শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে উচ্চতর গবেষণা

আমের সঙ্গে রাজশাহীর নাম চলে আসে। গ্রীষ্মকালীন এ ফল আন্তর্জাতিক বাজারে এ অঞ্চলকে পরিচিত করেছে। ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে আম। এখন শুধু একটি মৌসুম নয়, সারাবছরই আমের বাণিজ্যিক উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে চলছে উচ্চতর গবেষণা।

এরই মধ্যে বছরে তিনবার ফলন দেয় এমন বারি আম-১১ জাতটি উদ্ভাবিত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের দীর্ঘ সময়ের গবেষণার পর জাতটি ২০১৫ সালে অবমুক্ত করা হয়। যদিও রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্র ২০১০ সাল থেকেই এ বিষয়ে গবেষণা করছে। স্থাপন করা হয়েছে ‘অফ-সিজন ম্যাংগো জার্মপ্লাজম’। তবে এরও আগে ২০০৫ সাল থেকে তিনবার ফল প্রদানকারী ‘বারমাসি’ নামে জাতের আম রাজশাহীতে চাষ শুরু হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মতে, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থায় অসময়ে আমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে উচ্চতর গবেষণা চলছে। দীর্ঘ ১০ বছরের গবেষণার ফলে ‘বারমাসি’ জাতটির আম ‘টক স্বাদ’ থেকে মিষ্টি স্বাদযুক্ত বারি আম-১১ উদ্ভাবন করা হয়েছে। অসময়ে চাষ করা যায় এমন নতুন জাত সৃষ্টিতেও গবেষণা কার্যক্রম চলমান। তবে মৌসুমের চেয়ে অসময়ে আম চাষে ঝুঁকি বেশি হলেও লাভ অনেক বেশি। তাই কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রে ‘অফ-সিজন ম্যাংগো জার্মপ্লাজম’ নামে গবেষণা প্লটে পাঁচজন গবেষক গবেষণাকার্য পরিচালনা করছেন। এরা হলেন-এম এ উদ্দিন, এমএইচ ওলিউল্লাহ, কেএইচ আলম, জিএমএম বারি ও এমওয়াই আবিদা। যারা বারি আম-১১ এর সঙ্গে কাজলা জামের পরাগায়ন করে নতুন জাত উদ্ভাবনসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে মাঠপর্যায়ের গবেষণা করে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বলেন, গবেষণাকার্য সম্পন্ন করে সরকারের অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে পারি না। তবে এ পর্যন্ত এখানকার একটি গবেষণা শেষ পর্যায়ে। অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। সেখানে স্বীকৃতি পেলে নাম নির্ধারণ করে তা অবমুক্ত করা হবে। আর আফ-সিজন ম্যাংগো নিয়ে এখানে আরও বেশ কয়েকটি গবেষণা চলমান। অফ-সিজনে আমের নতুন জাত উদ্ভাবন করে বাণ্যিজিকভাবে চাষ বৃদ্ধিই গবেষণার লক্ষ্য।

রাজশাহী জেলায় মাঠ-পর্যায়ে অসময়ে আম চাষ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) উত্তম কুমার কবিরাজ। অসময়ে আম চাষে সমস্যা, সম্ভাবনা ও সমাধানের বিষয়ে তিনি জানান, বারি আম-১১ এর অনেক আগে বছরে তিনবার আম পাওয়া যায় এমন জাত রাজশাহীতে চাষ হয়েছে। যেটা ‘বারমাসি’ আম হিসেবেই পরিক্ষামূলকভাবে চাষিরা আবাদ করেছেন। তবে ওই আমটা খেতে টক ছিল। যার কারণে কৃষকরা ওই বারমাসি জাতটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। তবে বারি আম-১১ এ জাতটির আম খেতে সুস্বাদু। এ আমের চাহিদাও ব্যাপক। কৃষকরা এ আমের চাষ করে ভালো লাভবান হচ্ছেন। রাজশাহীতে আনুমানিক ৫০ হেক্টর জমিতে এখন বারি আম-১১ চাষ করা হচ্ছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

রোগবালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উত্তম কুমার কবিরাজ বলেন, বারি আম-১১ এ জাতের রোগবালাই আক্রমণের হার মৌসুমি আমের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। সবচেয়ে বেশি থাকে পোকার আক্রমণের ঝুঁকি। কারণ মৌসুমে অনেক বাগান কিন্তু অফ-সিজনে অল্পসংখ্যক জমিতে এ জাতের চাষ হচ্ছে। এসময় সব পোকা এসে এ জাতটিকে আক্রমণ করে। এ কারণে কৃষক যদি সঠিক পরিচর্যা না করে তাহলে পুরো গাছের আম নষ্ট হয়ে যাবে। তবে এখন যারা এ জাতের আম চাষ করছেন তারা পরিচর্যার বিষয়ে সচেতন।

তিনি আরও বলেন, মৌসুমে একটি গাছে যে পরিমাণ আম পাওয়া যায়, বারি আম-১১ তিনবারে সেই আম দেয়। বাণ্যিজ্যিকভাবে এ আম আবাদের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা অফ-সিজিনে ১৬ হাজার টাকা মণ দরেও চাষিরা এ আম বিক্রি করেছেন। অথচ মৌসুমে অনেক সময় দেখা যায়, ১৬ মণ আম বিক্রি করেও চাষিরা ১৬ হাজার টাকা পান না। বারি আম-১১ চাষ সবচেয়ে বেশি লাভজনক।

উত্তম কুমার কবিরাজ বলেন, বীজ থেকে এ আমের চারা পাওয়া যায়। তবে ভালো ফলন ও সবল গাছ পেতে কলম পদ্ধতিতে পাওয়া চারা সবচেয়ে উৎকৃষ্ট। বারি আম-১১ জাতটি এখনও মৌসুমি চারার মতো সহজলভ্য হয়নি। বাণ্যিজিক বাগান তৈরিতে একসঙ্গে কেউ ১-২ হেক্টর জমির জন্য গাছের চারা চাইলে সেটা দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে প্রতি বছরই চারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ছে। চাষিদেরও যথেষ্ট আগ্রহ আছে এ জাত নিয়ে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা জানান, অফ-সিজনের আম চাষ কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে। কারণ এটা লাভজনক। অফ-সিজনে আম চাষে পোকামাকড়ের আক্রমণের হার মৌসুমের তুলনায় বেশি থাকে। তবে এখন আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পোকাসহ রোগ-বালাই ব্যবস্থাপনা মাঠ পর্যায়ের চাষিরা খুব ভালো বোঝে। তবে নতুন চাষিদের সচেতন থাকতে হবে।

এসএন

Header Ad

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আশঙ্কা

ফাইল ছবি

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে

রোববার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিনে আবহাওয়া পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

Header Ad

অক্টোবরে সড়কে প্রাণ গেছে ৪৭৫ জনের

ছবি: সংগৃহীত

গত অক্টোবর মাসে দেশজুড়ে সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৫৩৪টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৭৫ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৭৫ জন। এরমধ্যে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৭৫ জন এবং আহত হয়েছেন ৮১৫ জন। একই সময়ে রেলপথে ৬৩টি দুর্ঘটনায় ৭৬ নিহত, ২৪ জন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত, ৩৬ জন আহত এবং ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এছাড়া এই সময়ে ১৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৩ জন নিহত, ২৩৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩০.৫৩ শতাংশ, নিহত ৩৪.৩১ শতাংশ ও আহত ২৯.৩২ শতাংশ।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। সংগঠনটি বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়, আঞ্চলিক, অনলাইন এবং ইলেক্ট্রনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ-পথের সংগঠিত দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১৭ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৪৯ চালক, ১৩৭ পথচারী, ৫১ পরিবহন শ্রমিক, ৭৩ শিক্ষার্থী, ১৮ শিক্ষক, ৭৬ নারী, ৬২ শিশু, ৫ চিকিৎসক, ৯ সাংবাদিক এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে ৬ জন পুলিশ সদস্য, ৩ সেনা সদস্য, ১ আনসার সদস্য, ১২৪ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ১১৭ জন পথচারী, ৫৮ জন নারী, ৫১ জন শিশু, ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ৩২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৫ জন শিক্ষক, ৪ জন চিকিৎসক, ৬ জন সাংবাদিক, ১৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৩১টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৪.৪১ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২২.৫০ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৮.৫৪ শতাংশ বাস, ১৭.৯১ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৩.৯৬ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৬.৬৫ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.০২ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪৯.৪৮ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৫.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৪.৭৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৯.৫১ শতাংশ বিবিধ কারণে, ০.২৫ শতাংশ ট্রেন যাববাহনে সংঘর্ষ। এবং চাকায় ওড়না পেছিয়ে ০.৭৫ শতাংশ।

সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— দেশের সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের অনুপস্থিতি সুযোগে আইন লঙ্ঘন করে যানবাহনের অবাধ চলাচল; জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় এবং অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের মাঝে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়া; এসব গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে; জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টানিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে; মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা; উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন এবং অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানোকে।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে— জরুরি ভিত্তিতে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মত ছোট ছোট যানবাহন আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা; জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা; দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান; ধীরগতির যান ও দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা; সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা; মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা; সড়ক পরিবহন আইন যথাযতভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রয়োগ করা; উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা; মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট করা; মেয়াদোত্তীর্ণ গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবৎ ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা।

Header Ad

গায়ানায় দলের সঙ্গে যোগ দিলেন সাকিব

ছবি: সংগৃহীত

আর মাত্র তিন পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের গায়ানায় পর্দা উঠবে গ্লোবাল সুপার লিগের প্রথম আসরের। বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোর চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে উইন্ডিজ ক্রিকেট আয়োজন করছে গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ, আর এই টুর্নামেন্টের জন্য তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে দলে ভিড়িয়েছে স্বাগতিক গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এই টাইগার পেসার।

এর আগে বাংলাদেশ সময় বুধবার দুপুরে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন সাকিব। এরপর গায়ানায় সাকিবকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় ফ্যাঞ্চাইজিটি। নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্ট করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে গ্লোবাল সুপার লিগ কতৃপক্ষ।

চোটের কারণে এই আসরে সাকিবের খেলা নিয়ে এতদিন অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন সাকিব। কিন্তু গত সোমবার ফিটনেস টেস্ট দিয়ে সেই অনিশ্চিয়তা দূর করেছেন তিনি। যার ফলে বিসিবির কাছ থেকে এই লিগে খেলার অনুমতি পান সাকিব।

রংপুর রাইডার্স ও গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সসহ টুর্নামেন্টটিতে অংশ নেবে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্স, ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ার ও অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলা ভিক্টোরিয়ান ক্রিকেট দল।

টুর্নামেন্টটির প্রথম রাউন্ডে প্রতিটি দলই একে অপরের মুখোমুখি হবে। পাঁচ দলের মধ্য থেকে চার দল যাবে সেমিফাইনালে। এরপর আগামী ৭ ডিসেম্বর হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আশঙ্কা
অক্টোবরে সড়কে প্রাণ গেছে ৪৭৫ জনের
গায়ানায় দলের সঙ্গে যোগ দিলেন সাকিব
আইপিএল নিলামের আগেই নিষিদ্ধ হলেন ভারতের ২ ক্রিকেটার
গাজীপুরে পিকনিকের বাসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৩ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
কবে বিয়ে করবেন জানালেন তামান্না ভাটিয়া
পঞ্চগড়ে ৫০০ টাকায় সন্তান বিক্রি, অতঃপর যা ঘটল...
অ্যান্টিগায় প্রথম দিন শেষে স্বস্তিতে টাইগাররা
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন পরীমণির প্রথম স্বামী
বিচারের আগে আ.লীগের মাঠে থাকার সুযোগ নেই: উপদেষ্টা নাহিদ
মাকে হত্যার পর থানায় হাজির ছেলে
৮ ক্রিকেটারসহ ৯ জনকে নিষিদ্ধ করলো বিসিবি
উপদেষ্টাদের যাচ্ছেতাই কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না: রিজভী
ভিসা কবে উন্মুক্ত করবে সেটা ভারতের নিজস্ব ব্যাপার: হাসান আরিফ
জুরাইন রেলক্রসিং ছাড়লেন রিকশাচালকরা, ৪ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
পাঁচ দেশে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতা
সাফজয়ী নারী ফুটবলার আইরিনকে নওগাঁয় সংবর্ধনা
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দেবে পাকিস্তান
বেনাপোলে সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার
পুলিশ-অটোরিকশা চালক সংঘর্ষ, ঢাকা-পদ্মা সেতু ট্রেন চলাচল বন্ধ