতে দ্বিধা করেননি। জামাল ভূঁইয়ারা শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি। তবে খেলায় মন ভরেছে। আর কাঙ্খিত গোলের দেখাও পেয়েছে। বাংলাদেশ হেরেছে ২-১ গোলে। এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশের এটি ছিল দুই ম্যাচে দ্বিতীয় হার। প্রথম ম্যাচে তারা হেরেছিল ২-০ গোলে। তুর্কমেনিস্তান পেয়েছে প্রথম জয়। প্রথম ম্যাচে তারা হেরেছিল স্বাগতিক মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলে।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বুকেট জলিল স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে খেলার ফলাফল ছিল ১-১। আর দ্বিতীয় গোল হজম করে ম্যাচের ৭৬ মিনিটে। বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং তুর্কমেনিস্তানের আন্নাদুয়েভ ও আরসলান গোল করেন। আগামী মঙ্গলবার স্বাগতিক মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে।

আর্ন্তজাতিক ফুটবলে বাংলাদেশ এখন খেলতেই নামে হারকে মেনে নিয়ে। আজ আরেকটি হার জুটেছে ললাটে। কিন্তু এই হারের মাহাত্ব্য অনেক বেশি। প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী হওয়ার পরও বাংলাদেশ সমান তালে লড়েছে। প্রথম গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পরও খুব বেশি সময় নেয়নি পরিশোধ করতে। তারপর সমান তালে লড়েছে। গোল করার মতো অনেক সুযোগও সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি সঞ্চারও করে। কিন্তু গোলের মুখ আর দেখা হয়নি। উল্টো আচমকা গোল হজম করে হার মেনে নিতে হয়।

খেলায় যে বাংলাদেশ এমন লড়াই করে নজর কাড়বে তা কিন্তু শুরুতে বুঝা যায়নি। কারণ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই তুর্কমেনিস্তানের খেলোয়াড়রা বাংলাদেশের রক্ষণে হামলে পড়ে। একের পর এক আক্রমণ করে দিশেহারা করে লাল-সবুজের রক্ষণভাগকে। প্রথম সাত মিনিটেই তারা চার চারটি কর্ণার আদায় করে একটি গোল পেয়ে যায়। একে একে প্রথম তিনটি ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হওয়ার পর চতুর্থ কর্নার থেকে আন্নাদুয়েভের কোনাকুনি শট আনিসুর রহমান জিকোর পক্ষে আটকানো সম্ভব হয়নি। খেলার ধারা অনুযায়ী এভাবে গোল পেয়ে যাওয়ার পর সামনে বাংলাদেশের সামনে বিরাট কালবৈশাখী ঝড়ই অপেক্ষা করছিল। কিন্তু আকাশ কালো হয়ে আসলেও তা কেটে যেতে সময় লাগেনি। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসেন। গোলও আদায় করে নিয়ে খেলায় সমতা নিয়ে আসেন ৫ মিনিট পরই। ১২ মিনিটে বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রো থেকে রাকিবের হেড তুর্কমেনিস্তানের গোলরক্ষক হাত দিয়ে ঠেকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেন। সামনে থাকা ইব্রাহিম হেড করে তিন ম্যাচ পর বাংলাদেশ দলকে গোল উপহার দেন। যে গোল ছিল আবার নতুন কোচ হ্যাবিয়ার ক্যাবরেরারও প্রথম গোল। তার কোচিংয়ে বাংলাদেশ দল আগের তিন ম্যাচে কোনো গোল পায়নি।

গোল পরিশোধের পর বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা উজ্জীবিত হয়ে উঠেন। ২০ মিনিটে সাজ্জাদ ও ২৩ মিনিটে রকিবের চেষ্টা বিফলে যায়। দুই মিনিট পর ইব্রাহিমের শট সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়। আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ দল এগিয়ে যাওয়ার সহজ সুযোগ নষ্ট করে। আবারও বিশ্বনাথের লম্বা থ্রো থেকে সাজ্জাদের ব্যাক হেড থেকে ইয়াসিন আরাফাত গোলমুখে দাঁড়িয়েও মাথা ছুঁয়াতে পারেননি। পরে তুর্কমেনিস্তানের রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড় গোললাইনে থেকে বিপদমুক্ত করেন। প্রথমার্ধের শেষের দিকে দুই দলেরই দুইটি চেষ্টা দুই দলেরই গোলরক্ষক বাঁচিয়ে দেন।

দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ তিনজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করে। কিন্তু তাতে গোলের মুখ আর দেখা হয়নি। এই অর্ধে বাংলাদেশ চাপিয়ে খেললেও প্রথমার্ধেরে মতো পারেনি। তবে সুযোগ তৈরি করেছিল প্রথমার্ধের তুলনায় অনেক সহজ। যা থেকে গোল না হওয়া ছিল দুভার্গ্য ছাড়া আর কিছু না। ৪৭ মিনিটে রাকিবের ক্রস থেকে সাজ্জাদ তুর্কমেনিস্তানের গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। ৫৪ মিনিটে ইব্রাহিমের ক্রস থেকে সাজ্জাদ সঠিকভাবে মাথা লাগাতে ব্যর্থ হন। ৭১ মিনিটে বিপলুর পাস থেকে ইব্রাহিমের বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফাহিমের শট সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে তুলে দেন। এসময় তুর্কমেনিস্তানও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। তবে তা গোল হওয়ার মতো ছিল না। ৭৭ মিনিটে বাংলাদেশ অপ্রত্যাশিতভাবে গোল হজম করে বসে। বাম দিক দিয়ে গড়ে উঠা আক্রমণ থেকে আগুয়ান আন্নাদুয়েভকে আটকাতে ব্যর্থ হন ইয়াসিন। তার আড়াআড়ি ক্রস থেকে টোকা দিয়ে বলকে তার আপন ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন আরসলান। খেলার ধারার বিরুদ্ধে গোল হজম করলেও দমে না গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলাররা পাল্টা আঘাত হেনে গোল পরিশোধের চেষ্টা করেন। সুযোগও পেয়ে যায়। ৮৮ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিক থেকে ফাঁকায় দাঁড়ানো টুটুল হোসেন বাদশার শট বাইরে চলে গেলে মাথায় হাত দিয়ে বসেন তিনি। অন্যদেরও হতাশ হতে দেখা যায়। এ রকম আফসোস ও হতাশার মধ্য দিয়েই রেফারি খেলার শেষ বাঁশি বাজান।

এমপি/এসজি/

Header Ad
Header Ad

কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?

প্রতীকী ছবি

প্রেমের কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই, নেই ধরাবাধা কোনও নিয়ম। কিন্তু প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু পছন্দ আর অপছন্দ থাকেই। সম্প্রতি, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বয়সের তুলনায় ছোট বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আগ্রহী।

এই সমীক্ষা মার্কিন বিজ্ঞান পত্রিকা ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় ২৫ থেকে ৮২ বছর বয়সী সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ-নারী অংশগ্রহণ করেছিলেন, এবং তারা এক ধরনের ‘ব্লাইন্ড ডেট’-এ অংশ নেন, যার মানে হল যে, তারা প্রথমে একে অপরকে জানতেন না এবং শুধু সাক্ষাৎ করার পরই একে অপরকে পছন্দ করেছে কিনা, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এবং পুরুষেরা মোটামুটি সমানভাবে তাদের থেকে কম বয়সী সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। বিশেষ করে, নারীরা বেশি বয়সী পুরুষের তুলনায় তরুণ পুরুষদের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী ছিলেন। অধ্যাপক পল ইস্টউইক, যিনি এই গবেষণার প্রধান গবেষক, তিনি উল্লেখ করেছেন যে সাধারণত সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত থাকে যে নারীরা বেশি বয়সী পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হন, কিন্তু এই গবেষণা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দের পার্থক্য থাকতে পারে। অর্থাৎ, প্রথম দিকে কোন ব্যক্তির প্রতি আকর্ষণ হলেও, সম্পর্কের গভীরতা এবং স্থায়িত্বের জন্য অন্য ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হতে পারে।

এই গবেষণা প্রমাণ করে যে, প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে আরও অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ—যেমন, সম্পর্কের মান, ব্যক্তিত্ব, এবং অন্য মানসিকতা। তবে, এই সমীক্ষা একটি নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মানুষের প্রথম আকর্ষণ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে।

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাহিনীটিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে জেলা পর্যায়ে একাধিক জনবল নেবে। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ

পদের নাম: ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)

পদসংখ্যা: জেলাভিত্তিক শূন্য পদ অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে)।

বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

জাতীয়তা: বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

শারীরিক যোগ্যতা: মেধা কোটার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে। নারী প্রার্থীর উচ্চতা মেধা কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে।

বুকের মাপ: মেধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি।

ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমোদিত পরিমাপের হতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি: ৬/৬

আবেদন ফি: আবেদন ফরম পূরণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে ৪০ টাকা জমা করতে হবে।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ মার্চ ২০২৫।

Header Ad
Header Ad

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১-এর পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামীতে এই রেজিমেন্টেকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা হবে।’

রেজিমেন্টের সব সদস্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এর আগে, রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাপ্রধান পৌঁছালে তাকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘কর্নেল র‍্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেওয়া হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি